রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে- মির্জা ফখরুল

তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। জাতীয় নির্বাচন তো পরে। আগে এই সরকারকে বিদায় করতে চাই। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়। পরিষ্কার কথা-এই সরকারকে চলে যেতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে। সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে এবং নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না এসব দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ দেশের মানুষ বসে থাকবে না। তারা লড়াই করবে, সংগ্রাম করবে, আন্দোলন করবে।

শুক্রবার বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে ‘সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি’তে এ সভা হয়। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান ও সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিলনের যৌথ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মহানগর বিএনপির ইশরাক হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর, কেন্দ্রীয় নেতা মুরাদ হোসেন, মোকসেদ আলী মঙ্গলীয়া, আবদুল হালিম, শরীফ হোসেন, খালেদা আখতার, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধ প্রজšে§র রায়হান আল মাহমুদ, ইব্রাহিম হোসেন প্রমুখ।

সরকার দেশের অর্থনীতিকে ‘ঝাঁঝরা’ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, আজকে এই সরকার খুব কঠিন অবস্থায় পড়েছে। আগে বড় বড় কথা বলত-রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলার আছে। তো সেই রিজার্ভ এখন গেল কোথায়? গোটা বাংলাদেশের অর্থনীতি সরকার গিলে খেয়ে ফেলেছে। আওয়ামী লীগকে যদি সরানো না যায় তাহলে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে জনগণ এই সরকারকে বিদায় করবে। তরুণ-যুবক সবাইকে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটাতে ‘গণআন্দোলনে’ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

পায়রায় গভীর সমুদ্র নির্মাণে বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল থেকে অর্থ জোগানোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, যেসব পণ্য আমদানি করা হয় তার পেমেন্ট করা হয় এই রিজার্ভের তহবিল থেকে। আমরা যে ঋণ নেই সেই ঋণগুলো পরিশোধ হয় রিজার্ভের টাকা থেকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বললেন, পায়রা বন্দরে খরচ হয়েছে। আমরা জানতে চাই, কিভাবে রিজার্ভ থেকে এই টাকা খরচ হলো, কারা করল? কাদের দিয়ে করালেন, রিজার্ভের টাকা কিভাবে গেল?

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved