০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনে এমপি নদভীকে অনুসন্ধান কমিটিতে তলব প্রসঙ্গে ডঃ নদভীর বিবৃতি

আব্দুল্লাহ আল মারুফ 

বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী ডঃ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাঁকে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ শাহনেওয়াজ বরাবরে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব যে অভিযোগ করেছেন বলে প্রচারিত সংবাদ প্রসঙ্গে ডঃ নদভী এমপি বিবৃতি দিয়েছেন।
৩ ডিসেম্বর’২৩ ইং, রবিবার গনমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ডঃ আবু রেজা নেজামুদ্দিন এমপি বলেন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেব তাঁর নিজের এবং সমর্থকের গাড়ি বহর আটক করে আমি নানান রকম অশালীন অঙ্গিভঙ্গী ও দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছি বলে যে অভিযোগ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ শাহনেওয়াজ মনির বরাবর দায়ের করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যে অভিযোগে সত্যের লেশমাত্র নেই। বিগত দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরপর দুইবার আমি জনগণের বিপুল ভোটে সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে অত্র সংসদীয় আসনে বিগত ১০ বছরে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ও জীবনমান উন্নতকরণের লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। সন্ত্রাসের জনপদ নামে খ্যাত সংসদীয় এ আসনকে সন্ত্রাসমুক্ত শান্তির জনপদে পরিনত করতে সক্ষম হয়েছি। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাছিনা মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন জরীপের ভিত্তিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমার উপর আস্থা রেখে নৌকার নিরাপদ কান্ডারী হিসাবে আমার হাতেই নৌকা প্রতিক তুলে দিয়েছেন।
ড. নদভী এমপি আরো বলেন, জনমানুষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কর্তৃক আমাকে পুনরায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা পর এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দিপনা ও গন-জাগরণে বেশামাল হয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী আব্দুল মোতালেব পক্ষের অনুসারীগণ ঈর্ষান্বিত হয়ে উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেছেন।
একটি সমাবেশে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি বলেন, সরকারী উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি আমার প্রতিষ্ঠিত এনজিও সংস্থা আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমি সাতকানিয়া লোহাগাড়াসহ দেশব্যাপী চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালনা করলেও তপশিল ঘোষণার পর প্রতিশ্রুতিতো দূরের কথা কোন সমাবেশে অংশও নেইনি। ২৯ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম জমাদানের পর সোজা চট্টগ্রাম শহরের বাসায় চলে আসি। ১ ডিসেম্বর সাতকানিয়া মাদার্শা বাবুনগরে গ্রামের বাড়িতে অবস্থানের পর ২ ডিসেম্বর আবার চট্টগ্রাম শহরে চলে আসি।
তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী আচরণ বিধি পুংখানুপুংখ মেনে চলার এবং নির্বাচন কমিশনকে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকরের বলে উল্লেখ করেন। নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রেরিত নোটিশের ব্যাখ্যা ইতিমধ্যেই তাঁর পক্ষে তাঁর মনোনিত প্রতিনিধি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম অনুসন্ধান কমিটিতে প্রদান করেছেন বলেও জানান ডঃ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৮:০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
২৭৪ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনে এমপি নদভীকে অনুসন্ধান কমিটিতে তলব প্রসঙ্গে ডঃ নদভীর বিবৃতি

আপডেট : ০৮:০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী ডঃ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাঁকে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ শাহনেওয়াজ বরাবরে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব যে অভিযোগ করেছেন বলে প্রচারিত সংবাদ প্রসঙ্গে ডঃ নদভী এমপি বিবৃতি দিয়েছেন।
৩ ডিসেম্বর’২৩ ইং, রবিবার গনমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ডঃ আবু রেজা নেজামুদ্দিন এমপি বলেন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেব তাঁর নিজের এবং সমর্থকের গাড়ি বহর আটক করে আমি নানান রকম অশালীন অঙ্গিভঙ্গী ও দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছি বলে যে অভিযোগ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সহকারী জজ শাহনেওয়াজ মনির বরাবর দায়ের করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যে অভিযোগে সত্যের লেশমাত্র নেই। বিগত দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরপর দুইবার আমি জনগণের বিপুল ভোটে সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে অত্র সংসদীয় আসনে বিগত ১০ বছরে জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ও জীবনমান উন্নতকরণের লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। সন্ত্রাসের জনপদ নামে খ্যাত সংসদীয় এ আসনকে সন্ত্রাসমুক্ত শান্তির জনপদে পরিনত করতে সক্ষম হয়েছি। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাছিনা মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন জরীপের ভিত্তিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমার উপর আস্থা রেখে নৌকার নিরাপদ কান্ডারী হিসাবে আমার হাতেই নৌকা প্রতিক তুলে দিয়েছেন।
ড. নদভী এমপি আরো বলেন, জনমানুষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কর্তৃক আমাকে পুনরায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা পর এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দিপনা ও গন-জাগরণে বেশামাল হয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী আব্দুল মোতালেব পক্ষের অনুসারীগণ ঈর্ষান্বিত হয়ে উক্ত মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করেছেন।
একটি সমাবেশে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির অভিযোগ প্রসঙ্গে ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি বলেন, সরকারী উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি আমার প্রতিষ্ঠিত এনজিও সংস্থা আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমি সাতকানিয়া লোহাগাড়াসহ দেশব্যাপী চ্যারিটি কার্যক্রম পরিচালনা করলেও তপশিল ঘোষণার পর প্রতিশ্রুতিতো দূরের কথা কোন সমাবেশে অংশও নেইনি। ২৯ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম জমাদানের পর সোজা চট্টগ্রাম শহরের বাসায় চলে আসি। ১ ডিসেম্বর সাতকানিয়া মাদার্শা বাবুনগরে গ্রামের বাড়িতে অবস্থানের পর ২ ডিসেম্বর আবার চট্টগ্রাম শহরে চলে আসি।
তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী আচরণ বিধি পুংখানুপুংখ মেনে চলার এবং নির্বাচন কমিশনকে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধপরিকরের বলে উল্লেখ করেন। নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রেরিত নোটিশের ব্যাখ্যা ইতিমধ্যেই তাঁর পক্ষে তাঁর মনোনিত প্রতিনিধি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম অনুসন্ধান কমিটিতে প্রদান করেছেন বলেও জানান ডঃ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি।