বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত নাটোরে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার মনোহরদীতে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর

কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্থ ঈদগাঁওবাসী

কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে কক্সবাজারের ঈদগাঁওর মানুষ। বিকেল পার হতে না হতেই শীতে বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে এলাকার নানা শ্রেনী পেশার লোকজন। হাড় কাঁপানো শীতে বিপাকে পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ।

বিগত ৪/৫ দিন পূর্বে থেকেই তীব্র ঠান্ডায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে নরনারীরা। সে সাথে হিমেল হাওয়া। সবকিছু মিলিয়ে কাহিল হয়ে পড়েছেন নানা শ্রেনী পেশার লোকজন। ভোর সকালেই বাড়ী থেকে বের হওয়া কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ে লোকজনকে। শীত নিবারণে অনেকে শুকনা খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। অনেকে শীতে বেরিয়ে পড়েন কাজের সন্ধানে। এমনকি সন্ধ্যার পর পরেই প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে সাধারন মানুষ বাড়ী মুখী হতেও দেখা যায়।

ঈদগাঁওর রিকশাচালক নাছির জানালেন,  ‘ঠান্ডা বাতাসে রিকশা চালাতে গিয়ে হাত-পা যেন অবশ হয়ে আসছে। কিন্তু না চালিয়ে উপায় কী? পরিবারকে কী খাওয়াবো?’

এক তরকারী ব্যবসায়ী জানান,‘দুইদিন ধরে খুব ঠান্ডা পড়ছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে পানিতে হাত দিতে পারছিনা।’ তবুও কষ্ট করে পরিবার জন্য খাবার জোগাড় করতে বের হতে হচ্ছে।

শামসুসহ কজনের মতে, শীতের কাপড়ের অভাবে খুব কষ্টে দিন পার করছি। কাজ না করলে পেটে ভাত যায়না। শীতের কাপড় না থাকায় ঠান্ডায় কাজকর্ম করে খেতে পার ছিনা। গায়ে গরম কাপড় না থাকায় শীতে কাঁপছিল তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved