০৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

সফল উদ্যোক্তা, স্বপ্ন ভাসি ও পরোপকারী মানুষ আবুল বাশার আকন

মোঃ বেল্লাল হাওলাদার

 

আমাদের দেশের লাখ লাখ মানুষ বেকারত্ব দূর ও সংসারে সুখ বয়ে আনতে প্রতিনিয়ত মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি দিচ্ছেন প্রবাসে। তাদের মধ্যে অনেকেই কর্মঠ পরিশ্রমী হয়ে নিজের ভাগ্যের চাকা বদল করে কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সফলতার উচ্চশিখরে পৌঁছানো একজন মানুষ কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার মধ্যবিত্ত পরিবারের গর্বিত সন্তান আবুল বশার আকন। তিনি দেশ থেকে শূণ্য হাতে মালয়েশিয়া গিয়ে পরিশ্রম ও সততার সাথে কাজ করে পৌঁছে গেছেন সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায়।

এই সফল রেমিট্যান্স যোদ্ধা, দেশের দক্ষিণ বাংলার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র, পটুয়াখালী সাগর কন্যাখ্যাত সমূদ্র সৈকত কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার মোয়াজ্জেম পুর গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৭১ খ্রিস্টদে স্বাধীনতার পাঁচ মাস পরে ৩ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পরেই দেখেছেন বাংলার বিজয়। তবে স্বাধীনের পর এদেশকে ঘুরে দাঁড়াতে বা সমৃদ্ধ লাভ করতে অনেক সময় লেগেছে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষের অভাব-অনটনের জীবন ছিল। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে পিছিয়ে রাখতো। বন্যা কবলিত এলাকায় বসবাসের কারণে তাঁর পরিবারও এর বাহিরে ছিল না। বাবা মৃত্যু মোঃ আব্দুল গনি আকন। পাঁচ ভাই চার বোনের মধ্যে আবুল বাশার আকন পঞ্চম। তিনি ছোট বেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি বেশ কর্মঠ ও বুদ্ধিমত্তা ছিলেন। বাবা ছিলেন কৃষক। জমিজমা চাষাবাদ করেই তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতো। সেই সময় অতো ভালো ও উচ্চবিলাসীর জীবন খুবই কম মানুষেরই ছিল। কৃষির উপরেই নির্ভরশীল ছিল গ্রাম্য অঞ্চলের মানুষ। এখন দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে শহরের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে তাইতো গ্রাম অঞ্চলের অনেকেই স্বাবলম্বী হতে প্রবাসে গিয়ে বৈধভাবে আয় করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের মধ্য আবুল বাশার আকন অন্যতম।

এই মালয়েশিয়ার প্রবাসীর সে-ই ছোটবেলা থেকেই জীবনের প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে সফলতা পেতে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরোতে হয়েছে। সফলতা পেয়ে শুধু ব্যক্তি জীবনকে নয়, নিজের অদম্য ইচ্ছা শক্তি, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা আর উদ্যমতার মধ্য দিয়ে জয় করেছেন প্রবাস ও দেশের মানুষের হৃদয়। প্রবাসে ব্যস্ত থেকেও এলাকার অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। কিভাবে নিজের দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য সম্মান আনা যায় এসব ভাবনা আর বৃহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন তিনি। এছাড়াও নিজের সামর্থ অনুযায়ী এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নির্মাণ করেছেন মসজিদ। তাঁর বাড়ির কাছাকাছি মসজিদ না থাকায় বাড়ির আশপাশের মুসল্লিদের দূরে নামাজ আদায় করতে কষ্ট হতো। শুধু জুমার নামাজ আদায় করতেই দূরের মসজিদে যেতো, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর জামাতের সাথে পড়া হতো না। তাই তিনি এলাকার মুসুল্লিদের ভোগান্তি ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাত থেকে বঞ্চিত থাকার কথা চিন্তা করে নিজ খরচে বাড়ি সামনে অনেক সুন্দর একটি মসজিদ নির্মাণ করে এলাকার মানুষদের মসজিদমুখী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন মানবিক ও আল্লাহভীরু এই মানুষটি। এছাড়াও অনেক সামাজিক ও মানবিক কাজ করে এলাকার মানুষের কাছে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন।

তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি-১৯৯৪ সালে মালয়েশিয়া একজন সাধারণ কর্মচারী হয়ে গিয়েছিলেন পরবর্তীতে নিজের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও আরো কয়েকটি যৌথ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছেন তাঁর। আজ তাঁর গড়া প্রতিষ্ঠানে আমাদের দেশের অনেক প্রবাসী কাজ করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করে যাচ্ছে। যদিও করোনাকালীন সময়ে সারা বিশ্বের ন্যায় মালয়েশিয়াতেও সবকিছু বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে পরবর্তী সময়ে সেই ক্ষতিটা পূরণ করতে লেগেছে অনেক সময়।

তিনি সফল একজন উদ্যোক্তা ও স্বপ্ন ভাসি এবং পরোপকারী মানুষ। নিজে স্বপ্ন দেখতে ও মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে ভালোবাসেন। তাইতো স্বপ্ন দেখেছিলেন কিভাবে মানুষকে স্বাবলম্বী করা যায়, একসময় সিদ্ধান্ত নেয় শুধু নিজের স্বপ্ন বুনলে চলবে না, নিজের ভাই ও আত্মীয়-স্বজন সহ এলাকার মানুষেরও স্বপ্ন আছে। যে স্বপ্ন বিদেশে গিয়ে কর্ম করে পরিবারের সুখ বয়ে আনা। তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে থেকে অনেক প্রবাসীদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা করে নতুন কর্মের ঠিকানা দিয়েছেন। তিনি তাঁর সততা এবং শ্রমের কারণে দেশ ও প্রবাসীদের কাছে বিশ্বাসী ও নির্ভরশীল পরম বন্ধু এখন।

প্রবাসে গিয়ে সম্পূর্ণ নিজের চেষ্ঠায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শতভাগ সততা নিয়ে সফলতার শীর্ষে অবস্থান করে দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য অবিরাম কাজ করে চলা এই মানুষটি মালয়েশিয়া গিয়ে শুধু নিজের কর্ম নিয়েই আটকে থাকেনি। নিজেকে জড়িয়েছেন রাজনীতিসহ নানাবিধ কর্মকান্ডের সাথে, উদ্দেশ্য দেশের জন্য ভালো কিছু করে বিদেশের মাটিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তাইতো যোগ্যতা ও মেধায় দিনে দিনে হয়ে উঠেছেন মালয়েশিয়া জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি মনে করেন, টাকা- পয়সা থাকলেই শুধু মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসা যায়না। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হলে অবশ্যই সৎ ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী হতে হয় সেক্ষেত্রে ইচ্ছে শক্তি ও সৎ সাহস থাকা প্রয়োজন।

অত্যন্ত ভদ্র সদালাপী এবং বন্ধুবৎসল আবুল বাশার আকন-এর জীবন আরো আলোকিত হোক, সুন্দর ও সুস্থতার কাটুক প্রতিটি সময়। প্রতিটি দেশপ্রেমী বাংলাদেশী প্রবাসী ভাই-বোনদের কাছে অনুরোধ আপনারাও এগিয়ে আসুন তাঁর মতো শতভাগ সততা নিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণের স্বার্থে। একজন আবুল বাশার হতে পারে সকল দেশ ও প্রবাসীর অনুপ্রেরণার প্রতীক।

লেখক: মোঃ বেল্লাল হাওলাদার
কবি ও সাংবাদিক

ট্যাগস :
আপডেট : ০৩:২৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩
২৭৬ বার পড়া হয়েছে

সফল উদ্যোক্তা, স্বপ্ন ভাসি ও পরোপকারী মানুষ আবুল বাশার আকন

আপডেট : ০৩:২৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

 

আমাদের দেশের লাখ লাখ মানুষ বেকারত্ব দূর ও সংসারে সুখ বয়ে আনতে প্রতিনিয়ত মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি দিচ্ছেন প্রবাসে। তাদের মধ্যে অনেকেই কর্মঠ পরিশ্রমী হয়ে নিজের ভাগ্যের চাকা বদল করে কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম সফলতার উচ্চশিখরে পৌঁছানো একজন মানুষ কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার মধ্যবিত্ত পরিবারের গর্বিত সন্তান আবুল বশার আকন। তিনি দেশ থেকে শূণ্য হাতে মালয়েশিয়া গিয়ে পরিশ্রম ও সততার সাথে কাজ করে পৌঁছে গেছেন সাফল্যের সর্বোচ্চ চূড়ায়।

এই সফল রেমিট্যান্স যোদ্ধা, দেশের দক্ষিণ বাংলার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র, পটুয়াখালী সাগর কন্যাখ্যাত সমূদ্র সৈকত কুয়াকাটা বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার মোয়াজ্জেম পুর গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৭১ খ্রিস্টদে স্বাধীনতার পাঁচ মাস পরে ৩ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পরেই দেখেছেন বাংলার বিজয়। তবে স্বাধীনের পর এদেশকে ঘুরে দাঁড়াতে বা সমৃদ্ধ লাভ করতে অনেক সময় লেগেছে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষের অভাব-অনটনের জীবন ছিল। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে পিছিয়ে রাখতো। বন্যা কবলিত এলাকায় বসবাসের কারণে তাঁর পরিবারও এর বাহিরে ছিল না। বাবা মৃত্যু মোঃ আব্দুল গনি আকন। পাঁচ ভাই চার বোনের মধ্যে আবুল বাশার আকন পঞ্চম। তিনি ছোট বেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি বেশ কর্মঠ ও বুদ্ধিমত্তা ছিলেন। বাবা ছিলেন কৃষক। জমিজমা চাষাবাদ করেই তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতো। সেই সময় অতো ভালো ও উচ্চবিলাসীর জীবন খুবই কম মানুষেরই ছিল। কৃষির উপরেই নির্ভরশীল ছিল গ্রাম্য অঞ্চলের মানুষ। এখন দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়েছে শহরের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে তাইতো গ্রাম অঞ্চলের অনেকেই স্বাবলম্বী হতে প্রবাসে গিয়ে বৈধভাবে আয় করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের মধ্য আবুল বাশার আকন অন্যতম।

এই মালয়েশিয়ার প্রবাসীর সে-ই ছোটবেলা থেকেই জীবনের প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে সফলতা পেতে অনেক চড়াই-উৎরাই পেরোতে হয়েছে। সফলতা পেয়ে শুধু ব্যক্তি জীবনকে নয়, নিজের অদম্য ইচ্ছা শক্তি, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা আর উদ্যমতার মধ্য দিয়ে জয় করেছেন প্রবাস ও দেশের মানুষের হৃদয়। প্রবাসে ব্যস্ত থেকেও এলাকার অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। কিভাবে নিজের দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য সম্মান আনা যায় এসব ভাবনা আর বৃহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন তিনি। এছাড়াও নিজের সামর্থ অনুযায়ী এলাকার অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। নির্মাণ করেছেন মসজিদ। তাঁর বাড়ির কাছাকাছি মসজিদ না থাকায় বাড়ির আশপাশের মুসল্লিদের দূরে নামাজ আদায় করতে কষ্ট হতো। শুধু জুমার নামাজ আদায় করতেই দূরের মসজিদে যেতো, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর জামাতের সাথে পড়া হতো না। তাই তিনি এলাকার মুসুল্লিদের ভোগান্তি ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাত থেকে বঞ্চিত থাকার কথা চিন্তা করে নিজ খরচে বাড়ি সামনে অনেক সুন্দর একটি মসজিদ নির্মাণ করে এলাকার মানুষদের মসজিদমুখী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন মানবিক ও আল্লাহভীরু এই মানুষটি। এছাড়াও অনেক সামাজিক ও মানবিক কাজ করে এলাকার মানুষের কাছে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন।

তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি-১৯৯৪ সালে মালয়েশিয়া একজন সাধারণ কর্মচারী হয়ে গিয়েছিলেন পরবর্তীতে নিজের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও আরো কয়েকটি যৌথ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছেন তাঁর। আজ তাঁর গড়া প্রতিষ্ঠানে আমাদের দেশের অনেক প্রবাসী কাজ করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করে যাচ্ছে। যদিও করোনাকালীন সময়ে সারা বিশ্বের ন্যায় মালয়েশিয়াতেও সবকিছু বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে পরবর্তী সময়ে সেই ক্ষতিটা পূরণ করতে লেগেছে অনেক সময়।

তিনি সফল একজন উদ্যোক্তা ও স্বপ্ন ভাসি এবং পরোপকারী মানুষ। নিজে স্বপ্ন দেখতে ও মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে ভালোবাসেন। তাইতো স্বপ্ন দেখেছিলেন কিভাবে মানুষকে স্বাবলম্বী করা যায়, একসময় সিদ্ধান্ত নেয় শুধু নিজের স্বপ্ন বুনলে চলবে না, নিজের ভাই ও আত্মীয়-স্বজন সহ এলাকার মানুষেরও স্বপ্ন আছে। যে স্বপ্ন বিদেশে গিয়ে কর্ম করে পরিবারের সুখ বয়ে আনা। তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে থেকে অনেক প্রবাসীদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা করে নতুন কর্মের ঠিকানা দিয়েছেন। তিনি তাঁর সততা এবং শ্রমের কারণে দেশ ও প্রবাসীদের কাছে বিশ্বাসী ও নির্ভরশীল পরম বন্ধু এখন।

প্রবাসে গিয়ে সম্পূর্ণ নিজের চেষ্ঠায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শতভাগ সততা নিয়ে সফলতার শীর্ষে অবস্থান করে দেশ এবং দেশের মানুষের জন্য অবিরাম কাজ করে চলা এই মানুষটি মালয়েশিয়া গিয়ে শুধু নিজের কর্ম নিয়েই আটকে থাকেনি। নিজেকে জড়িয়েছেন রাজনীতিসহ নানাবিধ কর্মকান্ডের সাথে, উদ্দেশ্য দেশের জন্য ভালো কিছু করে বিদেশের মাটিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তাইতো যোগ্যতা ও মেধায় দিনে দিনে হয়ে উঠেছেন মালয়েশিয়া জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি মনে করেন, টাকা- পয়সা থাকলেই শুধু মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসা যায়না। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হলে অবশ্যই সৎ ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী হতে হয় সেক্ষেত্রে ইচ্ছে শক্তি ও সৎ সাহস থাকা প্রয়োজন।

অত্যন্ত ভদ্র সদালাপী এবং বন্ধুবৎসল আবুল বাশার আকন-এর জীবন আরো আলোকিত হোক, সুন্দর ও সুস্থতার কাটুক প্রতিটি সময়। প্রতিটি দেশপ্রেমী বাংলাদেশী প্রবাসী ভাই-বোনদের কাছে অনুরোধ আপনারাও এগিয়ে আসুন তাঁর মতো শতভাগ সততা নিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণের স্বার্থে। একজন আবুল বাশার হতে পারে সকল দেশ ও প্রবাসীর অনুপ্রেরণার প্রতীক।

লেখক: মোঃ বেল্লাল হাওলাদার
কবি ও সাংবাদিক