০৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

দেশবরেণ্য লেখক লুৎফুর রহমান ছিলেন কিংবদন্তি আলোকচিত্র শিল্পী

রাজিব দে, প্রতিনিধি ঢাকা

 

অতীতকে বাদ দিয়ে বর্তমানের অবস্থান চিন্তা করাই যায় না। অতীতের যা কিছু প্রাপ্তি,মা অর্জন ,যা কিছু ঘটে যাওয়া ভালো মন্দ যেটাই হোক না কেন তা বর্তমানে এসে প্রতিফলিত হবেই হবে। অতীত আমাদেরকে বাস্তব জীবনে, বর্তমান জীবনে কিভাবে পথ চলতে হবে, কাকে কতটুকু সম্মান করতে হবে এই অনুশীলন করার শিক্ষা দেয়।
আমরা যদি ফিরে যাই সে সময়ে -এত ছবি তোলার যন্ত্রাংশ ছিল না। ফিল্মে ছবি তোলা হতো সেটা বিশেষ প্রক্রিয়ায় ওয়াশ করে ছবি আকারে বের করা হতো। এই অসাধ্যকে সাধ্য করে নিজের অবস্থানকে ধরে রেখেছেন ইতিহাসের বুকে সেই আলোকচিত্র শিল্পী লুৎফুর রহমান ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তার বাবা সপরিবারে রাজশাহীতে চলে এসে স্থায়ী বসবাস করেন। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্যের সোনালী যৌবনের দিনগুলো তিনি রাজশাহী সাহেব বাজারে কাটান। যৌবনে তিনি ছবিতোলাকে নেশা হিসেবে নিয়েছিলেন পরবর্তীতে সেই নেশায় তার পেশাতে পরিণত হয়েছিল। পেশাগত জীবনে যে সকল ছবি তুলছিলেন তা ইতিহাসের সাক্ষী। এই মানুষটি এমন কোন মিডিয়াতে নেই তাঁর বিচরণ ছিল না। রাজনীতি ক্ষেত্রে, সরকারি প্রশাসনের ক্ষেত্রে, চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে, শিক্ষামূলক বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনি এত সুন্দর এবং নিখুঁত ছবি তুলেছেন তা অনেক দুর্লভ। যা আজ দেশের জন্য অনেক মূল্যবান সম্পদ। যখন তিনি এই ছবিগুলো তোলেন তখন তিনি নিজেও ভাবেননি এই ছবিগুলো একসময় কথা বলবে। যুগ যুগ ধরে যতদিন পৃথিবী বেঁচে থাকবে ততদিন তাঁর তোলা ছবিগুলো মানুষের জীবনে নতুন করে আবার ভাবতে শেখাবে।

ষাট ও সত্তর দশকে যাঁরা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন সবগুলো কিংবদন্তি মানুষের সঙ্গে তাঁর ছিল সাহচর্য। শুধু তাই নয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ৭ই মার্চের ভাষণ দেন রেস কোর্স ময়দানে সেই সময় অনেক আলোকচিত্রী ছবি তুলেছিলেন কিন্তু লেখক লুৎফুর রহমানের তোলা ছবিটি সর্বত্র ব্যবহার হয়। এটা লুৎফর রহমানের বড় একটি প্রাপ্তি। অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার জলন্ত সাক্ষী এই লুৎফর রহমান।

দেশে ৫ টাকা, ১০ টাকা, নোট প্রচলিত আছে। এই নোটগুলোতে বঙ্গবন্ধুর ছবি মুদ্রিত আছে। ছবিগুলো আলোকচিত্রশিল্পী লুৎফুর রহমানের তোলা। যা বাংলাদেশের আপামর জনগণ তাদের জীবন জীবিকার জন্য ব্যবহার করছে। নোটের কোন এক জায়গায় লেখা থাকলে আরো বেশি ভালো হতো। সাধারণ জনগণ জানতে পারতো এই ছবিটা কে তুলেছেন ।এটা সরকারের কাছে একটু আবদার তো তাঁর পরিবার থেকে থাকতেই পারে।

