রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

জবি ক্যাফেটিরিয়ায় খাবারের দাম বাড়ায় ফাও খাদকরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের অভিযোগ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যফিটিরিয়ার তুলনায় জবিতে খাবারে উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে হয়। অপরদিকে ক্যাফেটিরিয়ায় কর্তৃপক্ষ বলছে এ ব্যবসায় তারা তেমন মুনাফা অর্জন করতে পারছেন না। তাদের দাবি নিয়মিত কিছু সংখ্যক ভোক্তা খাবারের মূল্য পরিশোধ করেন না। এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিসহ সাংবাদিকদের একটি অনুসন্ধানী টিম তিনদিন পর্যবেক্ষণ করে।  দেখা যায়, রোজ প্রায় ৪০ এর বেশি শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিল পরিশোধ না করেই খাবার গ্রহণ ও ক্যাফেটেরিয়া ত্যাগ করতে।
ক্যান্টিন এর খাবারের মান উন্নয়নের প্রথম অন্তরায় ফাও খাওয়া। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ক্যান্টিন কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান উন্নয়নের পথে। ছাত্রকল্যাণ এর পরামর্শক্রমে শিক্ষার্থীদের সুবিধা ও মান সম্মত খাবার দেওয়ার লক্ষ্যে চেষ্টার ঘাটতি না থাকলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেশ কিছু শিক্ষার্থী কর্মচারীর ফাও খাওয়া। রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, ভুয়া রেফারেন্স ও পরে দিচ্ছি অজুহাতে রোজ প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে ক্যাফেটেরিয়ায় সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার খেতে দেখা যায়। কিছু শিক্ষার্থী ক্যান্টিনের বাহিরে অবস্থানরত বড় ভাইয়ের ভুয়া রেফারেন্সে খেতে দেখা গেছে, তবে ফোনে কথা বলানোর জন্য ক্যান্টিন স্টাফরা বললে হুমকির সুরে জোড়ে কথা বলতে ও জোড় পূর্বক খাবার চেয়ে নিতেও দেখা যায়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একমাত্র ক্যান্টিনে রোজ ৮০০-৯০০ শিক্ষার্থীর খাবারের আয়োজন করা হয়। পর্যাপ্ত লোকবল আর সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীদের চাহিদানুরুপ খাবারের যোগান দিতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় ক্যাফেটিরিয়া কর্তৃপক্ষের। এর মাঝে সমস্যা আর ক্ষতির নতুন মাত্রা যোগ করেছে ফাও খাওয়া।
এ বিষয়ে জানতে চাইলেও ক্যাফেটিরিয়ার পরিচালক মাসুদ কিছু বলতে রাজি হননি। নাম প্রকাশে যথেষ্ট অনিচ্ছুক তিনি।
ছাত্রকল্যাণ এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, “আমি ছাত্রকল্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ক্যাফেটিরিয়ার খাবারের বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক। খাবারের মান উন্নয়নের জন্য যা যা প্রয়োজন সে সকল ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। আরো যা যা করার সে সব পদক্ষেপও সামনে নেওয়া হবে। তবে যারা ফাও খায় তাদের বিষয়ে পুরো তথ্য আমার কাছেও প্রকাশ কীতে চায় না ক্যান্টিনের ছেলেরা। দরিদ্র বা অসহায় হলে হয়তো দিনে ১০/১২ হতে পারে যাদের সামর্থ্য নাই বলে ফাও খায়। এতে কিছুটা ভর্তুকিতে পোষায় যায়। তবে সে সংখ্যাটা বর্তমানে দেখায় যাচ্ছে তাতে ক্যান্টিনের যারা কাজ করে তাদের খরচ উঠানোই তো কষ্ট হয়ে যাবে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নৈতিক উন্নয়ন খুবই জরুরি।”

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved