০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে সার

প্রতিনিধির নাম
টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। টাঙ্গাইল জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী সরকার নির্ধারিত সারের মূল্য ইউরিয়া প্রতি কেজি ১৬ টাকা, ট্রিপুল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ২২ টাকা, ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) ১৬ টাকা, মিউরেট অব পটাশ (পটাশ) ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা ইউরিয়া বিক্রি করেন ২০ টাকায়, বিএডিসির ডিএপি ২০ টাকায়, পটাশ ২২ টাকা ও বাংলা ডিএপি ১৬ টাকার পরিবর্তে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের আইসড়া বাজারে  আইয়ুব পারভেজ এন্টারপ্রাইজে গিয়ে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত মূল্যে ডিএপি ২০ টাকায়, ইউরিয়া ২০ টাকায় ও পটাশ ২২ টাকায় বিক্রি করছেন। সরেজমিনে পরিদর্শন করে অতিরিক্ত মূল্য নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রেতা আইয়ুব ও পারভেজ  বলেন, আমাদের অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনতে হয়েছে। তাই বেশি দামে বিক্রি করছি আর বর্তমান এর মূল বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে আমাদের বেশী মূল্য নিতে হচ্ছে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অতিরিক্ত মূল্য নেয়ায় সাধারণ কৃষকগণ প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।  জেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল বাসার জানান, সরকার ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৫:১৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
২৩৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে সার

আপডেট : ০৫:১৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষকদের জিম্মি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। টাঙ্গাইল জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যানুযায়ী সরকার নির্ধারিত সারের মূল্য ইউরিয়া প্রতি কেজি ১৬ টাকা, ট্রিপুল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ২২ টাকা, ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) ১৬ টাকা, মিউরেট অব পটাশ (পটাশ) ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা ইউরিয়া বিক্রি করেন ২০ টাকায়, বিএডিসির ডিএপি ২০ টাকায়, পটাশ ২২ টাকা ও বাংলা ডিএপি ১৬ টাকার পরিবর্তে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের আইসড়া বাজারে  আইয়ুব পারভেজ এন্টারপ্রাইজে গিয়ে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত মূল্যে ডিএপি ২০ টাকায়, ইউরিয়া ২০ টাকায় ও পটাশ ২২ টাকায় বিক্রি করছেন। সরেজমিনে পরিদর্শন করে অতিরিক্ত মূল্য নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রেতা আইয়ুব ও পারভেজ  বলেন, আমাদের অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনতে হয়েছে। তাই বেশি দামে বিক্রি করছি আর বর্তমান এর মূল বৃদ্ধি করা হয়েছে যার ফলে আমাদের বেশী মূল্য নিতে হচ্ছে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অতিরিক্ত মূল্য নেয়ায় সাধারণ কৃষকগণ প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।  জেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল বাসার জানান, সরকার ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করার সুযোগ নেই। আমাদের কাছে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।