সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
আইডিয়াল কমার্স কলেজ ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের  শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক  কর্মশালা আদালতের আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বাংলা মায়ের টানে মুক্তিযুদ্ধে  অংশ নিয়েছিল এদেশের বীর সন্তানরা                                                      বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সাত্তার হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক স্মৃতিময় সন্ধ্যায়  সফেনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও আমরা ক’জন বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান নির্বাচন (2023-2025) ক্যাপ্টেন শামছুল হক-বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তেজার রহমান প্যানেল-এ ভোট দিন। আব্দুল হালিম পাটওয়ারী ফাউন্ডেশন কর্তৃক ৫ম ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মেধা বৃত্তি প্রদান-২০২২ নওগাঁয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর অভিযানে ৬কেজি গাঁজাসহ আটক-১ নওগাঁয় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত-মা ও ছোট বোন আহত

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীন ঐতিহ্য কুঁড়ের ঘর

একটা সময় গ্রামীণ জনপদে দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কুঁড়ে ঘর ছিল মাথা গোঁজার একমাত্র ঠিকানা।  ৯০ দশকেও  গ্রামাঞ্চলে অসংখ্য কুঁড়ে ঘর ছিল। বিশেষ করে প্রতিটি কৃষক পরিবার কুঁড়ে ঘরে বসবাস করতেন।  কুঁড়ে ঘর নিয়ে নানান রকম ছড়া ও ছোট গল্প লিখেছেন বিখ্যাত লেখকরা। কিন্তু সাম্প্রতিককালে কুঁড়ে ঘর তেমন চোখে পড়ে না। ১০ গ্রাম ঘুরেও দেখা মেলে না একটি কুঁড়ে ঘর। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রামের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সাধিত হওয়ায় এবং দীর্ঘস্থায়ী আবাসন গড়ার কারনে  এখন আর তেমন দেখা মেলে না কুঁড়ে ঘর। ক্রমেই মানুষের রুচি পরিবর্তন হওয়ায় এবং মাথাপিছু আয় বেড়ে যাওয়ায় নিম্মবিত্ত পরিবার এখন আর খড় কুটো দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন না। বর্তমানে গ্রামের অনেকেই টিন দিয়ে ঘর তৈরি করেন। আবার কেউ সেমিপাকা বাড়ি নির্মাণ করছেন।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দী‌ঘিড়পাড় ইউনিয়নের শ‌রিশাবন  গ্রামের  মুল্ল‌োক চানঁ  বেপাড়ী  বলেন,
 আমি ৩০ বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। আমার গ্রামের প্রতিটি ঘর ছিল খড়কুটো দিয়ে তৈরি। কিন্তু বর্তমানে এখানকার প্রতিটি ঘর টিনের তৈরি। তিনি বলেন, মানুষের আয় বেড়েছে এবং রুচির পরিবর্তন হয়েছে। তাই এখন আর কেউ কুঁড়ে ঘর তৈরি করেন না।
 ওই ইউনিয়নের কৃষক ফজল হক  মৃধা বলেন, আমি এক সময় কুঁড়ের ঘরে বসবাস করতাম। কিন্তু এখন আমার আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমি টিনশেড ঘর তৈরি করেছি। তিনি বলেন, আমা‌দের  ইউনিয়নের  এই গ্রা‌মে
প্রায় আড়াই হাজার পরিবার রয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই গরীব। বর্তমানে এখানে কুঁড়ের ঘর নেই বলা যায়। যারা গরীব তারাও টিন দিয়ে তৈরি  ঘরে বসবাস করেন।
 টঙ্গীবাড়ী  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা   বলেন, মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। আগের চেয়ে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। নিম্ম ও মধ্য বিত্ত শ্রেণীর মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে। তাই  এখন গ্রামাঞ্চলে কুঁড়ের ঘর দেখা যায় না।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved