০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

নিত্যপণ্যের আগুন পুড়ছে যশোরবাসী

প্রতিনিধির নাম
বাড়ি-ঘরে আগুন লাগলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু বাজারের আগুন নেভানোর কেউ নেই।
 দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে যশোরের মানুষ এক প্রকার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কাঁচাপণ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের খাদ্যসামগ্রী কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন যশোর বাসী।
ইতিমধ্যে লাগামছাড়া হয়েছে তেল, চিনি, ডাল, আটা, ময়দা, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের মূল্য। একই অবস্থা কাঁচা পণ্যেও। সবজির বাজারেও প্রবেশ করা দায় হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। কোনো সবজির দাম ৩০ টাকার নীচে নেই। দু’ একশ’ টাকায় ভরছে না বাজারের ব্যাগ।
নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কথা হয় হাজি আলী স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মোস্তাকের সাথে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলে পৃথিবীর সব দেশ আমদানি শুল্ক কমায়।
৫০ টাকার রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়।  প্রতি কেজি আদায় বেড়েছে কমপক্ষে ১০ টাকা।আলু ১৭ টাকা থেকে বিক্রি হচ্ছে ২৫টাকা‌য়। সয়াবিন তেলের বাজার সবচেয়ে গরম। এই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তেলের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গত ২০-২৫ দিন ধরে তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান তারা। চিনিতে বেড়েছে ১৫ টাকা
বাজার ঘুরে জানা গেছে, যশোরের বাজারে ৫০ কেজির চিনির বস্তা তিন হাজার আটশ’ ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে পাইকারি। ২০ দিন আগে যার দাম ছিল তিন হাজার সাতশ’ ৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ছিল ৭৫ টাকা।
মসুর ডাল পাইকারি বিক্রি হচ্ছে  ১১০টাকায়।
বাজারে দ্রব্যমূল্যের আগুনতাপ  সবজির
বেড়েছে কাঁচা পণ্যের দামও। অন্য সব নিত্যপণ্যের সাথে আগুন লেগেছে সবজির বাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ পণ্যের দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রেতারা। যশোরের বড়বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছ, মাংসে হাত দিলেই সাথে সাথে হাত পুড়ছে।, এক সপ্তাহ আগের উচ্ছে এখন কেজি প্রতি ১৬০ টাকা । টমেটো কেজিপ্রতি ৪০ টাকা । ঝিঙে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়ে এখন ৪০ থেকে ৫০টাকা, পটল কেজিতে ১০টাকা বেড়ে এখন ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কুশিতে ১০ টাকা বেড়ে বর্তমান দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকায়। বরবটির দাম ১০ টাকা বেড়ে ৭০, লাউ ১০ টাকা বেড়ে প্রতি পিছ কমপক্ষে ৪০, চালকুমড়া পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স ১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া পাঁচ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নিয়মিত মনিটরিং করছি।
ট্যাগস :
আপডেট : ১২:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
২২৭ বার পড়া হয়েছে

নিত্যপণ্যের আগুন পুড়ছে যশোরবাসী

আপডেট : ১২:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
বাড়ি-ঘরে আগুন লাগলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু বাজারের আগুন নেভানোর কেউ নেই।
 দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে যশোরের মানুষ এক প্রকার দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কাঁচাপণ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের খাদ্যসামগ্রী কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন যশোর বাসী।
ইতিমধ্যে লাগামছাড়া হয়েছে তেল, চিনি, ডাল, আটা, ময়দা, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের মূল্য। একই অবস্থা কাঁচা পণ্যেও। সবজির বাজারেও প্রবেশ করা দায় হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। কোনো সবজির দাম ৩০ টাকার নীচে নেই। দু’ একশ’ টাকায় ভরছে না বাজারের ব্যাগ।
নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কথা হয় হাজি আলী স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মোস্তাকের সাথে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলে পৃথিবীর সব দেশ আমদানি শুল্ক কমায়।
৫০ টাকার রসুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়।  প্রতি কেজি আদায় বেড়েছে কমপক্ষে ১০ টাকা।আলু ১৭ টাকা থেকে বিক্রি হচ্ছে ২৫টাকা‌য়। সয়াবিন তেলের বাজার সবচেয়ে গরম। এই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তেলের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। গত ২০-২৫ দিন ধরে তেলের দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান তারা। চিনিতে বেড়েছে ১৫ টাকা
বাজার ঘুরে জানা গেছে, যশোরের বাজারে ৫০ কেজির চিনির বস্তা তিন হাজার আটশ’ ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে পাইকারি। ২০ দিন আগে যার দাম ছিল তিন হাজার সাতশ’ ৫০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি ছিল ৭৫ টাকা।
মসুর ডাল পাইকারি বিক্রি হচ্ছে  ১১০টাকায়।
বাজারে দ্রব্যমূল্যের আগুনতাপ  সবজির
বেড়েছে কাঁচা পণ্যের দামও। অন্য সব নিত্যপণ্যের সাথে আগুন লেগেছে সবজির বাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ পণ্যের দাম বাড়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রেতারা। যশোরের বড়বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছ, মাংসে হাত দিলেই সাথে সাথে হাত পুড়ছে।, এক সপ্তাহ আগের উচ্ছে এখন কেজি প্রতি ১৬০ টাকা । টমেটো কেজিপ্রতি ৪০ টাকা । ঝিঙে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়ে এখন ৪০ থেকে ৫০টাকা, পটল কেজিতে ১০টাকা বেড়ে এখন ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কুশিতে ১০ টাকা বেড়ে বর্তমান দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকায়। বরবটির দাম ১০ টাকা বেড়ে ৭০, লাউ ১০ টাকা বেড়ে প্রতি পিছ কমপক্ষে ৪০, চালকুমড়া পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স ১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া পাঁচ টাকা বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, নিয়মিত মনিটরিং করছি।