০৭:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

সখিপুরে পরকিয়ার সন্দেহে গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর চরসেনসাস ইউনিয়নে রাজিয়া আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ মাহমুদ পিয়াল (২৮) বিরুদ্ধে। সে সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধা ৬ টার দিকে
চরসেনসাস ইউনিয়নের বালাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথেই মারা যান। নিহত রাজিয়া আক্তার একই এলাকার জাকির মোল্যার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।
পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে যানা যায়, চরসেনসাস ইউনিয়নের বালাকান্দি গ্রামের ফারুক বালা রাজিয়া আক্তার এর সাথে অবৈধভাবে সম্পর্ক এবং কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। প্রায় প্রায় রাজিয়ার বাসায় ফারুক বালা যাতায়াত করতো। এদিকে নিহত রাজিয়ার স্বামীর ঢাকা খলিফা দোকানের ব্যবসা করত। তাই সেই সুযোগে রাজিয়া কে বিভিন্নভাবে ভয় হুমকি দেখিয়ে তার সাথে অবৈধ সম্পর্ক করার চেষ্টা করত। বিষয়টি নিয়ে রাজিয়া প্রতিবাদ করলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিতো। এবং এই বিষয় নিয়ে ফারুক বলার পরিবারে জানাজানি হলে সংসারে নানা কলোহের সৃষ্টি হয়।
সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার সময় ফারুক বালা ও তার তার ছেলে সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পিয়াল বালা সহ তার স্ত্রী পারভীন ও তার দুই মেয়ে প্রভা, ইভা ওই গৃহবধুর বাড়ি এসে তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে একা পেয়ে গলাটিপে মারধর এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। একটা পর্যায় স্থানীয় লোকজন এসে বাধা দিতে চাইলে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তারা হুমকি প্রদর্শন করে। পরে রাজিয়া অজ্ঞান অচেতন হয়ে গেলে তাকে স্থানীয়রা ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথেই মৃত্যুবরণ করেন।
রাজিয়ার ভাই তাওহীদ বলেন, আমার বোনকে প্রাই উত্তক্ত করতো ফারুক বালা। এবং বাসায় এসে কু প্রস্তাব দিতো। এবং আমার বোন ১ ছেলে নিয়ে বাসায় একা থাকে তার স্বামী থাকে ঢাকায় সেই সুযোগে গতকাল তার ছেলে পিয়াল বালাসহ স্ব-পরিবারে এসে আমার বোনকে ঘরথেকে বের করে নিয়ে গলা টিপে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে আনার সাময় আমার বোন মারা যায়। আমি খুনিদের ফাসি চাই।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি আমরা কালকেই শুনেছি পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের খুঁজেছি তারা সবাই ততক্ষণে পালিয়ে গিয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে। মামলা হলে আমরা আইনানুসারে ব্যবস্থা নিবো।
ট্যাগস :
আপডেট : ১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
১৭২ বার পড়া হয়েছে

সখিপুরে পরকিয়ার সন্দেহে গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট : ১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর চরসেনসাস ইউনিয়নে রাজিয়া আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ মাহমুদ পিয়াল (২৮) বিরুদ্ধে। সে সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধা ৬ টার দিকে
চরসেনসাস ইউনিয়নের বালাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথেই মারা যান। নিহত রাজিয়া আক্তার একই এলাকার জাকির মোল্যার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।
পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে যানা যায়, চরসেনসাস ইউনিয়নের বালাকান্দি গ্রামের ফারুক বালা রাজিয়া আক্তার এর সাথে অবৈধভাবে সম্পর্ক এবং কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। প্রায় প্রায় রাজিয়ার বাসায় ফারুক বালা যাতায়াত করতো। এদিকে নিহত রাজিয়ার স্বামীর ঢাকা খলিফা দোকানের ব্যবসা করত। তাই সেই সুযোগে রাজিয়া কে বিভিন্নভাবে ভয় হুমকি দেখিয়ে তার সাথে অবৈধ সম্পর্ক করার চেষ্টা করত। বিষয়টি নিয়ে রাজিয়া প্রতিবাদ করলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিতো। এবং এই বিষয় নিয়ে ফারুক বলার পরিবারে জানাজানি হলে সংসারে নানা কলোহের সৃষ্টি হয়।
সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার সময় ফারুক বালা ও তার তার ছেলে সখিপুর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পিয়াল বালা সহ তার স্ত্রী পারভীন ও তার দুই মেয়ে প্রভা, ইভা ওই গৃহবধুর বাড়ি এসে তাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে একা পেয়ে গলাটিপে মারধর এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। একটা পর্যায় স্থানীয় লোকজন এসে বাধা দিতে চাইলে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তারা হুমকি প্রদর্শন করে। পরে রাজিয়া অজ্ঞান অচেতন হয়ে গেলে তাকে স্থানীয়রা ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পথেই মৃত্যুবরণ করেন।
রাজিয়ার ভাই তাওহীদ বলেন, আমার বোনকে প্রাই উত্তক্ত করতো ফারুক বালা। এবং বাসায় এসে কু প্রস্তাব দিতো। এবং আমার বোন ১ ছেলে নিয়ে বাসায় একা থাকে তার স্বামী থাকে ঢাকায় সেই সুযোগে গতকাল তার ছেলে পিয়াল বালাসহ স্ব-পরিবারে এসে আমার বোনকে ঘরথেকে বের করে নিয়ে গলা টিপে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরে ভেদরগঞ্জ হাসপাতালে আনার সাময় আমার বোন মারা যায়। আমি খুনিদের ফাসি চাই।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি আমরা কালকেই শুনেছি পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের খুঁজেছি তারা সবাই ততক্ষণে পালিয়ে গিয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে। মামলা হলে আমরা আইনানুসারে ব্যবস্থা নিবো।