স্বাধীনতা পূর্বকালে ১৯৬৭ আযুব বিরোধী প্রবল আন্দোলনের সময় প্রথম শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে লুৎফর রহমানের পরিচয় ঘটে। তিনি তখন রাজশাহীতে থাকতেন। শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য রাজশাহীতে গিয়েছিলেন,তাঁর রাজনৈতিক গুরু সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে। সেখানে নিজ ক্যামেরায় শেখ মুজিবুর রহমানসহ আরো অনেকের ছবি তোলেন। শেখ মুজিবুর রহমান বলেন ‘তোমার ছবি ভালো হইলে আমারে দিবা, আমি ঢাকায় গিয়ে তোমার ছবি নেবো’। এভাবেই আস্তে আস্তে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তার হৃদ্যতা শুরু হয়। তিনি খুব মৃদুভাষী, আলাপি মানুষ ছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয়াভাজন ছিলেন এবং ব্যক্তইগত ফোটো সাংবাদিকও ছিলেন।

তার ৪৫ বছর বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি ১৯৭৪ যুক্ত ফন্ট নির্বাচন সালে, ৭ মার্চের ভাষণসহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অসংখ্য দুর্লভ ছবি তাঁর ক্যামেরায় তোলা হয়েছে। আজ সেই ছবিগুলো দেশের শুধু সম্পদ নয়, দলিলও বলা যেতে পারে।

কারণ প্রত্যেকটা ছবি আলাদা আলাদা ইতিহাস বহন করছে।আর এই ইতিহাসগুলো জীবনের কথা বলে, মানবতার কথা বলে। মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটা ছবির অনেক বড় ভূমিকা। যেমন কলমের লিখনী দিয়ে সমাজকে, রাষ্ট্রকে, ভালো-মন্দ বোঝানো যায়,শাসন করা যায় তেমনি একটা ছবি বড় একটি হাতিয়ার যে হাতিয়ার দিয়ে অনেক কিছুই বোঝানো যায়,করা যায় অনেক অর্থবহ হয়ে ওঠে। একটা ছবি অনেক ঘটনার জীবনচিত্র।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের অনেক বিরল ছবি, এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক দুর্লভ ছবি তুলেছেন ফটো সাংবাদিক লুৎফুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি তোলার কারণে উপহার দিয়ে পুরস্কৃত করা হয় ব্রান্ডবুরি উইল কিংসন কোম্পানি কর্তৃক ক্যামেরা। তার পরিবার ইচ্ছে করছে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতে এই ক্যামেরাটি তুলে দিতে। কেননা এই ক্যামেরাটি আর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, দেশের সম্পদ । আগামী প্রজন্ম জাদুঘরে এই ক্যামেরা দেখবে আর বুঝবে এবং নিজেদের মধ্যে প্রত্যয় তৈরি করবে কিভাবে একটি মানুষ দিনে দিনে আলোকিত মানুষ হয়।

ফটো সাংবাদিক লুৎফুর রহমানের অসামান্য কৃতিত্ব বাংলাদেশে এখনো প্রচলিত আছে সরকারের বিভিন্ন অফিসে এবং প্রতিষ্ঠানে।কিন্তু দুঃখের বিষয় এই মানুষটি কোন রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হননি। তবে আমরা আশা করছি এই মানুষটিকে তাঁর ত্যাগের এবং তাঁর কর্মের প্রাপ্তি দেশকে একটা সময় দিতেই হবে, হয়তো সে সময়টা খুবই নিকটে। ব্যক্তিগত জীবনে হাসিখুশী সদালাপী লুৎফর রহমান ১ পুত্র এবং তিন কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। তার পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু দেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এক কন্যা অস্ট্রেলিয়াতে আছেন। বাকী দু’জনকে প্রতিষ্ঠিত ঘরে বিয়ে দিয়েছেন। প্রখ্যাত এই আলোকচিত্রী ২০০৬ সালে মারা যান।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
৬৮ বার পড়া হয়েছে

দেশবরেণ্য লেখক লুৎফুর রহমান ছিলেন কিংবদন্তি আলোকচিত্র শিল্পী

আপডেট : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

 

অতীতকে বাদ দিয়ে বর্তমানের অবস্থান চিন্তা করাই যায় না। অতীতের যা কিছু প্রাপ্তি,মা অর্জন ,যা কিছু ঘটে যাওয়া ভালো মন্দ যেটাই হোক না কেন তা বর্তমানে এসে প্রতিফলিত হবেই হবে। অতীত আমাদেরকে বাস্তব জীবনে, বর্তমান জীবনে কিভাবে পথ চলতে হবে, কাকে কতটুকু সম্মান করতে হবে এই অনুশীলন করার শিক্ষা দেয়।
আমরা যদি ফিরে যাই সে সময়ে -এত ছবি তোলার যন্ত্রাংশ ছিল না। ফিল্মে ছবি তোলা হতো সেটা বিশেষ প্রক্রিয়ায় ওয়াশ করে ছবি আকারে বের করা হতো। এই অসাধ্যকে সাধ্য করে নিজের অবস্থানকে ধরে রেখেছেন ইতিহাসের বুকে সেই আলোকচিত্র শিল্পী লুৎফুর রহমান ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তার বাবা সপরিবারে রাজশাহীতে চলে এসে স্থায়ী বসবাস করেন। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্যের সোনালী যৌবনের দিনগুলো তিনি রাজশাহী সাহেব বাজারে কাটান। যৌবনে তিনি ছবিতোলাকে নেশা হিসেবে নিয়েছিলেন পরবর্তীতে সেই নেশায় তার পেশাতে পরিণত হয়েছিল। পেশাগত জীবনে যে সকল ছবি তুলছিলেন তা ইতিহাসের সাক্ষী। এই মানুষটি এমন কোন মিডিয়াতে নেই তাঁর বিচরণ ছিল না। রাজনীতি ক্ষেত্রে, সরকারি প্রশাসনের ক্ষেত্রে, চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে, শিক্ষামূলক বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তিনি এত সুন্দর এবং নিখুঁত ছবি তুলেছেন তা অনেক দুর্লভ। যা আজ দেশের জন্য অনেক মূল্যবান সম্পদ। যখন তিনি এই ছবিগুলো তোলেন তখন তিনি নিজেও ভাবেননি এই ছবিগুলো একসময় কথা বলবে। যুগ যুগ ধরে যতদিন পৃথিবী বেঁচে থাকবে ততদিন তাঁর তোলা ছবিগুলো মানুষের জীবনে নতুন করে আবার ভাবতে শেখাবে।

ষাট ও সত্তর দশকে যাঁরা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন সবগুলো কিংবদন্তি মানুষের সঙ্গে তাঁর ছিল সাহচর্য। শুধু তাই নয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ৭ই মার্চের ভাষণ দেন রেস কোর্স ময়দানে সেই সময় অনেক আলোকচিত্রী ছবি তুলেছিলেন কিন্তু লেখক লুৎফুর রহমানের তোলা ছবিটি সর্বত্র ব্যবহার হয়। এটা লুৎফর রহমানের বড় একটি প্রাপ্তি। অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার জলন্ত সাক্ষী এই লুৎফর রহমান।

দেশে ৫ টাকা, ১০ টাকা, নোট প্রচলিত আছে। এই নোটগুলোতে বঙ্গবন্ধুর ছবি মুদ্রিত আছে। ছবিগুলো আলোকচিত্রশিল্পী লুৎফুর রহমানের তোলা। যা বাংলাদেশের আপামর জনগণ তাদের জীবন জীবিকার জন্য ব্যবহার করছে। নোটের কোন এক জায়গায় লেখা থাকলে আরো বেশি ভালো হতো। সাধারণ জনগণ জানতে পারতো এই ছবিটা কে তুলেছেন ।এটা সরকারের কাছে একটু আবদার তো তাঁর পরিবার থেকে থাকতেই পারে।

স্বাধীনতা পূর্বকালে ১৯৬৭ আযুব বিরোধী প্রবল আন্দোলনের সময় প্রথম শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে লুৎফর রহমানের পরিচয় ঘটে। তিনি তখন রাজশাহীতে থাকতেন। শেখ মুজিবুর রহমান রাজনৈতিক প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য রাজশাহীতে গিয়েছিলেন,তাঁর রাজনৈতিক গুরু সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে। সেখানে নিজ ক্যামেরায় শেখ মুজিবুর রহমানসহ আরো অনেকের ছবি তোলেন। শেখ মুজিবুর রহমান বলেন ‘তোমার ছবি ভালো হইলে আমারে দিবা, আমি ঢাকায় গিয়ে তোমার ছবি নেবো’। এভাবেই আস্তে আস্তে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তার হৃদ্যতা শুরু হয়। তিনি খুব মৃদুভাষী, আলাপি মানুষ ছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয়াভাজন ছিলেন এবং ব্যক্তইগত ফোটো সাংবাদিকও ছিলেন।

তার ৪৫ বছর বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি ১৯৭৪ যুক্ত ফন্ট নির্বাচন সালে, ৭ মার্চের ভাষণসহ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অসংখ্য দুর্লভ ছবি তাঁর ক্যামেরায় তোলা হয়েছে। আজ সেই ছবিগুলো দেশের শুধু সম্পদ নয়, দলিলও বলা যেতে পারে।

কারণ প্রত্যেকটা ছবি আলাদা আলাদা ইতিহাস বহন করছে।আর এই ইতিহাসগুলো জীবনের কথা বলে, মানবতার কথা বলে। মানুষকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটা ছবির অনেক বড় ভূমিকা। যেমন কলমের লিখনী দিয়ে সমাজকে, রাষ্ট্রকে, ভালো-মন্দ বোঝানো যায়,শাসন করা যায় তেমনি একটা ছবি বড় একটি হাতিয়ার যে হাতিয়ার দিয়ে অনেক কিছুই বোঝানো যায়,করা যায় অনেক অর্থবহ হয়ে ওঠে। একটা ছবি অনেক ঘটনার জীবনচিত্র।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের অনেক বিরল ছবি, এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক দুর্লভ ছবি তুলেছেন ফটো সাংবাদিক লুৎফুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ ছবি তোলার কারণে উপহার দিয়ে পুরস্কৃত করা হয় ব্রান্ডবুরি উইল কিংসন কোম্পানি কর্তৃক ক্যামেরা। তার পরিবার ইচ্ছে করছে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতে এই ক্যামেরাটি তুলে দিতে। কেননা এই ক্যামেরাটি আর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, দেশের সম্পদ । আগামী প্রজন্ম জাদুঘরে এই ক্যামেরা দেখবে আর বুঝবে এবং নিজেদের মধ্যে প্রত্যয় তৈরি করবে কিভাবে একটি মানুষ দিনে দিনে আলোকিত মানুষ হয়।

ফটো সাংবাদিক লুৎফুর রহমানের অসামান্য কৃতিত্ব বাংলাদেশে এখনো প্রচলিত আছে সরকারের বিভিন্ন অফিসে এবং প্রতিষ্ঠানে।কিন্তু দুঃখের বিষয় এই মানুষটি কোন রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হননি। তবে আমরা আশা করছি এই মানুষটিকে তাঁর ত্যাগের এবং তাঁর কর্মের প্রাপ্তি দেশকে একটা সময় দিতেই হবে, হয়তো সে সময়টা খুবই নিকটে। ব্যক্তিগত জীবনে হাসিখুশী সদালাপী লুৎফর রহমান ১ পুত্র এবং তিন কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। তার পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু দেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এক কন্যা অস্ট্রেলিয়াতে আছেন। বাকী দু’জনকে প্রতিষ্ঠিত ঘরে বিয়ে দিয়েছেন। প্রখ্যাত এই আলোকচিত্রী ২০০৬ সালে মারা যান।