০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

ফুলগাজীর দেশ এগ্রো ফার্ম পরিদর্শন করে মুগ্ধ

প্রতিনিধির নাম
ফেনীর ফুলগাজীর সীমান্তবর্তী এলাকা কামাল্লা নামক এলাকায় দেশ এগ্রো ফার্ম করে স্থানীয়দের প্রোটিন চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছেন। দেশীয় প্রযুক্তিতে মেডিসিন ব্যবহার ছাড়া শতাধিক গরু লালন পালন করছেন উপজেলার আনন্দপুরের সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।
২০১১ সালে ৩ লাখ টাকা স্বল্প পরিসরে শুরু করেন ব্যক্তি উদ্যোগে। পরবর্তীতে ব্যাংক ও বন্ধুদের ঋণ ও আর্থিক সহযোগিতায় পরিসর বড় করেন। গরুকে খাওয়ানো হয় উৎপাদিত ঘাস, গোবর থেকে গ্যাস উৎপাদন করে নিজস্ব চাহিদা মেটাচ্ছেন। পরিবেশ রক্ষায় ব্যবহার করছেন আধুনিক সব প্রযুক্তি। পাশাপাশি পৈত্রিক বসতবাড়ির পাশে মৎস খামার ও সবজি উৎপাদনও করছেন নিজ উদ্যোগে। আর এতে প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
চমৎকার পরিকল্পিত খামার টি সোমবার সকালে পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু জাফর, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) পারভীন সুলতানা কান্তা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আহমেদ কবির মজুমদার জেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এফ এ এম কবির, ফুলগাজী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ আলম খান, সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম সাইফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।
উদ্যোক্তা সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ১০ বছর আগে কার্যক্রম শুরু করলেও প্রশিক্ষণ না থাকায় সফল হয়নি। যুব উন্নয়ন থেকে তিন মাস ব্যাপী গবাদি পশু পালন প্রশিক্ষন নিয়ে অনেক কিছু জেনে কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে সফলতার মুখ দেখছি।
ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম জানান, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক এমন কোন খাবার গবাদিপশুকে খাওয়ানো হচ্ছে না দেখে ভালো লাগলো। দেশ এগ্রোর মত খাবারগুলো স্থানীয় পর্যায়ে চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করবে এমন প্রত্যাশা আমাদের।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক আবু জাফর জানান, পরিকল্পিত এ খামারটি দেখে মুগ্ধ। দেশের তরুন-যুবকরা চাকরি পেছনে না ঘুরে, বিদেশ পাড়ি না দিয়ে দেশেও যুব প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু করা সম্ভব তা দেখিয়েছে সাইফ চৌধুরীর মত যুব উদ্যোক্তরা।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৬:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
১৭৪ বার পড়া হয়েছে

ফুলগাজীর দেশ এগ্রো ফার্ম পরিদর্শন করে মুগ্ধ

আপডেট : ০৬:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
ফেনীর ফুলগাজীর সীমান্তবর্তী এলাকা কামাল্লা নামক এলাকায় দেশ এগ্রো ফার্ম করে স্থানীয়দের প্রোটিন চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখছেন। দেশীয় প্রযুক্তিতে মেডিসিন ব্যবহার ছাড়া শতাধিক গরু লালন পালন করছেন উপজেলার আনন্দপুরের সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।
২০১১ সালে ৩ লাখ টাকা স্বল্প পরিসরে শুরু করেন ব্যক্তি উদ্যোগে। পরবর্তীতে ব্যাংক ও বন্ধুদের ঋণ ও আর্থিক সহযোগিতায় পরিসর বড় করেন। গরুকে খাওয়ানো হয় উৎপাদিত ঘাস, গোবর থেকে গ্যাস উৎপাদন করে নিজস্ব চাহিদা মেটাচ্ছেন। পরিবেশ রক্ষায় ব্যবহার করছেন আধুনিক সব প্রযুক্তি। পাশাপাশি পৈত্রিক বসতবাড়ির পাশে মৎস খামার ও সবজি উৎপাদনও করছেন নিজ উদ্যোগে। আর এতে প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
চমৎকার পরিকল্পিত খামার টি সোমবার সকালে পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু জাফর, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) পারভীন সুলতানা কান্তা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আহমেদ কবির মজুমদার জেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এফ এ এম কবির, ফুলগাজী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ আলম খান, সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম সাইফুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।
উদ্যোক্তা সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, ১০ বছর আগে কার্যক্রম শুরু করলেও প্রশিক্ষণ না থাকায় সফল হয়নি। যুব উন্নয়ন থেকে তিন মাস ব্যাপী গবাদি পশু পালন প্রশিক্ষন নিয়ে অনেক কিছু জেনে কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগিয়ে সফলতার মুখ দেখছি।
ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম জানান, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক এমন কোন খাবার গবাদিপশুকে খাওয়ানো হচ্ছে না দেখে ভালো লাগলো। দেশ এগ্রোর মত খাবারগুলো স্থানীয় পর্যায়ে চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করবে এমন প্রত্যাশা আমাদের।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক আবু জাফর জানান, পরিকল্পিত এ খামারটি দেখে মুগ্ধ। দেশের তরুন-যুবকরা চাকরি পেছনে না ঘুরে, বিদেশ পাড়ি না দিয়ে দেশেও যুব প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু করা সম্ভব তা দেখিয়েছে সাইফ চৌধুরীর মত যুব উদ্যোক্তরা।