বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত নাটোরে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার মনোহরদীতে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর

ঘুষের টাকা না দেওয়ায় স্কুল শিক্ষকের পেনশন বন্ধ।ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছেন স্ত্রী

নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা শাহীনুর কবিরকে ঘুষ না দেওয়ার কারনে স্কুল শিক্ষকের পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে না পেরে ভিক্ষা করে জীবন যাপনের পথ বেঁচে নিয়েছেন শিক্ষকের স্ত্রী।
সোনারগাঁওয়ের প্রাথমিক শিক্ষক দ্বীন মোহাম্মদ খাঁন ১৯৯২ সালে অবসর গ্রহন করেন। পেনশন পাওয়া অবস্থায় তিনি ১৯৯৩ সালে মারা যান। এরপর থেকে তার স্ত্রী মায়া বেগম স্বামীর পেনশন ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন। ২০১৫ সাল থেকে নানা অজুহাতে তাকে মৃত ঘোষণা করে উপজেলা শিক্ষা অফিস। ফলে গত ৬ বছর ধরে তিনি স্বামীর পেনশনের টাকা তুলতে পারছেন না। সন্তানহীন এই বৃদ্ধা এখন দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রাথমিক শিক্ষক মৃত দ্বীন মোহাম্মদ খাঁনের স্ত্রী মায়া বেগম নামে ওই গৃহবধূ দীর্ঘদিন যাবত সোনারগাঁও উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুরে কোন সুরাহা না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ এলাহী নিকট দ্বারস্থ হন। তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিলনা ভুক্তভোগী মায়া বেগম গতকাল আমার কাছে এসেছিল, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
মায়া বেগম জানান, জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করে সোনারগাঁও হিসাবরক্ষন কার্যালয়ে গেলেও তাকে সেবা না দিয়ে মৃত দেখিয়ে বের করে দেওয়া হয়। একজন সরকারি কর্মকর্তার গাফিলতির কারনে এই বয়সে আমি একজন স্কুল শিক্ষকের স্ত্রীর হয়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করছি। অর্ধাহারে অনাহারে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছি।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শাহীনুর কবিরকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, এই মহিলার কেউ নেই। তাই তার স্বামীর পেনশনের টাকা দেয়ার বিষয়টি নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved