বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
ছাতকের পরিস্থিতি ভয়াবহ,সারা‌দে‌শে সঙ্গে সড়ক যোগা‌যোগ বন্ধ পিরোজপুরে বাস চাপায় কলেজ ছাত্র নিহত ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত

ভান্ডারিয়ায় বিদ্যালয়ের টিনশেট ঘর দখল করে সভাপতির ছেলের ব্যবসা

মহিববুল্লাহ হাওলাদার, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ১১৩নং পূর্ব পশারীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি টিনশেট ঘর প্রভাব খাটিয়ে দখল করে দাতব্য চিকিৎসালয়ের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ব্যবসা করছে সভাপতির ছেলে ।

স্থানীয়দের দাবি বাপ-দাদার জমিতে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বিধায় বিদ্যালয়ের টিনশেট ঘরটি দখল করে ব্যক্তিগত ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ খালেক খানের পুত্র মোঃ মাহামুদ হাসান খান। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

জানগেছে, ২০২০ সালে উপজেলার ১১৩নং পূর্ব-পশারীবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কালীন সময়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ২লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয় নির্মান কালীন সমেয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ দানের জন্য একটি অস্থায়ী টিনশেট ঘর করার জন্য। নতুন ভবন নির্মানের পর অস্থায়ী টিনশেট ঘরটি আপসারণ না করে ঐ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. খালেক খানের ছেলে প্রভাব খাটিয়ে সেখানে পশারিবুনিয়া পাবলিক লাইব্রেরী ও দাতব্য চিকিৎসালয়ের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে গেলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও সভাপতির পুত্রবধূ মোসাম্মৎ মরিয়ম আক্তার বলেন টিন শেটঘরটি তার স্বামী একটি ওষধ কোম্পাণীর রিপ্রেজেন্টিভ মো. মাহামুদ হাসান খান পাবলিক লাইব্রেরী ও দাতব্য চিকিৎসালয়ের জন্য ব্যবহার করেন।

পরবর্তী মুহুর্তেূই স্বামী মো.মাহামুদ হাসান খান ঘটনাস্থলে এসে জানান ঐটিনশেট ঘরটি আমি তুলেছি। তবে জমি সড়ক ও জনপথ বিভাগের।

এদিকে একজন ঔষধ বিপননকর্মী সাইনবোর্ডে পল্লীচিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট, সাবেক মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ লেখা নিয়ে এলাকায় রিতিমত একটি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. খালেক খান জানান, স্কুলের জমি আমি দান করেছি। দানকৃত জমি বিভিন্ন দাগে রয়েছে। টিনশেট ঘরটি যে খানে আছে সেটা আমার জমি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মতিয়ার রহমান বলেন, স্থানীয় ভাবে সভাপতির সাথে সমাধান করতে না পেরে গত ৫ডিসেম্বর ২০২১ইং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লিখিত ভাবে আবহিত করেছি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘটনা¯’ল পরিদর্শন করে ঘরটি সড়াতে বলার পরেও সভাপতি তা আজ পর্যন্ত সড়ায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নাসীর উদ্দিন খলিফা সেলফোনে বলেন, বিদ্যালয়টি নতুন ভবন নির্মান কালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ দানের জন্য একটি অস্থায়ী টিনশেট ঘর নির্মানের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ২লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। নতুন ভবন নির্মানের পর টিনশেট ঘরটি না সড়িয়ে সভাপতির ছেলে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। প্রধান শিক্ষকের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরটি সড়াতে বললে সে ঘরটি সড়ায়নি। তারা বলছে দানকৃত জমি বিভিন্ন দাগে রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ সহ বেদখল জমি উদ্ধারের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত ভাবে সহোযোগিতা চেয়েছি।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৬ঃ৪৫পিএম

 

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved