সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:০২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় -২ উপনির্বাচনের এমপি প্রার্থী দুইদিন ধরে নিখোঁজ  নওগাঁয় অটো-চার্জার চাপায় এক শিশুর মৃত্যু কালাইয়ে নানা আয়োজন বিশ্ব কুষ্ঠ  দিবস পালিত তুমব্রু সীমান্তের বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গাদের ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম শুরু বর্তমান সরকার শিক্ষাকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজেশন করেছে-শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে নোয়াখালী জেলা পুলিশের আয়োজনে সোনাইমুড়ী থানা প্রাঙ্গণে অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিলুপ্ত প্রজাতির প্রাণি মেছো বাঘ উদ্ধার মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও বন্ধ হয়নি মাটি বিক্রি   নিউজ প্রকাশ করায় ভোলায় ফের ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি ড. মো. সাদী-উজ-জামান দেশের হাউজিং সেক্টরে উদ্ভাবনী চিন্তা ও অনন্য এক শুদ্ধতার কন্ঠস্বর

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে শীতের পিঠা বিক্রীর ধুম পড়েছে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে শীতের পিঠা বিক্রীর ধুম পড়েছে। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ পিঠা বিক্রী। উপজেলার তাড়াশ বাজারের কলেজগেট, বাসষ্ট্যান্ড, বাজারের মধ্যে, শহীদ মিনার চত্বর, পশ্চিমবাধসহ বিভিন্ন বাজারে চলছে রমরমা পিঠা বিক্রীর ধুম।

সরেজমিনে তাড়াশ পৌর শহরের বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় দেখা যায়, পিঠা তৈরি করছেন দোকানী আর দলবেধে শিশু, কিশোরসহ সকল শ্রেনীর মানুষ শীতের পিঠা খেতে ভিড় করছেন। ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, সবজি পিঠাসহ হরেক রকমের বাহারি পিঠা পাওয়া যায় এসব দোকানে।

তাড়াশ উপজেলা হাইস্কুল শিক্ষিকা মোছঃ শিপ্লি পিরভীন বলেন, সন্ধ্যার পর শীতের আমেজে দাড়িয়ে পিঠা খেতে দারুন ভাল লাগে। কারণ গ্রাম বাঙ্গলার ঐতিহ্যবাহি পিঠা গুলো খেতে দারুন মজাদার। চাকুরীর জন্য গ্রামে আর তেমন যাওয়া হয় না। তাই লোভনীয় এসব পিঠা দেখলেই সেই ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে যায়।

স্থানীয় শরীফ আহমেদ বলেন, আগেকার দিনের মত আর সেই বাহারী পিঠার স্বাদ পাই না। আগের দিনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কত মজা করে বাড়িতে পিঠা তৈরি করে খেতাম। এখন হাটবাজারে সকালে ও বিকালে পিঠা তৈরি করে বিক্রী করেন। তাই আর কষ্ট করে বাড়িতে তৈরি করতে হয় না। বাজারেই কিনে খাওয়া হয়।

পিঠা বিক্রেতা মোতালেব হোসেন জানান, প্রতিদিন সকালে আধামন চালের গুড়া দিয়ে পিঠা তৈরি করে বিক্রী করি। আর সন্ধ্যায় প্রায় ৩০ কেজি চালের গুড়া লাগে। এতে ব্যবসাও ভাল হয়। প্রতিদিন আয় হয় প্রায় দেড় হাজার টাকা। তাছাড়া অনেকেই পিঠা খায় ও বাড়ির জন্য নিয়েও যান।

তাড়াশ বাজারের পিঠা বিক্রেতা শহিদ আহমেদ বলেন, শীত আসলেই প্রতিবছর সকালে ও বিকালে পিঠা বিক্রী করি। বেচাবিক্রী খুব ভাল হয়। এতে করে চাল ও জ্বালানী খরচ বাদে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার থেকে ১২শত টাকা লাভ হয়।

তাড়াশ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল শেখ বলেন, শীতকাল আসলেই নানান রকমের পিঠা বিক্রীর ধুম পড়ে হাটবাজারে। রসনাবিলাশ লোকজন পিঠা খেতে ভিড় করেন দোকানগুলো। আর এ পিঠা খেতে খুবই মজাদার।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved