০৮:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

গজারিয়ায় কৃষি জমিতে জোরপূর্বক বালু ভরাটের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় টেঙ্গারচর   ইউনিয়নের বিশদ্রোন ভাটেরচর এলাকায়  কৃষকের তিন ফসিলি জমিতে জোর পূর্বক বালু ভরাটের অভিযোগ উঠছে স্থানীয় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ৮নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মোকাম্মেল হক।এ বিষয়ে ভূক্তভোগী মধু মিয়া ও মো. হোসেন মোল্লা পৃথক পৃথক গজারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গজারিয়া থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার টেঙ্গারচর ইউনিয়নের
বিশদ্রোন ভাটেরচর এলাকার মৃত হাজী আবু ইউসুফ মাস্টারের ছেলে ও টেঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. মোকাম্মেল হকের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সিন্ডিকেট করে নিরীহ কৃষকের আবাদি জমি জোরপূর্বক বালু ভরাট করছে। এতে কৃষকরা তাদের বাঁধা দিলেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কৃষি জমি জোরপূর্বক ভরাট করে যাচ্ছে।
বুধবার সরেজমিন ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার আবাদি জমিতে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাট করছে। বালু ভরাট স্থানে কয়েক জনকে পাহাড়া দিতে দেখা যায়। বালু ভরাটের ফলে কয়েকটি ফসিল জমির গাছসহ বালু চাপা পরছে। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যায়।
ভূক্তভোগী মধু মিয়া বলেন, আমার ছেলে রাসেল মোল্লা ক্রয় সূত্রে ভাটেরচর মৌজায় বি.এস দাগ নং -৪২৭২, জে.এল নং -২০ জমির পরিমান ৪. ৪২ শতাংশের মালিক। একটি কোম্পানির পক্ষে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. মোকাম্মেল হক ও তার লোকজন জোরপূর্বক দখল করে বালু ভরাট করছে। আমার ছেলে রাসেল মোল্লা বালু ভরাটে বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে আহত করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
আরেক কৃষক মো. হোসেন মোল্লা বলেন, কোম্পানির দালাল মোকাম্মেল হক একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক ও ভূমিদস্যু। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কৃষকদের কয়েক শত বিঘা ফসলি জমি তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বকভাবে ভরাট করে যাচ্ছে।এলাকার মানুষ তার কর্মকা-ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার লোকজন দিয়ে মারধরসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে থাকে। আমাদের সাধারণ কৃষকের আবাদি জমি উদ্ধার করে আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন রক্ষা করার দাবী জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত মোকাম্মেল হকের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক ফোন দেওয়ার পরও তিনি ফোন রিসির্ভ করেন নি।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. রইছ উদ্দিন বলেন, জোরপূর্বক কৃষিজমিতে বালু ভরাট করার অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৭:৩৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
১৬৬ বার পড়া হয়েছে

গজারিয়ায় কৃষি জমিতে জোরপূর্বক বালু ভরাটের অভিযোগ

আপডেট : ০৭:৩৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় টেঙ্গারচর   ইউনিয়নের বিশদ্রোন ভাটেরচর এলাকায়  কৃষকের তিন ফসিলি জমিতে জোর পূর্বক বালু ভরাটের অভিযোগ উঠছে স্থানীয় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ৮নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মোকাম্মেল হক।এ বিষয়ে ভূক্তভোগী মধু মিয়া ও মো. হোসেন মোল্লা পৃথক পৃথক গজারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
গজারিয়া থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার টেঙ্গারচর ইউনিয়নের
বিশদ্রোন ভাটেরচর এলাকার মৃত হাজী আবু ইউসুফ মাস্টারের ছেলে ও টেঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. মোকাম্মেল হকের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সিন্ডিকেট করে নিরীহ কৃষকের আবাদি জমি জোরপূর্বক বালু ভরাট করছে। এতে কৃষকরা তাদের বাঁধা দিলেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কৃষি জমি জোরপূর্বক ভরাট করে যাচ্ছে।
বুধবার সরেজমিন ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার আবাদি জমিতে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাট করছে। বালু ভরাট স্থানে কয়েক জনকে পাহাড়া দিতে দেখা যায়। বালু ভরাটের ফলে কয়েকটি ফসিল জমির গাছসহ বালু চাপা পরছে। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যায়।
ভূক্তভোগী মধু মিয়া বলেন, আমার ছেলে রাসেল মোল্লা ক্রয় সূত্রে ভাটেরচর মৌজায় বি.এস দাগ নং -৪২৭২, জে.এল নং -২০ জমির পরিমান ৪. ৪২ শতাংশের মালিক। একটি কোম্পানির পক্ষে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো. মোকাম্মেল হক ও তার লোকজন জোরপূর্বক দখল করে বালু ভরাট করছে। আমার ছেলে রাসেল মোল্লা বালু ভরাটে বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে আহত করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
আরেক কৃষক মো. হোসেন মোল্লা বলেন, কোম্পানির দালাল মোকাম্মেল হক একজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক ও ভূমিদস্যু। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কৃষকদের কয়েক শত বিঘা ফসলি জমি তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বকভাবে ভরাট করে যাচ্ছে।এলাকার মানুষ তার কর্মকা-ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার লোকজন দিয়ে মারধরসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে থাকে। আমাদের সাধারণ কৃষকের আবাদি জমি উদ্ধার করে আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন রক্ষা করার দাবী জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত মোকাম্মেল হকের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক ফোন দেওয়ার পরও তিনি ফোন রিসির্ভ করেন নি।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. রইছ উদ্দিন বলেন, জোরপূর্বক কৃষিজমিতে বালু ভরাট করার অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।