০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

সাড়ে ৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড দুর্গাপুর বাসীর কাছে তুলে ধরলেন – ঝুমা তালুকদার

 হৃদয় হাসান চৌধুরী, দুর্গাপুর(নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ঝুমা তালুকদার সাড়ে ৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড দুর্গাপুর বাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। শনিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ৫৪ মাসে সম্মানি বাবদ পেয়েছেন ২২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা । এ সম্মানির সব টাকাই তিনি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেছেন। এছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ২৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৭০ টাকা জনকল্যানে ব্যয় করেছেন। সরকারী বরাদ্দ ৫ কোটি ১০ লক্ষ ৭ হাজার ৩২০ টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন দুর্গাপুর বাসীর জন্য। তিনি তার সম্মানী ও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুর্গাপুর উপজেলার কভিড ১৯ এর সময় শুকনো খাবার, পিপি, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও জনগনের মাঝে নগদ অর্থ অনুদান সহ সর্বমোট ২১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন, বিভিন্ন মসজিদ মাদরাসা ও সভায় অনুদান দিয়েছেন ১২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা, বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিয়েছেন ৭ লক্ষ টাকার অনুদান,বিভিন্ন উৎসবে অসহায়দের মাঝে ৫ লক্ষ টাকার উপহার সামগ্রী দিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ, বিভিন্ন ক্লাবে এলইডি টিভি,খেলার সামগ্রী , বন্যার্তদের সহায়তা, প্রতিবন্ধীদের হহুল চেয়ার, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন প্রদান সহ আরো বিভিন্ন কাজে অনুদান দিয়েছেন। সরকারী বরাদ্দ থেকে পৌর শহরের মাছ বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, উপজেলার ১২টি রাস্তা ইট দ্বারা এইচবিবি করন, উপজেলার ১৮ টি মসজিদ মাদ্রাসা সংস্কার ও মেরামত, উপজেলা প্রবেশ গেট নির্মাণ, বিভিন্ন মন্দির ও গীর্জা সংস্কার, বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৬টি রাস্তা মেরামত/সংস্কার, ব্রীজ নির্মাণ, বিরিশিরি থেকে ঝানজাইল রাস্তায় সোলার স্টিক লাইট প্রদান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ক্লাসরুম সম্প্রসারন, ব্রেঞ্চ ও আলমারী সরবরাহ, বিভিন্ন কবরস্থানের মাটি ভরাট, অহায়দের স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন, ৩ হাজার পরিবারকে ভিজিএফ চাল প্রদান, ৫৫০ টি পরিবারকে টিসিবি কার্ড প্রদান, ২৪৫ টি পরিবারকে নলকূপ ও রিং টিউবওয়েল প্রদান, অসহায় পরিবারদের মাঝে ৭০টি সেলাই মেশিন বিতরণ, ২১২টি পরিবারকে সোলার প্যানেল প্রদান, শীতে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ, বন্যার্ত ১৫০০ পরিবারকে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ, আদিবাসী ২৫ জন ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ ও ২০ জনকে শিক্ষাবৃওি প্রদান, ৬৭৯টি পরিবারকে ভিজিএফ নগদ টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, ৬৫টি পরিবারকে ভিজিডি কার্ড প্রদান, ১২০ টি পরিবারকে সরকারী মূল্যে ১২০ মে. ধান প্রদান, ৩৫ জন ভূমিহীনদের আবাসন ব্যবস্থা , ১০ জন আদিবাসীদের নিজের জমিতে ঘরের ব্যবস্থা সহ মোট ৯২ টি উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। ঝুমা তালুকদার বলেন, ২০১৯ সালে উপজেলার জনগনের বিপুল ভোটে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। এরপর থেকে আমি উপজেলা বাসীর উন্নয়নে যতুটুকু সম্ভব কাজ করেছি। আমি ৫৪ মাসের উন্নয়ন মূলক বিভিন্ন কর্মকান্ড আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। আমার বাবা এ আসন থেকে বারবার আওয়াামী লীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমি চাই আমার বাবার রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ গুলো সম্পন্ন করতে।দুর্গাপুর-কলমাকান্দার অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দিলে আমি ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবো। আমি সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৬:২১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩
৯১ বার পড়া হয়েছে

সাড়ে ৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড দুর্গাপুর বাসীর কাছে তুলে ধরলেন – ঝুমা তালুকদার

আপডেট : ০৬:২১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ঝুমা তালুকদার সাড়ে ৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড দুর্গাপুর বাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। শনিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ৫৪ মাসে সম্মানি বাবদ পেয়েছেন ২২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা । এ সম্মানির সব টাকাই তিনি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করেছেন। এছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ২৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৭০ টাকা জনকল্যানে ব্যয় করেছেন। সরকারী বরাদ্দ ৫ কোটি ১০ লক্ষ ৭ হাজার ৩২০ টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন দুর্গাপুর বাসীর জন্য। তিনি তার সম্মানী ও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুর্গাপুর উপজেলার কভিড ১৯ এর সময় শুকনো খাবার, পিপি, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও জনগনের মাঝে নগদ অর্থ অনুদান সহ সর্বমোট ২১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন, বিভিন্ন মসজিদ মাদরাসা ও সভায় অনুদান দিয়েছেন ১২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা, বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিয়েছেন ৭ লক্ষ টাকার অনুদান,বিভিন্ন উৎসবে অসহায়দের মাঝে ৫ লক্ষ টাকার উপহার সামগ্রী দিয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ, বিভিন্ন ক্লাবে এলইডি টিভি,খেলার সামগ্রী , বন্যার্তদের সহায়তা, প্রতিবন্ধীদের হহুল চেয়ার, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন প্রদান সহ আরো বিভিন্ন কাজে অনুদান দিয়েছেন। সরকারী বরাদ্দ থেকে পৌর শহরের মাছ বাজারে কিচেন মার্কেট নির্মাণ, উপজেলার ১২টি রাস্তা ইট দ্বারা এইচবিবি করন, উপজেলার ১৮ টি মসজিদ মাদ্রাসা সংস্কার ও মেরামত, উপজেলা প্রবেশ গেট নির্মাণ, বিভিন্ন মন্দির ও গীর্জা সংস্কার, বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৬টি রাস্তা মেরামত/সংস্কার, ব্রীজ নির্মাণ, বিরিশিরি থেকে ঝানজাইল রাস্তায় সোলার স্টিক লাইট প্রদান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ক্লাসরুম সম্প্রসারন, ব্রেঞ্চ ও আলমারী সরবরাহ, বিভিন্ন কবরস্থানের মাটি ভরাট, অহায়দের স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন, ৩ হাজার পরিবারকে ভিজিএফ চাল প্রদান, ৫৫০ টি পরিবারকে টিসিবি কার্ড প্রদান, ২৪৫ টি পরিবারকে নলকূপ ও রিং টিউবওয়েল প্রদান, অসহায় পরিবারদের মাঝে ৭০টি সেলাই মেশিন বিতরণ, ২১২টি পরিবারকে সোলার প্যানেল প্রদান, শীতে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ, বন্যার্ত ১৫০০ পরিবারকে চাল ও শুকনা খাবার বিতরণ, আদিবাসী ২৫ জন ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ ও ২০ জনকে শিক্ষাবৃওি প্রদান, ৬৭৯টি পরিবারকে ভিজিএফ নগদ টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, ৬৫টি পরিবারকে ভিজিডি কার্ড প্রদান, ১২০ টি পরিবারকে সরকারী মূল্যে ১২০ মে. ধান প্রদান, ৩৫ জন ভূমিহীনদের আবাসন ব্যবস্থা , ১০ জন আদিবাসীদের নিজের জমিতে ঘরের ব্যবস্থা সহ মোট ৯২ টি উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। ঝুমা তালুকদার বলেন, ২০১৯ সালে উপজেলার জনগনের বিপুল ভোটে আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। এরপর থেকে আমি উপজেলা বাসীর উন্নয়নে যতুটুকু সম্ভব কাজ করেছি। আমি ৫৪ মাসের উন্নয়ন মূলক বিভিন্ন কর্মকান্ড আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। আমার বাবা এ আসন থেকে বারবার আওয়াামী লীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমি চাই আমার বাবার রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজ গুলো সম্পন্ন করতে।দুর্গাপুর-কলমাকান্দার অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দিলে আমি ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবো। আমি সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।