০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে

প্রতিনিধির নাম
সুনামগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেছেন, ছাতকস্থ সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল বিরাষ্ট্রীয় করণ ছিলো একটি সুক্ষ্ণ ষড়যন্ত্র৷ এ অঞ্চলকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার লক্ষ্যেই বিএনপি জোট সরকারের আমলে ঘুষ দূর্নিতির মাধ্যমে প্রায় ৫০০শত কোটি টাকার পেপার মাত্র ৩০ কোটি টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলো।
এমপি মানিক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন শিল্পকারখানা বিক্রি হতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয় ওইসময়ই জাতীয়করণ করার উপযোগী ছিলো কিন্তু এটাকে সঠিক পরিচর্যা না করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে একটি মহল এ বিদ্যালয়কে পুঁজি করে ব্যবসা বানিজ্যালয়ে পরিনত করেছিলো। এখন বিদ্যালয়টিতে উন্নয়ন করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অতিত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগটিকে জাতীয় করন, বঙ্গবন্ধুর ম্যূারাল নির্মান, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, লাইব্রেরি, নতুন ভবন নির্মানসহ সকল প্রয়োজনিয় উন্নয়ন কাজ ক্রমান্নয়ে করে যাব।রবিবার সকালে সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারাধন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সহকারি শিক্ষক মাহবুব হোসেন এবং একরাম উদ্দীনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক রহমান তানভীর। প্রধান অতিথির উদ্দেশ্য মানপত্র পাঠ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তমাল পোদ্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রহমান, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান,  পৌর সভার প্রতিষ্টাকালীল মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু শাহাদাত মোহাম্মদ লাহিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপি বেগম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার  পুলিন চন্দ্র রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের  যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ, পৌর  সভার প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির আলী বাদশাহ।এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ রশিদ আহমদ খসরু, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ, আব্দুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদ মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি বাবুল রায়, আওয়ামীলীগ নেতা শমছু মিয়া, আব্দুল মতিন, ব্যবসায়ী রাসেল মাহমুদ, জসিম উদ্দিন,  মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্থতি কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান চৌধুরী সুমন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদমান মাহমুদ সানি, শিক্ষক কামাল হোসেন, মাওলানা বদরুল আলম, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ আছাব মিয়া, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছালেক মিয়া, অঞ্জন কুমার দাস, নাসিমা আক্তার, আহসান হাবিব, কাজল চন্দ্র দাস, নিপা রানী পাল,সুমিত্র নন্দি,বিলাল আহমদ, আশিষ চৌধুরী, ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তাজামুল হক রিপন, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম প্রমূখ। অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিদ্যালয়টি বর্নীল সাজে সজ্জিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক রহমান তানভীর
ট্যাগস :
আপডেট : ১১:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২
৩১৫ বার পড়া হয়েছে

পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে

আপডেট : ১১:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২
সুনামগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেছেন, ছাতকস্থ সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল বিরাষ্ট্রীয় করণ ছিলো একটি সুক্ষ্ণ ষড়যন্ত্র৷ এ অঞ্চলকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার লক্ষ্যেই বিএনপি জোট সরকারের আমলে ঘুষ দূর্নিতির মাধ্যমে প্রায় ৫০০শত কোটি টাকার পেপার মাত্র ৩০ কোটি টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলো।
এমপি মানিক বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন শিল্পকারখানা বিক্রি হতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয় ওইসময়ই জাতীয়করণ করার উপযোগী ছিলো কিন্তু এটাকে সঠিক পরিচর্যা না করে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে একটি মহল এ বিদ্যালয়কে পুঁজি করে ব্যবসা বানিজ্যালয়ে পরিনত করেছিলো। এখন বিদ্যালয়টিতে উন্নয়ন করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অতিত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগটিকে জাতীয় করন, বঙ্গবন্ধুর ম্যূারাল নির্মান, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, লাইব্রেরি, নতুন ভবন নির্মানসহ সকল প্রয়োজনিয় উন্নয়ন কাজ ক্রমান্নয়ে করে যাব।রবিবার সকালে সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারাধন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সহকারি শিক্ষক মাহবুব হোসেন এবং একরাম উদ্দীনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক রহমান তানভীর। প্রধান অতিথির উদ্দেশ্য মানপত্র পাঠ করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক তমাল পোদ্দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রহমান, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান,  পৌর সভার প্রতিষ্টাকালীল মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহিদ মজনু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু শাহাদাত মোহাম্মদ লাহিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপি বেগম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার  পুলিন চন্দ্র রায়, উপজেলা আওয়ামীলীগের  যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ, পৌর  সভার প্যানেল মেয়র তাপস চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির আলী বাদশাহ।এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ রশিদ আহমদ খসরু, ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ, আব্দুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদ মিয়া, সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি বাবুল রায়, আওয়ামীলীগ নেতা শমছু মিয়া, আব্দুল মতিন, ব্যবসায়ী রাসেল মাহমুদ, জসিম উদ্দিন,  মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্থতি কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান চৌধুরী সুমন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদমান মাহমুদ সানি, শিক্ষক কামাল হোসেন, মাওলানা বদরুল আলম, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ আছাব মিয়া, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছালেক মিয়া, অঞ্জন কুমার দাস, নাসিমা আক্তার, আহসান হাবিব, কাজল চন্দ্র দাস, নিপা রানী পাল,সুমিত্র নন্দি,বিলাল আহমদ, আশিষ চৌধুরী, ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তাজামুল হক রিপন, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম প্রমূখ। অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিদ্যালয়টি বর্নীল সাজে সজ্জিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক রহমান তানভীর