০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

যুবককে অপহরণের পর পরিবারের কাছে ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবী

প্রতিনিধির নাম
ফেনীতে কাজে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার পাটলী গ্রামের এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আমরুজ আলীর ছেলে বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে। অপহৃত ওই যুবক বাকলজোড়া ইউনিয়নের পাটলী গ্রামের মো. শুক্কর আলীর ছেলে  মো. নোমান মিয়া (২১)।
গত বৃহস্পতিবার অপহরণের ঘটনা ঘটে কিন্তু আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ওই যুবকের কোনো খোঁজ পায়নি পরিবার। তবে এরই মধ্যে চক্রটি অপহৃত যুবকের পরিবার ও স্বজনদের কাছে মুঠোফোনে কল করে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। অপহরণের ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে দুর্গাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে অপহৃত যুবকের বাবা শুক্কর আলী।
অপহৃত যুবকের বাবা শুক্কর আলী বলেন,নোমান তার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি এলাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। সে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ওই দিন বিকালে প্রতিবেশী আমরুজ আলীর পুত্র বাদশা মিয়া (৩২) নোমানকে ফেনীতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে মুঠোফোনে তাকে আটক, শারীরিক নির্যাতন ও মুক্তিপণের বিষয়টি ছোট বোন নুরজাহানকে অবহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, সেইসঙ্গে ইমুর মাধ্যমে ওই যুবকের শেকলে বাঁধা ছবি, পলিথিনের ব্যাগে রাখা গাঁজা ও মারধরের একটি ভিডিও অপহৃতের বড় ভাই শামীমের মোবাইল ফোনে পাঠানো হয়।
যুবক অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্গাপুর থানার থানা তদন্ত ওসি মীর মাহাবুবুর রহমান বলেন, অপহৃত যুবকের ঘটনাস্থল ফেনী হলেও নিজ বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলার পাটলী গ্রামে। ফলে ওই অপহৃত যুবকের উদ্ধারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে । নেত্রকোনার দুর্গাপুর সার্কেল এর সিনিয়র পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমিন নেলী বলেন, ঘটনাস্থল অন্যত্র জায়গা হওয়ায় অনেকটা জটিলতা রয়েছে। মুক্তিপণদাতার মোবাইল ফোনের লোকেশন নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে সহযোগিতা করা হবে।
ট্যাগস :
আপডেট : ০৫:২২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
১৬৩ বার পড়া হয়েছে

যুবককে অপহরণের পর পরিবারের কাছে ভিডিও পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবী

আপডেট : ০৫:২২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ফেনীতে কাজে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার পাটলী গ্রামের এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আমরুজ আলীর ছেলে বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে। অপহৃত ওই যুবক বাকলজোড়া ইউনিয়নের পাটলী গ্রামের মো. শুক্কর আলীর ছেলে  মো. নোমান মিয়া (২১)।
গত বৃহস্পতিবার অপহরণের ঘটনা ঘটে কিন্তু আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ওই যুবকের কোনো খোঁজ পায়নি পরিবার। তবে এরই মধ্যে চক্রটি অপহৃত যুবকের পরিবার ও স্বজনদের কাছে মুঠোফোনে কল করে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছ অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। অপহরণের ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে দুর্গাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে অপহৃত যুবকের বাবা শুক্কর আলী।
অপহৃত যুবকের বাবা শুক্কর আলী বলেন,নোমান তার স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ি এলাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। সে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ওই দিন বিকালে প্রতিবেশী আমরুজ আলীর পুত্র বাদশা মিয়া (৩২) নোমানকে ফেনীতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে মুঠোফোনে তাকে আটক, শারীরিক নির্যাতন ও মুক্তিপণের বিষয়টি ছোট বোন নুরজাহানকে অবহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, সেইসঙ্গে ইমুর মাধ্যমে ওই যুবকের শেকলে বাঁধা ছবি, পলিথিনের ব্যাগে রাখা গাঁজা ও মারধরের একটি ভিডিও অপহৃতের বড় ভাই শামীমের মোবাইল ফোনে পাঠানো হয়।
যুবক অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্গাপুর থানার থানা তদন্ত ওসি মীর মাহাবুবুর রহমান বলেন, অপহৃত যুবকের ঘটনাস্থল ফেনী হলেও নিজ বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলার পাটলী গ্রামে। ফলে ওই অপহৃত যুবকের উদ্ধারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে । নেত্রকোনার দুর্গাপুর সার্কেল এর সিনিয়র পুলিশ সুপার মাহমুদা শারমিন নেলী বলেন, ঘটনাস্থল অন্যত্র জায়গা হওয়ায় অনেকটা জটিলতা রয়েছে। মুক্তিপণদাতার মোবাইল ফোনের লোকেশন নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে সহযোগিতা করা হবে।