সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১১৮, ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন বহু মানুষ আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের রিয়ালের হার, শীর্ষস্থানের পয়েন্ট বাড়াল বার্সেলোনা ইবিতে ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  আইডিয়াল কমার্স কলেজ ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের  শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক  কর্মশালা আদালতের আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বাংলা মায়ের টানে মুক্তিযুদ্ধে  অংশ নিয়েছিল এদেশের বীর সন্তানরা                                                      বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সাত্তার হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্মৃতিময় সন্ধ্যায়  সফেনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও আমরা ক’জন

খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেল চট্টগ্রাম

মেহেদি হাসান মিরাজ ও সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে আসে ৬২ রানের লড়াকু ইনিংস

বিপিএলে মুশফিকুর রহিমের খুলনা টাইগার্সকে ২৫ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

এর আগে আসরের প্রথম ম্যাচে সাকিব আল হাসানের ফরচুন বরিশালের কাছে হেরে বিপিএল মিশন শুরু করে চট্টগ্রাম। তবে পরের ম্যাচেই মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের মিনিস্টার ঢাকাকে ৩০ রানের ব্যবধানে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারুণ্যনির্ভর দল চট্টগ্রাম।

সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬৫ রানেই গুটিয়ে যায় খুলনা।

 

১৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি খুলনার ওপেনাররা। প্রথম দুই ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম ৯ রান ও রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। এরপর দলের হাল ধরেন মেহেদী হাসান ও আন্দ্রে ফ্লেচার। তবে মাথায় আঘাত পেয়ে ব্যক্তিগত ১৬ রানের মাথায় মাঠ ছেড়ে বিদায় নিতে হয় ফ্লেচারকে।

এরপর ব্যাটিংয়ে নামা মুশফিককে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেনি মেহেদী। ৩০ রান করে বিদায় নেন এই অলরাউন্ডার।

মেহেদীর বিদায়ের পর মুশফিকও উইকেট হারান ১১ রান করে। ফ্লেচারের কনকাশন-সাব বদলি হিসেবে নেমে ১২ বলে ২২ রানের ঝড়ো ইনিংস বিদায় নেন সিকান্দার রাজা। শেষদিকে দলের হয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান ইয়াসির আলী। ২৬ বলে ৪০ রান করে তার বিদায়ের পর স্বপ্ন ভাঙ্গে খুলনার। ১৬৫ রানে থামে মুশফিকুর রহিমের দল।

চট্টগ্রামের হয়ে মিরাজ, রেজা ও শরিফুল দুইটি করে উইকেট এবং একটি করে উইকেট নাসুম ও হাওয়েল।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা করে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। ৯ বলে ২৯ রানের জুটি গড়ার পর ব্রেকথ্রু আনেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৭ রান করে জ্যাকসের বিদায়ের পর ১৪ বলে ২৫ রান করে বিদায় নেন আরেক ওপেনার লুইস। ব্যাট করতে নামা আফিফ হোসাইন রান আউট হয়ে ১৫ রান করে সাঝঘরে ফেরেন।

চতুর্থ উইকেটে ব্যাট করতে নামা অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ সাব্বির রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন। ঝড়ো ইনিংস খেলার পথে নাভিন উল হকের শিকার হয়ে ৩০ রান করে বিদায় নেন মিরাজ। দুই ওভার পরেই থিতু হয়ে থাকা সাব্বির বিদায় নেন ৩২ রানের ইনিংস খেলে।

ম্যাচের শেষদিকে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন বেনি হাওয়েল ও নাঈম ইসলাম। হাওয়েল ২০ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। নাঈম দুই ছক্কায় ৫ বলে ১৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে শেষ বলে বিদায় নেন। ৭ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯০ রান।

বিডি-প্রতি/বিএস


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved