রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

ঘূর্ণিঝড়’ সিত্রাং ‘মোকাবিলায় উখিয়া উপজেলার ৪৫ টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে 

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবিলায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে এবং ৫৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খুলা হয়েছে জরুরি কন্ট্রোল রুম। ইতিমধ্যে উপকূলীয় মাছ ধরার ট্রলার গুলো নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

রবিবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলা হল রুমে এক জরুরি সভায় এসব কথা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সজীব৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন,স্হানীয় চেয়ারম্যান, এনজিও সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস, পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম সহ প্রমুখ৷
এদিকে জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি এখন ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে রূপ নিয়েছে। ফলে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেতের পরিবর্তে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি আজকে প্রতিবেদন লিখার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ৬ নং সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।উপজেলা সূত্রে জানা গেছে, কার্যালয় থেকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপজেলার ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোতে প্রায় এক লাখ মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুও রাখা যাবে
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাংলাদেশের দিকে মুখ করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। ঘণ্টায় ১৬ থেকে ২০ কিলোমিটার গতিতে এটি বরিশাল ও চট্টগ্রামের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আবদুল হামিদ জানান, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গভীর নিম্নচাপটি কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ এখন ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, “ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতিমধ্যে উপজেলায় মোট ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। সর্বশেষ উপজেলা প্রশাসন থেকে যে তথ্য হাতে পেয়েছি ৪৫ টি আশ্রয়কেন্দ্র ১২,২৫০ টি পরিবার ৪২৮০ পশু আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা যাবে। সরজমিনে উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানী সমুদ্র সৈকত ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্হানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া শুরু করেছে । সিপিপি ৫৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত এবং উপজেলায় জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে ।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved