সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৫২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১১৮, ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন বহু মানুষ আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের রিয়ালের হার, শীর্ষস্থানের পয়েন্ট বাড়াল বার্সেলোনা ইবিতে ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  আইডিয়াল কমার্স কলেজ ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের  শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক  কর্মশালা আদালতের আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বাংলা মায়ের টানে মুক্তিযুদ্ধে  অংশ নিয়েছিল এদেশের বীর সন্তানরা                                                      বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সাত্তার হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্মৃতিময় সন্ধ্যায়  সফেনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও আমরা ক’জন

ধর্ষণের শিকার সেই শিশুকে মাদরাসায় ফিরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশ

রাজশাহী নগরীতে ধর্ষণের শিকার শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি)। রোববার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ২১ মার্চ প্রতিবেশী এক কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরদিন এই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই শিশুর মা-বাবা তাকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করান। কিন্তু কিছুদিন পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের শিকারের বিষয়টি জানার পর শিশুটির ভর্তি বাতিল করে মাদরাসা থেকে বের করে দেয়।
ধর্ষণের শিকার শিশুটির পরিবারের সামাজিকভাবে হেনস্তা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল শিশুটির ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে আসামাত্র তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই মাদরাসায় গিয়ে শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি কেউ যদি এর আগেই তাঁদের নজরে নিয়ে আসতেন, তাহলে পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশের আগেই স্থানীয়ভাবে তাঁরা ব্যবস্থা নিতে পারতেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী। নিজের কোনো ভিটেমাটি নেই। তিনি অটোরিকশা চালান। স্বামী ও তিন সন্তানের সংসারের অভাব দূর করতে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়া হিসেবে চাকরি করেন শিশুর মা।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved