১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

ইরি ও বোর ধান চাষে ব্যাস্ত সময় পার করছে চৌহালীর কৃষকরা

প্রতিনিধির নাম
উত্তরাঞ্চলের শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত সিরাজগঞ্জ চৌহালী উপজেলা, ইরি-ধানের আবাদে ব্যাস্ত সময় পার করছে চাষিরা।
শীত আর কুয়াশা কাবু করতে পারেনি তাদের। তবে চারা রোপণ ব্যহত হচ্ছে না।আবহাওয়া ভালো হওয়ার কারনে। এ বছর ধানের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা উচ্ছাস দেখা গেছে।
 এদিকে  মাসের শুরু থেকেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেয়েছিলো। সকালে ঘর থেকে বের হওয়া যায়নি।ঘণ কুয়াশা আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে আকাশে দেখা দিয়েছে সূর্যের আলো। আবহাওয়া খানিকটা ভালো হওয়ায় কৃষকরা ইরি-ধান চাষাবাদে ঝুঁকে পড়ছে।
সরেজমিনে চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা মাঠ ঘুরে দেখা গেছে। কেউ কেউ চারা তুলে জমা করছে।আবার কেউ পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল বয়ে জমি তৈরি করছে।আবার কোথাও কোথাও কৃষকরা তাদের তৈরিকৃত জমিতে ইরি-ধানের চারা রোপন করছে। কোথাও গভীর অথবা অগভীর  পুরোদমে চলছে  সেঁচকাজ।
এ ব্যাপারে সদিয়া ইউনিয়নের বেতিল চরের কৃষক মোঃসোলেমান মিয়া বলেন।এ বছর আমি পাঁচ বিঘা জমিতে হাল চাষ করে ইরি-ধানের চারা রোপণ করেছি।আগাম রোপণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।ধানের রোগ বালাই কোম হয়।
তাই আমি প্রতিবছর আগাম ইরি ধানের চারা রোপণ করে থাকি। আবহাওয়া জনিত কারনে প্রতি বছর বীজতলা কমবেশি নষ্ঠ হলে ও এ বছর ইরি ধানের চারার কোন সংকট বা কাটতি হবে না আমার বিশ্বাস ।
ট্যাগস :
আপডেট : ১১:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
১৮৫ বার পড়া হয়েছে

ইরি ও বোর ধান চাষে ব্যাস্ত সময় পার করছে চৌহালীর কৃষকরা

আপডেট : ১১:৩৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
উত্তরাঞ্চলের শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত সিরাজগঞ্জ চৌহালী উপজেলা, ইরি-ধানের আবাদে ব্যাস্ত সময় পার করছে চাষিরা।
শীত আর কুয়াশা কাবু করতে পারেনি তাদের। তবে চারা রোপণ ব্যহত হচ্ছে না।আবহাওয়া ভালো হওয়ার কারনে। এ বছর ধানের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে কিছুটা উচ্ছাস দেখা গেছে।
 এদিকে  মাসের শুরু থেকেই শীতের তীব্রতা বেড়ে গেয়েছিলো। সকালে ঘর থেকে বের হওয়া যায়নি।ঘণ কুয়াশা আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে আকাশে দেখা দিয়েছে সূর্যের আলো। আবহাওয়া খানিকটা ভালো হওয়ায় কৃষকরা ইরি-ধান চাষাবাদে ঝুঁকে পড়ছে।
সরেজমিনে চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা মাঠ ঘুরে দেখা গেছে। কেউ কেউ চারা তুলে জমা করছে।আবার কেউ পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল বয়ে জমি তৈরি করছে।আবার কোথাও কোথাও কৃষকরা তাদের তৈরিকৃত জমিতে ইরি-ধানের চারা রোপন করছে। কোথাও গভীর অথবা অগভীর  পুরোদমে চলছে  সেঁচকাজ।
এ ব্যাপারে সদিয়া ইউনিয়নের বেতিল চরের কৃষক মোঃসোলেমান মিয়া বলেন।এ বছর আমি পাঁচ বিঘা জমিতে হাল চাষ করে ইরি-ধানের চারা রোপণ করেছি।আগাম রোপণ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।ধানের রোগ বালাই কোম হয়।
তাই আমি প্রতিবছর আগাম ইরি ধানের চারা রোপণ করে থাকি। আবহাওয়া জনিত কারনে প্রতি বছর বীজতলা কমবেশি নষ্ঠ হলে ও এ বছর ইরি ধানের চারার কোন সংকট বা কাটতি হবে না আমার বিশ্বাস ।