মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির উদ্যোগে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে এমসিডা আলোয়- আলো কিশোর কিশোরী বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০২৩ খ্রিঃ তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১১৮, ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন বহু মানুষ আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের রিয়ালের হার, শীর্ষস্থানের পয়েন্ট বাড়াল বার্সেলোনা ইবিতে ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  আইডিয়াল কমার্স কলেজ ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের  শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক  কর্মশালা আদালতের আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বাংলা মায়ের টানে মুক্তিযুদ্ধে  অংশ নিয়েছিল এদেশের বীর সন্তানরা                                                     

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে রহিম খানের অবৈধ ড্রেজারে হুমকির মুখে দাসকান্দি গ্রাম

মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় প্রকাশ্য দিবালকে রহিম খানের নেতৃত্বে অবৈধভাবে যমুনা নদীর বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে একটি বালুখেকো চক্র।

অবৈধভাবে বিআইডব্লিউটিএর জায়গা দখল করে ড্রেজিংকৃত বালু ভরাট করে চড়া দামে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি। এতে হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ নদী সংলগ্ন বসতিভিটা বাড়ি।
সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেলে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাসকান্দি গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রায় একশ গজ দূরে নদী থেকে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে তোলা হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট বালু। আর এই বালু দাসকান্দি বিআডব্লিউটিএর প্রয় তিন একর জায়গা দখল করে তৈরী করছে বালুর স্তুপ । এই বালু বহনে ব্যাবহার করা হচ্ছে হাইড্রলিক টাক ও ড্রাম ট্রাক। যা রাস্তায় চলাচলে অবৈধ।

নাম না বলা শর্তে একাধিক স্থানীয়রা ফরশোর পিলার দেখিয়ে বলেন, বালুর স্তুপ করা যে জায়গাটি সে জায়গাটির মালিক বিআইডব্লিউটিএ। তারা আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য নদীর বালু বিক্রি করছে বালু খেকো চক্রটি। চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় ও রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাঁটিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। নদী গর্ভে বসতভিটা, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সরকারি বিদ্যালয় হুমকিতে পরলেও টুঁ শব্দ করার সাহস পাচ্ছেনা ভুক্তভোগীরা। বালুর স্তুপের পাশেই তাদের নদী খননের মস্ত বড় ড্রেজার রয়েছে। রাতদিন সমানভাবে ড্রেজার চলায় আমরা রাতে ঘুমাতে পারিনা। ড্রেজার চলার সময় বিকট শব্দ হয়। ইতিমধ্যেই আমাদের অনেক জমি নদীতে ভেঙে গেছে। এভাবে ড্রেজার চলতে থাকলে আমাদের মাথা গোজার ঠাঁই থাকবেনা। সব হারিয়ে পরিবার নিয়ে পথে নামতে হবে।

বালু ব্যাবসার সাথে জড়িত কিবরিয়া বলেন, “এই কাজের সাথে এই উপজেলার সকল বড় বড় মানুষ জড়িত। তিনি আরো বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম খান এর নেতৃত্বে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাল উদ্দিন পরিচালনা করে। আপনাদের যদি কোন কথা থাকে তাহলে আমি তার সাথে বসিয়ে দিতে পারি’”।

শিবালয় সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলাল উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, এই মাটি ব্যাবসার সাথে আমি জড়িত নাই। আমার ইউনিয়নের উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য বালু লাগলে তাদের কাছে থেকে কিনে নেই। তাই আপনাদের সাথে সামনাসামনি কথা বলতে চেয়েছিলাম।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামীলীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম খানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই। যদি এমনটা হয়ে থাকে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved