১১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

রেল ও সড়ক পথ রক্ষায় আনসারের বিশেষ তৎপরতা

জাহাঙ্গীর আলম শাহীন

 

হরতালকে কেন্দ্র করে সারা দেশের রেল ও সড়ক পথে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে বিশেষভাবে তৎপর ছিল বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। রেল লাইন, রেল স্টেশন, বাস স্টেশন ও সড়ক পথ রক্ষায় দেশের ১ হাজার ৩৭১টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে ১২ হাজার ১৪৫ জন আনসার সদস্য মোতায়েন ছিল।

গত ২৯ অক্টোবর বিএনপির পক্ষ থেকে সারা দেশে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু দেশের সম্পদ ও জনগণের জানমাল রক্ষায় বিশেষ পরিকল্পনা মোতাবেক আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঠে নামানো হয়।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক ১ হাজার ২৪২ জন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা ৪ জনের টিমে বিভক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং রায়ট গিয়ারসহসহ ৬ ঘন্টা করে ২৪ ঘন্টা মোবাইল ডিউটি ও যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় QRT টিম হিসাবে দায়িত্ব পালন করে।

সারা দেশে ৬ হাজার ২৫১ জন অঙ্গীভূত আনসার ও ৪ হাজার ৬৫২ জন ভিডিপি সদস্য ০৫ জনের টিমে বিভক্ত হয়ে ৬ ঘন্টা করে ২৪ ঘণ্টা বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সংযোগ সড়ক, মহাসড়ক ও রেল লাইন রক্ষায় নিয়োজিত ছিল। রেল লাইনে যাতে কোনো নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রক্ষা করতে তারা দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া বাস স্টেশন, রেল স্টেশন ও লঞ্চ ঘাটে মোতায়েন থেকে সেখানে সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্ব পালন করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩-১৪ সালে অপারেশন রেলরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরিক্ষা বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার ৩২৮ জন সদস্য ৩৬টি জেলার ১ হাজার ৪১টি ঝুঁকিপূর্ন পয়েন্টে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে সকলের আস্থা অর্জন করে। ২০১৫ সালেও সরকারের নির্দেশে এ বাহিনীর ৮ হাজার ৮৯৬ জন সদস্য ৩৭টি জেলার ১ হাজার ১১২টি পয়েন্টে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের লক্ষ্যে ২০১৩ হতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সারাদেশের সড়ক ও মহাসড়কের ৯৯৩টি ঝুঁকিপূর্ন পয়েন্টে ১২ জন করে ১১ হাজার ৯১৬ জন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৭:২১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
১৮৮ বার পড়া হয়েছে

রেল ও সড়ক পথ রক্ষায় আনসারের বিশেষ তৎপরতা

আপডেট : ০৭:২১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

 

হরতালকে কেন্দ্র করে সারা দেশের রেল ও সড়ক পথে যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে বিশেষভাবে তৎপর ছিল বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। রেল লাইন, রেল স্টেশন, বাস স্টেশন ও সড়ক পথ রক্ষায় দেশের ১ হাজার ৩৭১টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে ১২ হাজার ১৪৫ জন আনসার সদস্য মোতায়েন ছিল।

গত ২৯ অক্টোবর বিএনপির পক্ষ থেকে সারা দেশে হরতালের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু দেশের সম্পদ ও জনগণের জানমাল রক্ষায় বিশেষ পরিকল্পনা মোতাবেক আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঠে নামানো হয়।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক ১ হাজার ২৪২ জন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা ৪ জনের টিমে বিভক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং রায়ট গিয়ারসহসহ ৬ ঘন্টা করে ২৪ ঘন্টা মোবাইল ডিউটি ও যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় QRT টিম হিসাবে দায়িত্ব পালন করে।

সারা দেশে ৬ হাজার ২৫১ জন অঙ্গীভূত আনসার ও ৪ হাজার ৬৫২ জন ভিডিপি সদস্য ০৫ জনের টিমে বিভক্ত হয়ে ৬ ঘন্টা করে ২৪ ঘণ্টা বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সংযোগ সড়ক, মহাসড়ক ও রেল লাইন রক্ষায় নিয়োজিত ছিল। রেল লাইনে যাতে কোনো নাশকতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রক্ষা করতে তারা দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া বাস স্টেশন, রেল স্টেশন ও লঞ্চ ঘাটে মোতায়েন থেকে সেখানে সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে দায়িত্ব পালন করে।

উল্লেখ্য, ২০১৩-১৪ সালে অপারেশন রেলরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরিক্ষা বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার ৩২৮ জন সদস্য ৩৬টি জেলার ১ হাজার ৪১টি ঝুঁকিপূর্ন পয়েন্টে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে সকলের আস্থা অর্জন করে। ২০১৫ সালেও সরকারের নির্দেশে এ বাহিনীর ৮ হাজার ৮৯৬ জন সদস্য ৩৭টি জেলার ১ হাজার ১১২টি পয়েন্টে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের লক্ষ্যে ২০১৩ হতে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সারাদেশের সড়ক ও মহাসড়কের ৯৯৩টি ঝুঁকিপূর্ন পয়েন্টে ১২ জন করে ১১ হাজার ৯১৬ জন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে।