১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

নারায়ণগঞ্জে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় স্বামীর হাতটি ধরে রেখেও শেষ রক্ষা হলোনা স্কুল শিক্ষিকার

প্রতিনিধির নাম
 নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবির ঘটনায় সোনারগাঁ উপজেলার হাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে খাইরুন ফাতেমা নদীতে ডুবে মারা গেছেন।
ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেবি রেহেনা বিলকিস জানান, উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে খাইরুন ফাতেমা রোববার সকালে তাঁর স্বামীর সাথে পিটিআই-এর সনদের জন্য মুন্সিগঞ্জের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে উঠে। কার্গো জাহাজের ধাক্কায় দুর্ঘটনাকবলীত জাহাজ থেকে তিনি স্বামীর হাত ফসকে নদীতে তলিয়ে যান। পরে ডুবুরিয়া তাঁর লাশ উদ্ধার করে। তাঁর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। একপুত্রের নাম মাহফুজুর রহমান (১৮) অন্য সন্তানের নাম আরশাদ ফাহিম তালহা। উভয়েই মাদরাসার শিক্ষার্থী।
নিহত প্রধান শিক্ষকের স্বামী ও সোনারগাঁ কাজী ফজলুল হক ইউমেন্স কলেজের যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের অধ্যাপক আবু তাহের জানান, গতকাল দুপুর সোয়া ২টার দিকে সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে আসলে লঞ্চটিকে যখন কার্গো জাহাজ ধাক্কা দেয় তখন আমরা একে অপরের হাত ধরে ছিলাম। কিন্তু লঞ্চটি যখন ডুবে যায় তখন আমরা দুজন নদীতে তলিয়ে যেতে থাকি। আমি তাঁর হাত ধরে উপরে উঠিয়ে আনতে ব্যর্থ হই। এক সময় সে আমার হাত ফসকে নদীতে ডুবে যায়। তারঁ বাড়ী উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নাকুরিয়াহাটি গ্রামে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৬:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
১৪০ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জে লঞ্চ ডুবির ঘটনায় স্বামীর হাতটি ধরে রেখেও শেষ রক্ষা হলোনা স্কুল শিক্ষিকার

আপডেট : ০৬:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
 নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবির ঘটনায় সোনারগাঁ উপজেলার হাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে খাইরুন ফাতেমা নদীতে ডুবে মারা গেছেন।
ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেবি রেহেনা বিলকিস জানান, উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে খাইরুন ফাতেমা রোববার সকালে তাঁর স্বামীর সাথে পিটিআই-এর সনদের জন্য মুন্সিগঞ্জের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে উঠে। কার্গো জাহাজের ধাক্কায় দুর্ঘটনাকবলীত জাহাজ থেকে তিনি স্বামীর হাত ফসকে নদীতে তলিয়ে যান। পরে ডুবুরিয়া তাঁর লাশ উদ্ধার করে। তাঁর দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। একপুত্রের নাম মাহফুজুর রহমান (১৮) অন্য সন্তানের নাম আরশাদ ফাহিম তালহা। উভয়েই মাদরাসার শিক্ষার্থী।
নিহত প্রধান শিক্ষকের স্বামী ও সোনারগাঁ কাজী ফজলুল হক ইউমেন্স কলেজের যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের অধ্যাপক আবু তাহের জানান, গতকাল দুপুর সোয়া ২টার দিকে সদর উপজেলার কয়লাঘাট এলাকায় তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে আসলে লঞ্চটিকে যখন কার্গো জাহাজ ধাক্কা দেয় তখন আমরা একে অপরের হাত ধরে ছিলাম। কিন্তু লঞ্চটি যখন ডুবে যায় তখন আমরা দুজন নদীতে তলিয়ে যেতে থাকি। আমি তাঁর হাত ধরে উপরে উঠিয়ে আনতে ব্যর্থ হই। এক সময় সে আমার হাত ফসকে নদীতে ডুবে যায়। তারঁ বাড়ী উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নাকুরিয়াহাটি গ্রামে।