বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত নাটোরে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার মনোহরদীতে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর

ধর্ষণের শিকার সেই শিশুকে মাদরাসায় ফিরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশ

রাজশাহী নগরীতে ধর্ষণের শিকার শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি)। রোববার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ২১ মার্চ প্রতিবেশী এক কিশোর শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরদিন এই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই শিশুর মা-বাবা তাকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ভর্তি করান। কিন্তু কিছুদিন পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধর্ষণের শিকারের বিষয়টি জানার পর শিশুটির ভর্তি বাতিল করে মাদরাসা থেকে বের করে দেয়।
ধর্ষণের শিকার শিশুটির পরিবারের সামাজিকভাবে হেনস্তা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর রাজশাহী জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল শিশুটির ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে আসামাত্র তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই মাদরাসায় গিয়ে শিশুর ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, বিষয়টি কেউ যদি এর আগেই তাঁদের নজরে নিয়ে আসতেন, তাহলে পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশের আগেই স্থানীয়ভাবে তাঁরা ব্যবস্থা নিতে পারতেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী। নিজের কোনো ভিটেমাটি নেই। তিনি অটোরিকশা চালান। স্বামী ও তিন সন্তানের সংসারের অভাব দূর করতে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়া হিসেবে চাকরি করেন শিশুর মা।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved