বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
ছাতকের পরিস্থিতি ভয়াবহ,সারা‌দে‌শে সঙ্গে সড়ক যোগা‌যোগ বন্ধ পিরোজপুরে বাস চাপায় কলেজ ছাত্র নিহত ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত

মৌলভীবাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারে বীর নিবাস তৈরি: ভেঙে ফেলা হয় নির্মাণাধীন দেয়াল

মৌলভীবাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘বীর নিবাস’ তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর তৈরি করায় ভূক্তভোগি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও স্থানীয়রা একসাথে হয়ে
৩০ জানুয়ারী রোববার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর অভিযোগ করেন।
তারপর (ইউএনও) অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিক দেয়াল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন এবং ভেঙ্গেও ফেলেন ও সাময়িক ভাবে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।
জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুরে ৩৬ শতাংশ জমির ওপর চারজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য সরকারি বরাদ্দের ঘর তৈরির কাজ চলছে। এর ব্যয় প্রায় ৫৪ লাখ টাকা। প্রতিজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য ৯ শতাংশ জায়গায় ১৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
ঘর পাওয়া চারজন মুক্তিযোদ্ধা হলেন মানিক মিয়া, খিতিশ চন্দ্র সেন, আব্দুল মালিক, আব্দুল খালিক।
চারজন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি ঘরের জন্য ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অথচ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত উপহারের এ ভবনে দুর্নীতি করা হচ্ছে। যেখানে যে পরিমাণ জিনিস লাগানো প্রয়োজন সেখানে সেটা হচ্ছে না। এ জন্য আমরা ইউএনওর কাছে অভিযোগ করেছি। তিনি নিম্নমানের এসব কাজ ভেঙে দেন।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে গণমাধ্যমকে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন বালু এবং সিমেন্টের পরিমান চার একের পরিবর্তে আট এক করে নির্মাধীন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন,এবং যে গভীর থেকে নিচের কাজ শুরু হওয়ার কথা সেই গভীর বা উচ্চতায় না উঠেই ভিটার কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এখন মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি যেহেতু অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গিয়েছে এবং (ইউএনও) মহাদয় কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তাই আমরা চাই” সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে পুর্ণরায় পূর্বের কাজ বাতিল করে নতুন করে প্রধান মন্ত্রীর উপহার “বীর নিবাস”নির্মান করার জন্য। এতে করে আমরা পরবর্তীতে জীবন ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved