০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

গম বিক্রির সিংহভাগ টাকা লোপাটের পাঁয়তারা

প্রতিনিধির নাম
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ধুবিল ইউনিয়নে কাবিখা প্রকল্পের রাস্তায় নামমাত্র মাটির কাজ করে সিংহভাগ টাকা লোপাটের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিখা সাধারণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে মালতি নগর পাঁকা রাস্তার মাথা হতে গভীর নলকূপ পর্যন্ত রাস্তা পুনঃমেরামতের জন্য ৬.৫০০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ হয়। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ময়ফুল খাতুন প্রথম কিস্তিতে ৪.৩৫০ মেট্রিক টন গম উত্তোলন করে সাকুল্য গম কালোবাজারে বিক্রি করে দেয়। ২১ মার্চ ২০২২ সোমবার স্থানীয় সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে রাস্তাটি দেখতে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকজন জানান ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেল তাঁর লোকজন দিয়ে ট্রাক যোগে রাস্তার মাঝে মাঝে কিছু মাটি ফেলেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ময়ফুল খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামীর সাথে কথা বলেন।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেলের কাছে জানতে চাইলে প্রকল্পের মাটি ফেলার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, এই প্রকল্পের কিছু কাজ করা হয়েছে। বাঁকী কাজও করা হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৬:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
১৪০ বার পড়া হয়েছে

গম বিক্রির সিংহভাগ টাকা লোপাটের পাঁয়তারা

আপডেট : ০৬:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ধুবিল ইউনিয়নে কাবিখা প্রকল্পের রাস্তায় নামমাত্র মাটির কাজ করে সিংহভাগ টাকা লোপাটের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানাযায়, উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিখা সাধারণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে মালতি নগর পাঁকা রাস্তার মাথা হতে গভীর নলকূপ পর্যন্ত রাস্তা পুনঃমেরামতের জন্য ৬.৫০০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ হয়। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ময়ফুল খাতুন প্রথম কিস্তিতে ৪.৩৫০ মেট্রিক টন গম উত্তোলন করে সাকুল্য গম কালোবাজারে বিক্রি করে দেয়। ২১ মার্চ ২০২২ সোমবার স্থানীয় সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে রাস্তাটি দেখতে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকজন জানান ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেল তাঁর লোকজন দিয়ে ট্রাক যোগে রাস্তার মাঝে মাঝে কিছু মাটি ফেলেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য ময়ফুল খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামীর সাথে কথা বলেন।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রাসেলের কাছে জানতে চাইলে প্রকল্পের মাটি ফেলার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, এই প্রকল্পের কিছু কাজ করা হয়েছে। বাঁকী কাজও করা হবে।