১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম সিএমএম কোর্টে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

.আবদুল মতিন চৌধুরী (রিপন), বিশেষ প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম তাহমিনা আফরোজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মনীষা মহাজনসহ চট্টগ্রাম সিএমএম কোর্টে কর্মরত বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষে এডিসি (প্রসিকিউশন) আরাফাতুল ইসলামসহ মহানগরীর সকল থানার ওসিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কনফারেন্সে আরও উপস্থিত ছিলেন পিবিআই, সিআইডি, ডিবি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, কারা প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও ফরেনসিক মেডিসিন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ।
কনফারেন্সের শুরুতে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলম বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরার পাশাপাশি বিচারকাজ ও মামলা নিষ্পত্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং এর কার্যকর সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। বিচারাধীন মামলাসমূহের সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। তাছাড়া, তদন্তে ভুল ত্রুটি পরিহার করে দ্রুততম সময়ে রিপোর্ট দাখিলের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কনফারেন্সে উপস্থিত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ও তদন্ত সংস্থার প্রতিনিধিগণ মেডিকেল সনদ, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রাপ্তিতে বিলম্ব এবং এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল ও ফরেনসিক বিভাগ কর্তৃক অসহযোগিতা ও হয়রানির অভিযোগ করেন। ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ঐসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা, বিচারপ্রার্থী মানুষ ও আসামীগণ ভোগান্তিতে পড়েন মর্মে তারা অভিযোগ করেন। তৎপ্রেক্ষিতে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলম তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং যথা সময়ে মেডিকেল সনদ, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে পুরাতন মামলার তদন্ত সমাপ্তি নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন এবং আদালত হাজতে আনা আসামীদের দুপুরের খাবারের সমস্যা সমাধান হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। কনফারেন্সে সকল বক্তা তাদের বক্তব্যে মামলা দায়ের, তদন্ত, সমন, ওয়ারেন্ট, ডব্লিউপিএন্ডএ, সাক্ষী উপস্থাপন, মালখানা ইত্যাদিতে বিদ্যমান সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। সকল অংশীজন দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৬:৩০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩
৮৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম সিএমএম কোর্টে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

আপডেট : ০৬:৩০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

 

চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম তাহমিনা আফরোজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মনীষা মহাজনসহ চট্টগ্রাম সিএমএম কোর্টে কর্মরত বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষে এডিসি (প্রসিকিউশন) আরাফাতুল ইসলামসহ মহানগরীর সকল থানার ওসিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কনফারেন্সে আরও উপস্থিত ছিলেন পিবিআই, সিআইডি, ডিবি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, কারা প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও ফরেনসিক মেডিসিন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ।
কনফারেন্সের শুরুতে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলম বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরার পাশাপাশি বিচারকাজ ও মামলা নিষ্পত্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং এর কার্যকর সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। বিচারাধীন মামলাসমূহের সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। তাছাড়া, তদন্তে ভুল ত্রুটি পরিহার করে দ্রুততম সময়ে রিপোর্ট দাখিলের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। কনফারেন্সে উপস্থিত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ও তদন্ত সংস্থার প্রতিনিধিগণ মেডিকেল সনদ, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রাপ্তিতে বিলম্ব এবং এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল ও ফরেনসিক বিভাগ কর্তৃক অসহযোগিতা ও হয়রানির অভিযোগ করেন। ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ঐসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা, বিচারপ্রার্থী মানুষ ও আসামীগণ ভোগান্তিতে পড়েন মর্মে তারা অভিযোগ করেন। তৎপ্রেক্ষিতে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রবিউল আলম তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং যথা সময়ে মেডিকেল সনদ, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে পুরাতন মামলার তদন্ত সমাপ্তি নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন এবং আদালত হাজতে আনা আসামীদের দুপুরের খাবারের সমস্যা সমাধান হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। কনফারেন্সে সকল বক্তা তাদের বক্তব্যে মামলা দায়ের, তদন্ত, সমন, ওয়ারেন্ট, ডব্লিউপিএন্ডএ, সাক্ষী উপস্থাপন, মালখানা ইত্যাদিতে বিদ্যমান সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। সকল অংশীজন দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।