০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞপ্তি

সেন্ট্রাল রোডের বাসায় গৃহকর্ত্রী কর্তৃক শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামী গ্রেফতার

রির্পোটার মোঃ ইসমাইল হোসেন

কলাবাগান থানাধীন ৭৭ সেন্ট্রাল রোডের বাসায় গৃহকর্ত্রী কর্তৃক শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার সংক্রান্তে মিডিয়া ব্রিফিং ৩ সেপ্টেম্বর,২০২৩ খ্রি. রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার ব্রিফিং করেন মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম উপ-পুলিশ কমিশনার (রমনা বিভাগ), ডিএমপি তিনি বলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের কলাবাগান থানাধীন সেন্ট্রাল রোডের এলাকা বাসা নং-৭৭ শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলায় মূল আসামীকে গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যশোর থেকে গ্রেফতার করেছে রমনা বিভাগে কলাবাগান থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি (৪০)।

উল্লেখ্য যে,গত ২৪ আগস্ট ২০২৩ কলাবাগান থানাধীন ৭৭, সেন্ট্রাল রোডের একটি বাসায় গৃহকর্ত্রী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি তার গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে শারীরিক নিযার্তন করে হত্যা করে বাসার ভিতরে বিছানার উপরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে কলাবাগান থানার মামলা রুজু করা হয়। মৃত: কাজের মেয়ের নাম হেনা (১০), বাবা-মৃতঃ হক মিয়া, মাতা-মৃত: হাছিনা বেগম, সাং- মুক্তাগাছা নন্দীবাড়ী, থানা-মুক্তগাছা, ময়মনসিংহ। তার আত্মীয়স্বজনের আর্থিক অস্বচ্ছলতা থাকায় কলাবাগান থানা পুলিশের সহায়তায় লাশ দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।
উক্ত ঘটনায় পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে কলাবাগান থানা পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিট ও তৎপর ছিলো। কলাবাগান থানা পুলিশের একাধিক টিম রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন পিপিএম সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে আসামীকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধৃত করার জন্য সচেষ্ট থাকেন। কিন্তু গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছে কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস না থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে তার অবস্থান সম্পর্কে কোন রূপভাবে নিশ্চিত হওয়া যায় নাই।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৫০ টিরও বেশী সিসি টিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষন করে তার চলাফেরা গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়। সিসি টিভি পর্যবেক্ষনে আসামীকে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে কখনও রিক্সায় কখনও পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে দেখা যায়। এছাড়াও পথচারীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও কথা বলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নির্ভরযোগ্য সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় আসামী যশোর জেলার কোতয়ালী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। এইরূপ তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং তৎসংক্রান্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কলাবাগান থানার একটি টিম ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে যশোর কোতয়ালী থানায় যায় এবং থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি তাকে বাসায় আনার পর থেকেই কারণে-অকারণে প্রতিনিয়ত তাকে বিভিন্ন প্রকার শারীরিক নির্যাতন করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটা, পোড়া ও রক্তাক্ত জখম করত। গত ২৪ আগস্ট ২০২৩ আসামী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি ভিকটিম হেনার গলায় এবং মুখে পা দিয়ে চেপে রেখে শিশুটিকে নির্যাতন করে যার প্রেক্ষিতে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে বলে জানায়। ভিকটিমকে তার আত্মীয় স্বজনদের সাথে কখনো দেখা কিবাং মোবাইল ফোনে কথা বলতে দিত না বলে ও জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপডেট : ০৭:২০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
৬৫ বার পড়া হয়েছে

সেন্ট্রাল রোডের বাসায় গৃহকর্ত্রী কর্তৃক শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামী গ্রেফতার

আপডেট : ০৭:২০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কলাবাগান থানাধীন ৭৭ সেন্ট্রাল রোডের বাসায় গৃহকর্ত্রী কর্তৃক শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার সংক্রান্তে মিডিয়া ব্রিফিং ৩ সেপ্টেম্বর,২০২৩ খ্রি. রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার ব্রিফিং করেন মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম উপ-পুলিশ কমিশনার (রমনা বিভাগ), ডিএমপি তিনি বলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের কলাবাগান থানাধীন সেন্ট্রাল রোডের এলাকা বাসা নং-৭৭ শিশু গৃহকর্মী হত্যা মামলায় মূল আসামীকে গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে যশোর থেকে গ্রেফতার করেছে রমনা বিভাগে কলাবাগান থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি (৪০)।

উল্লেখ্য যে,গত ২৪ আগস্ট ২০২৩ কলাবাগান থানাধীন ৭৭, সেন্ট্রাল রোডের একটি বাসায় গৃহকর্ত্রী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি তার গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে শারীরিক নিযার্তন করে হত্যা করে বাসার ভিতরে বিছানার উপরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে কলাবাগান থানার মামলা রুজু করা হয়। মৃত: কাজের মেয়ের নাম হেনা (১০), বাবা-মৃতঃ হক মিয়া, মাতা-মৃত: হাছিনা বেগম, সাং- মুক্তাগাছা নন্দীবাড়ী, থানা-মুক্তগাছা, ময়মনসিংহ। তার আত্মীয়স্বজনের আর্থিক অস্বচ্ছলতা থাকায় কলাবাগান থানা পুলিশের সহায়তায় লাশ দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।
উক্ত ঘটনায় পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে কলাবাগান থানা পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিট ও তৎপর ছিলো। কলাবাগান থানা পুলিশের একাধিক টিম রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন পিপিএম সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে আসামীকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধৃত করার জন্য সচেষ্ট থাকেন। কিন্তু গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছে কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস না থাকায় তাৎক্ষনিকভাবে তার অবস্থান সম্পর্কে কোন রূপভাবে নিশ্চিত হওয়া যায় নাই।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২৫০ টিরও বেশী সিসি টিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষন করে তার চলাফেরা গতিবিধি লক্ষ্য করা হয়। সিসি টিভি পর্যবেক্ষনে আসামীকে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে কখনও রিক্সায় কখনও পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে দেখা যায়। এছাড়াও পথচারীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও কথা বলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ নির্ভরযোগ্য সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় আসামী যশোর জেলার কোতয়ালী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। এইরূপ তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং তৎসংক্রান্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কলাবাগান থানার একটি টিম ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে যশোর কোতয়ালী থানায় যায় এবং থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি তাকে বাসায় আনার পর থেকেই কারণে-অকারণে প্রতিনিয়ত তাকে বিভিন্ন প্রকার শারীরিক নির্যাতন করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটা, পোড়া ও রক্তাক্ত জখম করত। গত ২৪ আগস্ট ২০২৩ আসামী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি ভিকটিম হেনার গলায় এবং মুখে পা দিয়ে চেপে রেখে শিশুটিকে নির্যাতন করে যার প্রেক্ষিতে শিশুটি মৃত্যুবরণ করে বলে জানায়। ভিকটিমকে তার আত্মীয় স্বজনদের সাথে কখনো দেখা কিবাং মোবাইল ফোনে কথা বলতে দিত না বলে ও জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।