রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

রায়পুরে হাসপাতালে  নবজাতক রেখে প্রে মা উধাও!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে  হাসপাতালে নবজাতক  সন্তান জন্ম দিয়ে সন্তান রেখেই উধাও ইমু নামে এক নারী।
বুধবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রায়পুর জনসেবা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে অভিযোগ  করেছেন তার স্বামীর।
পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তি হলেন- চরপাতা গ্রামের আবদুর রশিদ মাস্টার বাড়ির মৃত শামসুল হকের মেয়ে ইমু।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রোমান, শিশুর বাবা, নানি ও দাদি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইতোমধ্যে এ ঘটনার বিচার চেয়ে ও স্ত্রীর খোঁজে বুধবার রাত ১০টায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা সুমন।
নবজাতক শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছে।মুখে খাবার স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে নবজাতকের।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. সুমন বলেন, প্রায় দুই বছর আগে ইমুকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। দেড় বছর ধরে ঢাকা শহরে বাস চালাচ্ছি। তবে বিয়ের পর থেকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রায়ই ইমু আমার সঙ্গে ঝগড়া করত। এ সময় আমার স্ত্রী বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক করে। একাধিকবার পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বৈঠক করেও তাকে সঠিক পথে আনতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, ইমু থানায়ও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে নানাভাবে হয়রানি করে। তবে সন্তানের কথা চিন্তা করে ঢাকায় নিয়ে একসঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করি। কয়েক দিন আগে তাকে নিয়ে বাড়িতে আসি। গত সোমবার সকালে তার স্ত্রী ইমু প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় নবজাতককে রেখে ফেনীর মো. হাসান নামে একজনের সঙ্গে চলে গেছে।
এ বিষয়ে ইমু মোবাইল ফোনে বলেন, সুমন আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শাশুড়ি আমাকে শারীরিক নির্যাতন করেছে। এ কারণে বাচ্চা হাসপাতালে রেখে অজ্ঞাতনামা স্থানে চলে এসেছি। এদের ওপর প্রতিশোধ নিতেই এ কাজ করেছি। সুমনের সঙ্গে আমার এক বছর আগেই সম্পর্ক শেষ।
ইমুর মা জাহানারা বেগম বলেন, আমার মেয়ে খুবই খারাপ। তাকে শাসন করতে পারিনি। তার বাবা মারা যাওয়ার পর দাদি ও ফুফুর কাছে থাকত।
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ওসি শিপন বড়ুয়া বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে নবজাতক শিশুটি তার নানি, দাদি, ফুফু ও বাবার কাছে হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved