১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

নওগাঁয় ব্যবসায়িক-লেনদেনের ঢাকা ফিরে পেতে ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ব্যবসায়িক লেনদেনের ১৭ লক্ষ টাকা ফিরে পেতে এক ভুক্তভোগীর পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, নাবিল ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী বদরুদ্দোজা আহমেদ কামালের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী বেলালসহ তার পরিবার “মান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে” এসে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। ভুক্তভোগী বেলাল নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউপির হরিপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন জানান, আমি (মেসার্স ফারিহান ট্রেডার্স) নামে ধান ক্রয় বিক্রয় করি। সেই সুবাদে (মেসার্স নাবিল ট্রেডার্স) এর স্বত্বাধিকারী কামালের সাথে ব্যবসায়িক  সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুত্র ধরে গত ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কামাল, নগদ ও বাঁকিতে আমার নিকট থেকে ধান ক্রয় করে আসছিলেন। লেনদেন চলা অবস্থায় ধানের ১৭ লক্ষ টাকা তাহার  নিকট পাওনা থাকি। পরে কামাল হোসেন ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ করে দেয়। তখন আমার পাওনা টাকা তার কাছে চাইলে আজ দিবো কাল দিবো বলে টালবাহানা শুরু করেন।   কয়েকবার পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ঘুরাচ্ছেন তিনি। আমার জীবনের সকল উপার্জিত অর্থ আটকে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে দিনাতিপাত করছি। এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া টাকা আমি পরিশোধ করতে পারছিনা। সন্তান সন্তানাদির নিয়ে চরম সংকটপূর্ণভাবে দিন কাটাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় টাকা উত্তরণের জন্য দ্বারস্থ হয়েও টাকা উঠাতে পাচ্ছিনা। টাকা চাইলে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং টালবাহানা করছেন। এ বিষয়ে আমি নিয়ামতপুর থানা একটি অভিযোগও দায়ের করেছি। থানার শরণাপন্ন হয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা। তাহার নিকট টাকা চাইতে গেলে ওই ব্যবসায়ী বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন এবং দিনের পর দিন আমাকে হয়রানি করছে। আমার জীবনে এখন অন্ধকার নেমে এসেছে। আমার জীবনের সকল উপার্জিত সে আটকে রাখছে। এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছি। আমার পাওনা  উক্ত টাকা ফেরত দিলে পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারবো। আমার ছোট দুটি বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই দুঃসময়ে আমি  প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৫:২৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২
১৯৯ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় ব্যবসায়িক-লেনদেনের ঢাকা ফিরে পেতে ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৫:২৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ব্যবসায়িক লেনদেনের ১৭ লক্ষ টাকা ফিরে পেতে এক ভুক্তভোগীর পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। ভুক্তভোগী পরিবার জানান, নাবিল ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী বদরুদ্দোজা আহমেদ কামালের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী বেলালসহ তার পরিবার “মান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে” এসে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। ভুক্তভোগী বেলাল নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউপির হরিপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন জানান, আমি (মেসার্স ফারিহান ট্রেডার্স) নামে ধান ক্রয় বিক্রয় করি। সেই সুবাদে (মেসার্স নাবিল ট্রেডার্স) এর স্বত্বাধিকারী কামালের সাথে ব্যবসায়িক  সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুত্র ধরে গত ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কামাল, নগদ ও বাঁকিতে আমার নিকট থেকে ধান ক্রয় করে আসছিলেন। লেনদেন চলা অবস্থায় ধানের ১৭ লক্ষ টাকা তাহার  নিকট পাওনা থাকি। পরে কামাল হোসেন ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ করে দেয়। তখন আমার পাওনা টাকা তার কাছে চাইলে আজ দিবো কাল দিবো বলে টালবাহানা শুরু করেন।   কয়েকবার পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ঘুরাচ্ছেন তিনি। আমার জীবনের সকল উপার্জিত অর্থ আটকে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে দিনাতিপাত করছি। এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া টাকা আমি পরিশোধ করতে পারছিনা। সন্তান সন্তানাদির নিয়ে চরম সংকটপূর্ণভাবে দিন কাটাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় টাকা উত্তরণের জন্য দ্বারস্থ হয়েও টাকা উঠাতে পাচ্ছিনা। টাকা চাইলে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং টালবাহানা করছেন। এ বিষয়ে আমি নিয়ামতপুর থানা একটি অভিযোগও দায়ের করেছি। থানার শরণাপন্ন হয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা। তাহার নিকট টাকা চাইতে গেলে ওই ব্যবসায়ী বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন এবং দিনের পর দিন আমাকে হয়রানি করছে। আমার জীবনে এখন অন্ধকার নেমে এসেছে। আমার জীবনের সকল উপার্জিত সে আটকে রাখছে। এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছি। আমার পাওনা  উক্ত টাকা ফেরত দিলে পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারবো। আমার ছোট দুটি বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই দুঃসময়ে আমি  প্রশাসনসহ সকলের সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।