মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির উদ্যোগে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে এমসিডা আলোয়- আলো কিশোর কিশোরী বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০২৩ খ্রিঃ তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১১৮, ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন বহু মানুষ আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের রিয়ালের হার, শীর্ষস্থানের পয়েন্ট বাড়াল বার্সেলোনা ইবিতে ছাত্রলীগের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত  আইডিয়াল কমার্স কলেজ ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের  শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক  কর্মশালা আদালতের আদেশ অমান্য করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ শহিদ এএইচএম কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ’র নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বাংলা মায়ের টানে মুক্তিযুদ্ধে  অংশ নিয়েছিল এদেশের বীর সন্তানরা                                                     

বাবার স্বপ্ন পুরনে হেলিকপ্টার করে নববধূকে নিয়ে গেলেন হরিজন সম্প্রদায়ের অপু

কুড়িগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে নববধূকে নিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলেন নেত্রকোনার হরিজন সম্প্রদায়ের ছেলে অপু বাসফোর। অপু পেশায় একজন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী হয়েও মৃত বাবার দিলিপ বাসফোরের স্বপ্ন পুরন করতে এ আয়োজন করেছেন তিনি। কনে সানিতা রানী বাড়ি কুড়িগ্রাম পৌর শহরের বস্তি পাড়া গ্রামে হরিজন ভুট্টু বসফোরের মেয়ে।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে হেলিকপ্টারটি অবতরন করে। পরে হেলিকপ্টারটি দেখতে হাজারো মানুষের ভীড় জমে।
নববধুর পরিবার সুত্রে জানা যায়, বর অপু বাসফোরের  বাড়ি নেত্রকোনা সদরে আর শানিতা রানীর বাড়ি কুড়িগ্রাম পৌর শহরের বস্তি পাড়ায়। অপু বাসফোরের নিকটতম আত্মীয় কুড়িগ্রামে বসবাস করায়  পারিবারিকভাবে আলাপ আলোচনা মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়।
শানিতা রানীর বাবা ভুট্ট বাসফোর বলেন,আমরা গরীব মানুষ। বর পক্ষ আমাদের মেয়েকে পছন্দ করেছে। দু পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে দেয়া হলো। মেয়েকে হেলিকপ্টারে করে বউ বানিয়ে নিয়ে যাবে এ কথা কখনোই বিশ্বাস করতাম না। আজ হেলিকপ্টার এসে মেয়েকে যখন নিয়ে গেল বুকটা শান্তিতে ভরে গেল।
বর অপু বাসফোর বলেন,আমার বাবা গত দু বছর আগে মারা যায়। তার ইচ্ছে ছিল বড়সড় আয়োজন করে আমার বিয়ে দিবে। তিনি বারবার বলেছিলেন আমার বউ মাকে যেন হেলিকপ্টারে করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তাই বাবার আত্মার শান্তি ও স্বপ্ন পুরনে ঘন্টা প্রতি ৮০ হাজার টাকা খরচ করে হেলিকপ্টারে করে বউকে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি।
হেলিকপ্টার দেখতে আসা মোঃ রহিম নামের একজন বলেন, আমি কখনো হেলিকপ্টারে বর যাত্রী যেতে দেখি নাই। আজ স্টেডিয়ামে এত মানুষের ভীড়ে হেলিকপ্টার দেখলাম। দুআ করি বর বউ যেন ভালো থাকে।
রহিম উদ্দিন নামের একজন বলেন, হেলিকপ্টারে করে বিয়ে আমার জানামতে কুড়িগ্রামে হয় নাই। এইবারেই প্রথম হরিজন সম্প্রদায়ের এক মেয়ের বিয়ে হলো হেলিকপ্টারে করে।
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদর থানার পুলিশের উপপরিদর্শক  (এসআই) মাজেদ আলী বলেন,আমরা শৃঙ্খলা রক্ষা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছি। খুব সুন্দরভাবে হেলিকপ্টার অবতরন করে বর যাত্রীরা আবার চলে গেল।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved