বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
ছাতকের পরিস্থিতি ভয়াবহ,সারা‌দে‌শে সঙ্গে সড়ক যোগা‌যোগ বন্ধ পিরোজপুরে বাস চাপায় কলেজ ছাত্র নিহত ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত

ইসি গঠনে আইন অনুমোদন: এ পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাই

নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে আইন প্রণয়নসহ চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সোমবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের শেষ দিনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা। সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের আলোকে একটি আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে।

নতুন ইসি গঠনে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি আইন করা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আমরাও মনে করি, যত দ্রুত সম্ভব এ আইন প্রণীত হওয়া উচিত। আশার কথা, এ আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। সোমবার ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকারের এ পদক্ষেপকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

বস্তুত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়া প্রায় সব রাজনৈতিক দলই ইসি গঠনে সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে। শুধু সংলাপে অংশ নেওয়া দলই নয়, বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলেরই দাবি এটি। বিশেষজ্ঞরাও সংবিধানের আলোকে এমন একটি আইনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।

এবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও রাষ্ট্রপতিকে একই প্রস্তাব দিয়েছে এবং আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, এটি স্বস্তিদায়ক। উল্লেখ্য, সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।’

আমরা জানি, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে একটি নিরপেক্ষ ইসির বিকল্প নেই। নির্বাচন কমিশন যদি শক্তিশালী হয় এবং ভোটগ্রহণ সংক্রান্ত যাবতীয় ক্ষমতা তার হাতে থাকে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে বাধ্য। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায়, নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারল কী পারল না, সে ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কোনো মাথাব্যথা থাকে না; কোনোক্রমে একটি নির্বাচনের আয়োজন করতে পারাকেই ইসি তার সাফল্য হিসাবে বিবেচনা করে।

নির্বাচন কমিশনের এমন ভূমিকা কাম্য নয়। তাই আমরা চাই, এমন একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হোক, যা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। আর এজন্যই ইসি গঠনে একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। এর সমাধানের পথ যেহেতু সংবিধানেই দেওয়া আছে, সেহেতু সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নতুন ইসি গঠনের প্রক্রিয়া পরিহার করে শেষ পর্যন্ত আমাদের সংবিধানের পথেই যাওয়া উচিত।

মনে রাখা প্রয়োজন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ক্ষেত্রে ইসির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। আর তাই একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ইসি গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোসহ নির্বাচনের সব অংশীজনকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved