বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত নাটোরে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার মনোহরদীতে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর

ঘুষ চাইলেন এসিল্যান্ড, দুদকে অভিযোগ সেবাপ্রার্থীর

খতিয়ান সংশোধনের আদেশ প্রদানের কথা বলে দেড় লক্ষ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে চট্টগ্রাম সদর সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও তাঁর সহকারির বিরুদ্ধে। দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এর চট্টগ্রাম শাখায় এক ভুক্তভোগি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এতে এসিল্যান্ড মাসুমা জান্নাত ও তাঁর সহকারি মোঃ কবির এর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ তোলা হয়েছে। রোববার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিচালক বরাবর অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার আবদুল্লাহ আল মামুন ও তার পক্ষে ইমরান খান অভিযোগ করেছেন। এরা নগরীর চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা। এরমধ্যে আবদুল্লাহ আল মামুন মৃত আবদুল খালেক ছেলে। যিনি প্রবাসী হলেও বর্তমানে দেশে রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে দুদক।
দুদকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে সাব রেজিষ্ট্রী অফিস (ভূমি) কতৃক ৩৬২৩ কবলা মূলে মোহাম্মৎ ফরিদা বেগমের নিকট হতে ১ (এক) গন্ডা সম্পত্তি ক্রয় করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তপশীলে বি, এস নামজারী খতিয়ান নং-৪৪৭/১৪ বি. এস দাগ নং-১৯০৩২/ ১৯০৩৩  মৌরশী (১ গন্ডা সম্পত্তি। কিন্তু তপশীলে আপোষ চিহ্নিত কোন দাগ নেই।
ভুক্তভোগীর নামে নামজারীতে সংশোধন (১-১২৫৮/২০১৭) সঠিক করার জন্য ২০১৯ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নিকট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে তদন্তের জন্য সার্ভেয়ার নিয়োগ করেন। পরবর্তীতে সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রতিবেদন অনুয়ায়ী বি. এস ১৯০৩২ দাগটি সংশোধনে দলিল মূলে এবং সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী সঠিক পান। সার্ভেয়ার রিপোর্টও অভিযোগকারীর পক্ষে পাওয়া যায় বলে দাবি তাদের।  কিন্তু মূল মালিক বিদেশে আসা যাওয়া করেন। ফলে, ২০১০ সালে চান্দগাঁও সদর রেজিষ্ট্রী অফিস ১৭৭৪ নং অপ্রত্যাহার যোগ্য পাওয়ার অব এ্যাটনী মূলে মোঃ ইমরান খাঁনকে সকল ক্ষমতা অর্পন করেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
 মোঃ ইমরান খাঁন বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুমা জান্নাত এবং তার সহকারি মোঃ কবির নামজারী খতিয়ান সংশোধনের জন্য এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছেন। এমনকি ঘুষ না দেওয়ায় খতিয়ান সংশোধনে কালক্ষেপন করছেন। প্রায় ৪ বছর পর্যন্ত কাজটি সম্পন্ন না করে ঝুঁলিয়ে রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সদর সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাসুমা জান্নাতের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন রিসিভি  না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
দুদক পরিচালক মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন, হয়তো ডেস্কে জমা দিয়েছেন। এখনো এ ধরনের কোন অভিযোগ আমার টেবিলে আসেনি। যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসতেই পারে। তবে, দুদক সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved