০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

নানান অনিয়মে গঠিত নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতির অবৈধ কমিটিকে বয়কট করেছে নাঙ্গলকোটবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় বসবাসরত নাঙ্গলকোট উপজেলার বাসিন্দাদের সংগঠন নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতি ঢাকা । সর্বদলীয় এই সংগঠনের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে কোটি টাকার বিনিময়ে কমিটি ঘটনের অভিযোগ উঠেছে স্বঘোষিত সভাপতি নঈম নিজাম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে। গত ০৬ সেপ্টেম্বর তেজগাঁওয়ে সন্ধ্যা ৭টায় মিডিয়া ক্লাবে এই কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।বর্তমান কমিটিতে থাকা সদস্যদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ব্যাপক অনিয়ম ও অভিযোগের পাহাড় নিয়ে গঠিত হয়েছে এই কমিটি। তন্মোধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য অভিযোগসমূহ হলো: উপদেষ্টা পরিষদের সাথে পরামর্শ না করে রাতের অন্ধকারে এ কমিটি করা হয়েছে।সভাপতি প্রায় ১০ জনের অধিক তার আত্মীয় স্বজনকে কমিটিতে রেখেছে। যারা যারা অবৈধ অর্থের যোগান দিয়েছে তাদেরই এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।ঢাকাস্থ বেশ কয়েকজন সম্মানিত ব্যক্তিদেরও কমিটিতে রাখা হয় নি। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো কমিটির বর্তমান স্বঘোষিত সভাপতি এ সমিতির সদস্যই হননি। সকল ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব আসে নি এ কমিটিতে যেমন:জোড্ডা ইউনিয়নের প্রায় ২০জন এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত যেখানে এক পরিবারের পাঁচ জন সদস্য রয়েছে।ঢালুয়া ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫জন।বক্সগন্জ ইউনিয়নের সমিতির ১৩ জনকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এভাবে দুই তিনটা ইউনিয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত কমিটি করা যেটা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।এছাড়াও অযোগ্য জুনিয়রদের দায়িত্ব পদ দিয়ে সিনিয়রদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এ অবৈধ কমিটিতে।

আরো জানা যায়, বিভিন্ন পদে বিভিন্ন দর নির্ধারণ করে দিয়েছেন সভাপতি। আর এ অবৈধ আর্থিক লেনদেনে তার সহযোগী ছিলেন গণ্ডাপুরের শহীদ নামে এক ব্যক্তি। যেখানে যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক ৫ লাখ, সহ-সভাপতি ৩ লাখ, সম্পাদকীয় পদের জন ২-৩ লাখ, নির্বাহী সদস্য ১ লাখ। এই ভাবে প্রায় ১ কোটি টাকার পদ বাণিজ্য হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। যাদের টাকা দিয়েছে কেবল তারাই কমিটিতে জায়গায় পেয়েছেন। কমিটিতে রয়েছেন অবৈধ টাকার মালিক, মাদক ব্যবসায়ীসহ দুর্নীতিবাজরা।

কথা ছিল, মৃত বাদ দিয়ে সাবেক ৮১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকলকে রেখে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি করা হবে, সেটা মানা হয়নি।সর্বদলীয় সংগঠন হলেও এটাকে মোটামুটি আওয়ামী লীগ বা নিজের আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে পারিবারিক সমিতি বললে বেশি বলা হবে না।

বিদ্যমান কমিটিতে ৬৫ জন আওয়ামী লীগ সদস্য, ২৫ জন্য বিএনপি (তাও আমার দুই ব্যক্তির আস্তাভাজন), বাকি ৯ জন সুশীল, ১ জন লেবার পার্টি।বাংলাদেশ তথা ঢাকায় অবস্থানের দিক থেকেও তৃতীয় জামায়াতের কোনো সদস্যকে কমিটিতে রাখা হয়নি।
এই সমিতির সাবেক নেতাদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, শিগগিরই নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতির বৈধ কমিটি গঠন করা হবে। সেখানে সবাইকে সমন্বয় করে কমিটি হবে এবং সকলে সমস্বরে বলেন সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিক ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে গঠিত স্বঘোষিত সভাপতি নঈম নিজাম ও ফরিদ আহমেদের এ অবৈধ কমিটি নাঙ্গলকোটবাসী বয়কট করেছে।

ট্যাগস :
আপডেট : ১০:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
১৮৬ বার পড়া হয়েছে

নানান অনিয়মে গঠিত নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতির অবৈধ কমিটিকে বয়কট করেছে নাঙ্গলকোটবাসী

আপডেট : ১০:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ঢাকায় বসবাসরত নাঙ্গলকোট উপজেলার বাসিন্দাদের সংগঠন নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতি ঢাকা । সর্বদলীয় এই সংগঠনের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে কোটি টাকার বিনিময়ে কমিটি ঘটনের অভিযোগ উঠেছে স্বঘোষিত সভাপতি নঈম নিজাম ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ মজুমদারের বিরুদ্ধে। গত ০৬ সেপ্টেম্বর তেজগাঁওয়ে সন্ধ্যা ৭টায় মিডিয়া ক্লাবে এই কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।বর্তমান কমিটিতে থাকা সদস্যদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ব্যাপক অনিয়ম ও অভিযোগের পাহাড় নিয়ে গঠিত হয়েছে এই কমিটি। তন্মোধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য অভিযোগসমূহ হলো: উপদেষ্টা পরিষদের সাথে পরামর্শ না করে রাতের অন্ধকারে এ কমিটি করা হয়েছে।সভাপতি প্রায় ১০ জনের অধিক তার আত্মীয় স্বজনকে কমিটিতে রেখেছে। যারা যারা অবৈধ অর্থের যোগান দিয়েছে তাদেরই এই কমিটিতে রাখা হয়েছে।ঢাকাস্থ বেশ কয়েকজন সম্মানিত ব্যক্তিদেরও কমিটিতে রাখা হয় নি। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো কমিটির বর্তমান স্বঘোষিত সভাপতি এ সমিতির সদস্যই হননি। সকল ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব আসে নি এ কমিটিতে যেমন:জোড্ডা ইউনিয়নের প্রায় ২০জন এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত যেখানে এক পরিবারের পাঁচ জন সদস্য রয়েছে।ঢালুয়া ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫জন।বক্সগন্জ ইউনিয়নের সমিতির ১৩ জনকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এভাবে দুই তিনটা ইউনিয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত কমিটি করা যেটা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।এছাড়াও অযোগ্য জুনিয়রদের দায়িত্ব পদ দিয়ে সিনিয়রদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এ অবৈধ কমিটিতে।

আরো জানা যায়, বিভিন্ন পদে বিভিন্ন দর নির্ধারণ করে দিয়েছেন সভাপতি। আর এ অবৈধ আর্থিক লেনদেনে তার সহযোগী ছিলেন গণ্ডাপুরের শহীদ নামে এক ব্যক্তি। যেখানে যুগ্ম সম্পাদক সম্পাদক ৫ লাখ, সহ-সভাপতি ৩ লাখ, সম্পাদকীয় পদের জন ২-৩ লাখ, নির্বাহী সদস্য ১ লাখ। এই ভাবে প্রায় ১ কোটি টাকার পদ বাণিজ্য হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। যাদের টাকা দিয়েছে কেবল তারাই কমিটিতে জায়গায় পেয়েছেন। কমিটিতে রয়েছেন অবৈধ টাকার মালিক, মাদক ব্যবসায়ীসহ দুর্নীতিবাজরা।

কথা ছিল, মৃত বাদ দিয়ে সাবেক ৮১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকলকে রেখে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি করা হবে, সেটা মানা হয়নি।সর্বদলীয় সংগঠন হলেও এটাকে মোটামুটি আওয়ামী লীগ বা নিজের আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে পারিবারিক সমিতি বললে বেশি বলা হবে না।

বিদ্যমান কমিটিতে ৬৫ জন আওয়ামী লীগ সদস্য, ২৫ জন্য বিএনপি (তাও আমার দুই ব্যক্তির আস্তাভাজন), বাকি ৯ জন সুশীল, ১ জন লেবার পার্টি।বাংলাদেশ তথা ঢাকায় অবস্থানের দিক থেকেও তৃতীয় জামায়াতের কোনো সদস্যকে কমিটিতে রাখা হয়নি।
এই সমিতির সাবেক নেতাদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, শিগগিরই নাঙ্গলকোট উপজেলা সমিতির বৈধ কমিটি গঠন করা হবে। সেখানে সবাইকে সমন্বয় করে কমিটি হবে এবং সকলে সমস্বরে বলেন সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিক ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে গঠিত স্বঘোষিত সভাপতি নঈম নিজাম ও ফরিদ আহমেদের এ অবৈধ কমিটি নাঙ্গলকোটবাসী বয়কট করেছে।