১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

বোরহানউদ্দিনে বৃদ্ধার উপর আতর্কিত হামলার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নজির আহম্মেদ হাওলাদার বাড়ির মোঃ ছালেম হাজী (৭৮) বৃদ্ধার উপর আতর্কিত হামলার অভিযোগ, একই এলাকার প্রতিবেশী জেবল হক (৫৫) ও তার ছেলে আল-আমীন, (৩৬)রুহুল আমিন,( ৪২) রাশেদ(২৮) ও তার নাতি শাকিল (২২) এর হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে আহত মোঃ ছালেম হাজীর বলেন রবিবার (২৩ জানুয়ারী)সকাল ৯ টার দিকে আমার সাথে জেবল হকের কথার কাটাকাটি হয়, আমি মাগরিবের নামাজের পর পান বিক্রি করা টাকা আনতে সেন্টার বাজারে যাওয়ার পথে বাজারের কাছাকাছি জেবল হকের ছেলে আলামিনের চা দোকানের সামনে গেলে, জেবল হক আমাকে পিচ থেকে জরিয়ে দরে,  সাথে সাথেই তার ছেলে আলামিন, রুহুলআমিন  রাসেদ, শাকিল রড,এস এস পাইভ দিয়ে এলোপাতারি মারতে থাকে, আমি বেহুশ অবস্থায় একটা সোর্ণকারেন দোকানে দৌরে গিয়ে উঠে, জীবন রক্ষা করার জন্য, দোকানের ভিতরে গিয়ে আমাকে আবারও রড দিয়ে মারতে থাকে, এরপর তার ছেলে আলামিন চা দোকানে কাজ করা বডি  দিয়ে আমার মাথায় আগাত করে,  আমি এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে,কিন্তু তাদের আগাত করা বন্ধ হয়নি,আমি শুধু বাচাও বাচাও বলে চিৎকার দিতে থাকি কেউ এগিয়ে ধরতে আসলে তাকেও মারার হুমকি দিলে কেউই এগিয়ে আসেনি,আমার সাথে মসজিদের ৬২হাজার টাকাসহ দুইটা গরু বিক্রির টাকা ছিলো এবং ছোট একটা বাটম মোবাইল ছিলো তাও নিয়ে গেছেন।এবং আবারও আমার মাথায় এবং হাতে রড দিয়ে বাড়ি দেয় তারপর আমি আঙ্গান আবেস্তায় মাটিতে পড়ে থাকি, তারপর কি হয়েছে আমি যানি না কিছু টা হুস হলে দেখি আমি হাসপাতালে।
এ ব্যাপারে আহত মোঃ ছালেম হাজীর ছেলে মোঃ খোকন বলেন বাবার চিৎকার খবর শুনে আমার ছোট ভাই ইলিয়াস বাড়িতে চিৎকার করে বলে যে আমার বাবাকে বাঁচান, বলার পরে আমার চাচাতো ভাই সহ আরো লোক দৌরে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়, তারপর আমার বাবাকে সবাই উদ্দার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
তখন আমার বাবার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোলা সদর হসপিটালে রেফার করে দেন।
ভোলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাদেরকে জানান যে আপনার বাবার অপারেশন করা লাগবে, এটা আমাদের এখানে সম্ভব না, আপনারা খুব দ্রুত ওনাকে ঢাকা নিয়ে যান, তখন আমরা আমার বাবাকে ঢাকা ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাই  আমার বাবার দুই হাতই ভাংছে  এক একটা হাত দুই জায়গা দিয়ে ভাংছে মাথায় ও শরিরে আঘাতের কারণে  আমার বাবা একটু নাড়াচাড়া ও করতে পারছেনা, আমার বাবার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে গরু চুরি সহ এলাকায় এরকম আরো অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় মামলা হয়েছে। আমরা আমার বাবার উপর হামলাকারীর বিচার চাই।
এই ব্যাপারে হামলাকারী জেবল হকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে খুজে পাওয়া যায় নায়।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন ফকির এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে, তদন্ত করে দোষীদের আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২
১৮৯ বার পড়া হয়েছে

বোরহানউদ্দিনে বৃদ্ধার উপর আতর্কিত হামলার অভিযোগ

আপডেট : ০১:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের নজির আহম্মেদ হাওলাদার বাড়ির মোঃ ছালেম হাজী (৭৮) বৃদ্ধার উপর আতর্কিত হামলার অভিযোগ, একই এলাকার প্রতিবেশী জেবল হক (৫৫) ও তার ছেলে আল-আমীন, (৩৬)রুহুল আমিন,( ৪২) রাশেদ(২৮) ও তার নাতি শাকিল (২২) এর হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে আহত মোঃ ছালেম হাজীর বলেন রবিবার (২৩ জানুয়ারী)সকাল ৯ টার দিকে আমার সাথে জেবল হকের কথার কাটাকাটি হয়, আমি মাগরিবের নামাজের পর পান বিক্রি করা টাকা আনতে সেন্টার বাজারে যাওয়ার পথে বাজারের কাছাকাছি জেবল হকের ছেলে আলামিনের চা দোকানের সামনে গেলে, জেবল হক আমাকে পিচ থেকে জরিয়ে দরে,  সাথে সাথেই তার ছেলে আলামিন, রুহুলআমিন  রাসেদ, শাকিল রড,এস এস পাইভ দিয়ে এলোপাতারি মারতে থাকে, আমি বেহুশ অবস্থায় একটা সোর্ণকারেন দোকানে দৌরে গিয়ে উঠে, জীবন রক্ষা করার জন্য, দোকানের ভিতরে গিয়ে আমাকে আবারও রড দিয়ে মারতে থাকে, এরপর তার ছেলে আলামিন চা দোকানে কাজ করা বডি  দিয়ে আমার মাথায় আগাত করে,  আমি এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে,কিন্তু তাদের আগাত করা বন্ধ হয়নি,আমি শুধু বাচাও বাচাও বলে চিৎকার দিতে থাকি কেউ এগিয়ে ধরতে আসলে তাকেও মারার হুমকি দিলে কেউই এগিয়ে আসেনি,আমার সাথে মসজিদের ৬২হাজার টাকাসহ দুইটা গরু বিক্রির টাকা ছিলো এবং ছোট একটা বাটম মোবাইল ছিলো তাও নিয়ে গেছেন।এবং আবারও আমার মাথায় এবং হাতে রড দিয়ে বাড়ি দেয় তারপর আমি আঙ্গান আবেস্তায় মাটিতে পড়ে থাকি, তারপর কি হয়েছে আমি যানি না কিছু টা হুস হলে দেখি আমি হাসপাতালে।
এ ব্যাপারে আহত মোঃ ছালেম হাজীর ছেলে মোঃ খোকন বলেন বাবার চিৎকার খবর শুনে আমার ছোট ভাই ইলিয়াস বাড়িতে চিৎকার করে বলে যে আমার বাবাকে বাঁচান, বলার পরে আমার চাচাতো ভাই সহ আরো লোক দৌরে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়, তারপর আমার বাবাকে সবাই উদ্দার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
তখন আমার বাবার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোলা সদর হসপিটালে রেফার করে দেন।
ভোলা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাদেরকে জানান যে আপনার বাবার অপারেশন করা লাগবে, এটা আমাদের এখানে সম্ভব না, আপনারা খুব দ্রুত ওনাকে ঢাকা নিয়ে যান, তখন আমরা আমার বাবাকে ঢাকা ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাই  আমার বাবার দুই হাতই ভাংছে  এক একটা হাত দুই জায়গা দিয়ে ভাংছে মাথায় ও শরিরে আঘাতের কারণে  আমার বাবা একটু নাড়াচাড়া ও করতে পারছেনা, আমার বাবার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে গরু চুরি সহ এলাকায় এরকম আরো অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় মামলা হয়েছে। আমরা আমার বাবার উপর হামলাকারীর বিচার চাই।
এই ব্যাপারে হামলাকারী জেবল হকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে খুজে পাওয়া যায় নায়।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন ফকির এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে, তদন্ত করে দোষীদের আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।