রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

মেধা শূন্য  হতে যাচ্ছে  শিক্ষার্থী এর দায়ী অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান প্রধান

সুশিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড আর, এই শিক্ষা নিয়ে চলছে ভেলকি বাজি। প্রায় মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেখা যায় ‘তাদের চাকরি বাঁচার খাতিরে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য। পরীক্ষার হল ম্যানেজ করে শিক্ষার্থীদের কে পাস করার ব্যবস্থা করেন। বর্তমান পরীক্ষার হলের শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের নকলের ব্যাপারে নজর না দিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে ম্যাজিস্ট্রেট পাহারা দিতে ব্যস্ত থাকেন।
এ ব্যাপারে সুদৃষ্টি রাখবেন কারা যারা আজকে এদেশের শিক্ষা গুরু, তারাই যদি এরকম হয় ! কিভাবে সম্ভব একাত্তরের চেতনাকে বাস্তবায়ন করা। শিক্ষকরা একটি শুধু অজুহাত পেশ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত, করোনাই ধ্বংস করলো শিক্ষা ব্যবস্থা। মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায় না, আগের মত শিক্ষার্থী নামে মাত্র ছাত্র-ছাত্রী থাকলেও হাজিরা খাতায় প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে না তাদের উপস্থিতি। এ ব্যাপারে কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না প্রতিষ্ঠানের প্রধান। আবার ওই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপ করাচ্ছেন। আর তাদের আশ্বাস দেন খাতায় লিখলে নাম্বার পাবে, এ সুযোগ  পেয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে মোবাইলে খেলা খেলতে ব্যস্ত সময় পার করছে।
অপরদিকে মেধা শূন্য হয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী  এর পাশাপাশি ভোকেশনাল শাখা গুলোতে ক্লাস তো দূরের কথা শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে চেনেন না। আর শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যপুস্তক এর নাম সঠিকভাবে বলতে পারেন না, সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য ব্যস্ত সবাই, কিন্তু  এতে বাড়লো শিক্ষিতর হার শিক্ষার নয়, এভাবেই জাতি হতে থাকবে  মেধাশূন্য। কিছু দাখিল মাদ্রাসা গুলোতেই একই অবস্থা, মাঝে মধ্যে দেখা যায় হাফিজা মাদ্রাসাগুলো থেকে ধার করা ছাত্র টেনে নিয়ে এসে পরীক্ষা দেওয়াছেন তারা। মাদ্রাসা প্রধানরা নিজেই নিচ্ছেন পাশ করার দায়িত্ব। এমনও কন্টাক করেন ছাত্র ছাত্রীদের সাথে পরীক্ষার হলে বসে লিখতে পারলেই যথেষ্ট বাকি কাজ আমাদের, বিশেষ সাবজেক্টগুলোতে  বেশি চলে ওই নকল নামের ভেলকি বাজি।
ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি দেখা মাত্রই অফিস সহকারীর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয় ম্যাজিস্ট্রেট আসছেন। শিক্ষকরা এটুকু সময় সাধু সেজে ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখান। কিন্তু বাস্তবে করছেন তার বিপরীত। শিক্ষার্থীদের  বলেন এখন ম্যাজিস্ট্রেট গিয়েছে আর কোন সমস্যা নেই। এভাবেই চলছে শিক্ষা ব্যবস্থা, চেনা যাচ্ছে না, মেধাবীদের। এ কারণেই অনেক সার্টিফিকেটধারী চলে যাচ্ছে বেকারদের তালিকায়। সার্টিফিকেট থাকলেও বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় টিকছেন না তারা। অনেকের মতে এর সব কিছু দায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কারণ সঠিকভাবে পাঠ্যপুস্তক এর জ্ঞানের বিকাশ ছড়িয়ে দেয়া হয় না,শিক্ষার্থীদের মাঝে।
বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথমত শিক্ষা দেওয়া হয় কিন্তু এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান দিচ্ছেন না কোনরকম বিশেষ নজর  সঠিক নার্সিং না দিলে শিক্ষার্থীর পুরো জীবনটাই থেকে যাচ্ছে ত্রুটি। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ভালো থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা শোচনীয। প্রত্যন্ত চর অঞ্চলে যেগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সরকারি নীতিমালা মানছেন না তারা প্রক্সি টিচার দিয়ে চালাচ্ছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় তোয়াক্কা করছেন না উদ্বোধন কর্মকর্তাদের কেও।  উপরমহলকে এ বিষয় কঠোর নজর দাড়ি করতে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের জোর দাবি। এর পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আগের মত ফিরিয়ে নিতে আশাবাদী অভিভাবকদের কিছু সংখ্যক লোক ভাবছেন আগেকার এসএসসি পাস আর বর্তমান ডিগ্রী পাস সমমান বলে মনে করেন এই আকাশ পাতাল ব্যবধান কে কিভাবে মেনে নেবে বিবেকবান জাতি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved