রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

এমপি বাবেলের পৃষ্ঠপোষকতায় এশিয়ান হাইওয়েতে ফুটে উঠেছে ট্রাফিক আর্ট

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে চিত্রশিল্পের মাধ্যমে নান্দনিকতার ছোয়া তৃণমূলে পৌঁছে দিতে সড়ক চিত্র কর্মের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপমহাদেশের খ্যাতিমান চিত্র শিল্পী রুহুল আমিন কাজল। আর এই শিল্পকর্মের এই পৃষ্ঠপোষকতা করছেন সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল। রঙ্গিন রঙ্গে রাঙ্গানো হচ্ছে সড়ক ।
জানা যায়, রাস্তায় ছবি এঁকে বিশ্ব জয় করেন উপজেলার শিল্পী এ আর কাজল । তিনি ইউরোপের নানান দেশে ছবি এঁকে হয়েছেন খ্যাতিমান। ১৯৯৪ সালে সুইডেনে কার্নিভালে ট্রাফিক আর্ট ( সড়কচিত্র)করে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে  নাম লিখিয়েছেন । তাঁর ‘কলোনি’ সিরিজের কাজগুলো সমাদৃত হয়েছে।‘ডেমোক্রেজি, কিলিজিয়ন, ইভিলাইজেশন’ শিরোনাম ব্যবহার করে নতুন শব্দ তৈরি করেছেন। ‘ট্রাফিক আর্ট’ যার বাংলায় অর্থ হলো ‘চলার পথে কলার কথা’।নিজ জন্মভূমিতে শিল্প, নান্দনিকতা,সুন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তিনি ‘ট্রাফিক আর্টে’ উদ্যোগী হন।স্থানীয় সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের কাছে উপস্থাপন করেন নানান চিত্র কর্মের। খ্যাতিমান শিল্পীর পরিকল্পনা শুনে পৃষ্টপোষকতা করতে সম্মতি দেন সাংসদ।অক্টোবরের মাঝামাঝিতে শুরো করে কাজ।ছবি আঁকার ক্যানভাস হিসেবে বেছে নেন গফরগাঁও টু কিশোরগঞ্জ হাইওয়ে সড়কের দুই পাশের ¯স্লিপিং ব্লক। উপজেলার সালটিয়া ইউনিয়নের ধামাইল লেভেল ক্রসিং পার হতেই চোখে পরে চিত্র শিল্পির তুলির ছোয়াতে ফুটিয়ে তুলা হচ্ছে নানন চিত্র কর্ম।রঙ্গিন রঙ্গে রাঙ্গানোর কাজ চলছে। কাজটি সম্পন্ন হলে শিল্পের মধ্যে হারিয়ে যাবে যে কেউ এমনটি প্রত্যাশা উদ্যোক্তাদের।আর এ কাজলের সহযোগী হিসেবে আছেন আরেক শিল্পী জ,ই সুমন।
আর এ কাজল বলেন,তৃণমূলে নান্দনিকতাকে পৌছে দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছি। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলার সামনের দেয়াল, এরপর মানিক মিয়া এভিনিউ এর কাজ করে আমি বাংলাদেশে সড়ক চিত্র কাজের শুরো করেছিলাম।আমার নিজ জন্মভ‚মিতে কিছু করতে হবে।আমি শিল্পীমন সৌন্দর্য কে তৃনমূলের কাছে নিয়ে যেতে চাই। গফরগাঁওয়ে আমার জন্মভ‚মির মাটিতে তাই সড়ক চিত্র শুরো করেছি ।শিশুদের শিল্পীমন বিকাশে বিদ্যালয়েও রঙ্গিন রঙ্গে সাজানো হবে। আমাদের সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব।প্রথম দিনের সাক্ষাতেই তিনি আমার থিমটি গ্রহণ করে কাজ শুরো করার জন্য বলেন।
সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল বলেন,আমার সংসদীয় এলাকায় প্রবেশ পথে শিল্পকর্ম দেখে মানুষের মনে যাতে ইতিবাচক ধারনা তৈরি হয় এই থিমটি আমাকে চিত্রশিল্পী আর এ কাজল জানালে আমি তাঁদের সার্বিক সহযোগীতার বিশ্বাস দিয়েছি। বাংলাদেশে আরও কোন জায়গায় এই রকম কাজ হয়েছে বলে আমার জানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved