০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

আইজিপিও এমপির আত্বীয় পরিচয়ে হুমকিদাতা খুলনার ভয়ানক প্রতারকচক্র মনিরার অভিযোগের শেষ নেই

প্রতিনিধির নাম
জালিয়াতি, প্রতারণাসহ একাধিক মামলা,জিডি,অভিযোগে ও জড়িয়ে আছেন খুলনা জেলার লবণচরা থানার দক্ষিণ মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কাজী মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মনিরা আক্তার (৩২)।তার বিরুদ্ধে খুলনা ও কুমিল্লা আদালতে মামলা চলাকালে খুলনা রুপসা, লবণচরা ও  কুমিল্লা জেলার তিতাস থানায় একাধিক জিডি করেছেন তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা।মিথ্যা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছেন অনেককেই এমনটিও মন্তব্য করেছেন। মনিরা আক্তারের অত্যাচারিত ভুক্তভোগীরা হলেন০১.খুলনা লবণচরা থানার মোঃ নজরুল ইসলাম ০২.মোঃ রিয়াজুল হোসেন খান, পিতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান।০৩.মোঃ নাজমুল হাসান শেখ০৪.কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার শাহিনা আক্তার (৫০)স্বামী মোঃ আলী আকবর শেখ ।ভুক্তভোগীগণের মতে, তিনি প্রথমে নানা সরলতার সুযোগ নিয়ে ধনী ব্যক্তিদের টার্গেট করে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন অত:পর তার সহযোগীদের সাথে পরিচয় করিয়ে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে শুরু করেন ভয়ানক প্রতারনার জাল। ব্লাকমেইল করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে হঠাৎ উধাও হয়ে যান।কিছু দিন পর যোগাযোগ পেয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে টাকা ফেরৎ না দিয়ে আরো টাকা দাবি করে।হুমকি দিয়ে মামলার ভয় দেখানো শুরু করে।কথায় কথায় বাংলাদেশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা (প্রশাসন) এমনকি বাংলাদেশের আইজিপি ও বিভিন্ন সংসদ সদস্যদের ভয় দেখিয়ে অসংখ্য মানুষকে হয়রানি করে আসছে। কয়েকটি (গণমাধ্যম) ফেসবুকে তার বক্তব্যে নিয়ে তোলপাড় চলছে। ভিডিওটি তে তিনি বলেন “পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদ আমার আত্বীয় তুই এবং তোর ছেলের নামে বাংলাদেশের যেকোন জায়গায় মামলা হবে এবং তোদের সবাইকে ধরে নিয়ে আসবো” কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি আমার দাদা হয় তাকে সাথে নিয়ে তোদের উঠিয়ে নিয়ে আসবো অন্য ভিডিওতে বলেন,তোর স্বামীকে নিয়ে যেতে চাইলে আমাকে টাকা দিতে হবে তোর সাথে আমি বুঝে শুনে অন্যায় করছি ।ইতিমধ্যে মনিরা আক্তারের তিনটি বিয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে।মনিরা আক্তারের ১ম স্বামী মোঃ ফারুক শেখ (৪২) পিতা মোঃ ছাত্তার শেখ,সাং-হাজী আব্দুল মালেক মাদ্রাসা, কবরস্থান রোড, লবণচরা, খুলনা।২য় স্বামী মোঃ সোহরাব হোসেন (৫৮) সৌদি আরব প্রবাসী,পিতা মৃত ছন্দু মিয়া,সাং-শাহাবাজপুর,ডাকঘর: দক্ষিণ শাহাবাজপুর৩৪/১৩,থানা:নবীনগর, জেলা-বাক্ষ্নবাড়িয়া।৩য়/ বর্তমান স্বামী মোঃ আলী আকবর সরকার (৫৬)পিতা মৃত সুবামিয়া সরকার,সাং-সাহাবৃদ্দি,ডাকঘর-মজিদপুর,থানা:তিতাস, জেলা-কুমিল্লা।স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে,মনিরা আক্তারের বসতবাড়ি লবণচরা থানায় থাকলেও নির্দিষ্ট কোন ঠিকানা নেই।বিভিন্ন অপরাধ ও মামলায় জড়িত থাকায় ভিন্ন ভিন্ন স্থানে থাকেন।কখনো ঢাকায়, কখনো পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত,কখনো থাকেন কুমিল্লা। দীর্ঘ দিন ধরে বিদেশে চাকুরীর প্রলোভন ও প্রবাসীদের সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে নোংরা ছবি দেখিয়ে পরে ভিডিও করে ব্লাকমেইল করে।ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে আরো জানা গেছে,বর্তমানে এই ভয়ানক প্রতারণার সক্রিয় সদস্যদের মধ্যে সরাসরি যুক্ত আছে মোঃ জাহিদ আক্তার খান পিতা-আব্দুল গফফার খান ও বিভিন্ন অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ওরফে টেরা মোস্ত(৪২) এই দুই ব্যক্তি।মনিরা আক্তারের বিরুদ্ধে খুলনা আদালতে মামলা নং- সি.আর৮০৮/২১,৫৭/২১ এবং ১১৩/২১
কুমিল্লা আদালতে মামলা নং-সি.আর৫৪৫/২১ এবং সি.পি৫৭৬/২১ রুপসা থানায় ০৪.১২.২১ তারিখে জিডি নং-২০১এবং লবণচরা থানায় ০২.০১.২১ তারিখে জিডি নং-৫৩ বিদ্যমান। ভুক্তভোগীরা সর্বশেষ বক্তব্যে বলেন, আমরা অনেক জায়গায় যেয়েও কোন সমাধান পাচ্ছি না।তাই সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর, মানবাধিকার কর্মী, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতারকদের আখড়া ভেঙে দিয়ে  দ্রুত বিচারের এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৭:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
১৫৭ বার পড়া হয়েছে

আইজিপিও এমপির আত্বীয় পরিচয়ে হুমকিদাতা খুলনার ভয়ানক প্রতারকচক্র মনিরার অভিযোগের শেষ নেই

আপডেট : ০৭:১৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
জালিয়াতি, প্রতারণাসহ একাধিক মামলা,জিডি,অভিযোগে ও জড়িয়ে আছেন খুলনা জেলার লবণচরা থানার দক্ষিণ মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কাজী মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মনিরা আক্তার (৩২)।তার বিরুদ্ধে খুলনা ও কুমিল্লা আদালতে মামলা চলাকালে খুলনা রুপসা, লবণচরা ও  কুমিল্লা জেলার তিতাস থানায় একাধিক জিডি করেছেন তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা।মিথ্যা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছেন অনেককেই এমনটিও মন্তব্য করেছেন। মনিরা আক্তারের অত্যাচারিত ভুক্তভোগীরা হলেন০১.খুলনা লবণচরা থানার মোঃ নজরুল ইসলাম ০২.মোঃ রিয়াজুল হোসেন খান, পিতা মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান।০৩.মোঃ নাজমুল হাসান শেখ০৪.কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার শাহিনা আক্তার (৫০)স্বামী মোঃ আলী আকবর শেখ ।ভুক্তভোগীগণের মতে, তিনি প্রথমে নানা সরলতার সুযোগ নিয়ে ধনী ব্যক্তিদের টার্গেট করে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন অত:পর তার সহযোগীদের সাথে পরিচয় করিয়ে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে শুরু করেন ভয়ানক প্রতারনার জাল। ব্লাকমেইল করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে হঠাৎ উধাও হয়ে যান।কিছু দিন পর যোগাযোগ পেয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে টাকা ফেরৎ না দিয়ে আরো টাকা দাবি করে।হুমকি দিয়ে মামলার ভয় দেখানো শুরু করে।কথায় কথায় বাংলাদেশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা (প্রশাসন) এমনকি বাংলাদেশের আইজিপি ও বিভিন্ন সংসদ সদস্যদের ভয় দেখিয়ে অসংখ্য মানুষকে হয়রানি করে আসছে। কয়েকটি (গণমাধ্যম) ফেসবুকে তার বক্তব্যে নিয়ে তোলপাড় চলছে। ভিডিওটি তে তিনি বলেন “পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদ আমার আত্বীয় তুই এবং তোর ছেলের নামে বাংলাদেশের যেকোন জায়গায় মামলা হবে এবং তোদের সবাইকে ধরে নিয়ে আসবো” কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি আমার দাদা হয় তাকে সাথে নিয়ে তোদের উঠিয়ে নিয়ে আসবো অন্য ভিডিওতে বলেন,তোর স্বামীকে নিয়ে যেতে চাইলে আমাকে টাকা দিতে হবে তোর সাথে আমি বুঝে শুনে অন্যায় করছি ।ইতিমধ্যে মনিরা আক্তারের তিনটি বিয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে।মনিরা আক্তারের ১ম স্বামী মোঃ ফারুক শেখ (৪২) পিতা মোঃ ছাত্তার শেখ,সাং-হাজী আব্দুল মালেক মাদ্রাসা, কবরস্থান রোড, লবণচরা, খুলনা।২য় স্বামী মোঃ সোহরাব হোসেন (৫৮) সৌদি আরব প্রবাসী,পিতা মৃত ছন্দু মিয়া,সাং-শাহাবাজপুর,ডাকঘর: দক্ষিণ শাহাবাজপুর৩৪/১৩,থানা:নবীনগর, জেলা-বাক্ষ্নবাড়িয়া।৩য়/ বর্তমান স্বামী মোঃ আলী আকবর সরকার (৫৬)পিতা মৃত সুবামিয়া সরকার,সাং-সাহাবৃদ্দি,ডাকঘর-মজিদপুর,থানা:তিতাস, জেলা-কুমিল্লা।স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে,মনিরা আক্তারের বসতবাড়ি লবণচরা থানায় থাকলেও নির্দিষ্ট কোন ঠিকানা নেই।বিভিন্ন অপরাধ ও মামলায় জড়িত থাকায় ভিন্ন ভিন্ন স্থানে থাকেন।কখনো ঢাকায়, কখনো পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত,কখনো থাকেন কুমিল্লা। দীর্ঘ দিন ধরে বিদেশে চাকুরীর প্রলোভন ও প্রবাসীদের সাথে ভিডিও কলের মাধ্যমে নোংরা ছবি দেখিয়ে পরে ভিডিও করে ব্লাকমেইল করে।ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে আরো জানা গেছে,বর্তমানে এই ভয়ানক প্রতারণার সক্রিয় সদস্যদের মধ্যে সরাসরি যুক্ত আছে মোঃ জাহিদ আক্তার খান পিতা-আব্দুল গফফার খান ও বিভিন্ন অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ওরফে টেরা মোস্ত(৪২) এই দুই ব্যক্তি।মনিরা আক্তারের বিরুদ্ধে খুলনা আদালতে মামলা নং- সি.আর৮০৮/২১,৫৭/২১ এবং ১১৩/২১
কুমিল্লা আদালতে মামলা নং-সি.আর৫৪৫/২১ এবং সি.পি৫৭৬/২১ রুপসা থানায় ০৪.১২.২১ তারিখে জিডি নং-২০১এবং লবণচরা থানায় ০২.০১.২১ তারিখে জিডি নং-৫৩ বিদ্যমান। ভুক্তভোগীরা সর্বশেষ বক্তব্যে বলেন, আমরা অনেক জায়গায় যেয়েও কোন সমাধান পাচ্ছি না।তাই সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর, মানবাধিকার কর্মী, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতারকদের আখড়া ভেঙে দিয়ে  দ্রুত বিচারের এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।