মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
রেমিটেন্স যোদ্ধাদেরকে সম্মাননা দেবে মহানগর আওয়ামী লীগ- আ জ ম নাছির উদ্দীন যাত্রীর স্বর্ণালংকারসহ ব্যাগ চুরি;এ্যাপসের সহায়তায় সিএনজি চালক আটক রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার তালিকায় স্থান না পায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবেঃ জেলা প্রশাসক চলচ্চিত্র ‍‘হুইল চেয়ার’র প্রিমিয়ার শো চট্টগ্রাম শিল্পকলায় বৃহস্পতিবার বাগেরহাট জেলার সেরা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন এসি ল্যান্ড মোঃ আলী হাসান খেলাধুলায় সম্পৃক্ত থাকলে আমাদের সন্তানরা বিপদগামী হবে না-মহিউদ্দীন মহারাজ ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন কোভিড-১৯ এর সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশগামী সাধারণ যাত্রীদের সাথে প্রতারণা;চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার নগরীতে র‍্যাব-৭ ও ভোক্তা অধিকার যৌথ অভিযান;১২ হাজার লিটার তৈল জব্দসহ ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কার করা হয়েছে 

করোনা রোগীকে সেবা দিয়ে যশোরে ৮৭ চিকিৎসক আক্রান্ত

করোনার তৃতীয় ঢেউ ঊর্ধ্বমুখী গতিতে বইছে যশোর জেলায়। গত ২৬ জানুয়ারি জেলায় এবছর করোনায় প্রথম মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। গত এক সপ্তাহে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ জন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৫ জন।

এদিকে প্রতিদিনই কমবেশি রোগী করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ইয়োলো জোন, রেড জোন এবং আইসিউতে ভর্তি হচ্ছে। এ সকল রোগীসহ হাসপাতালে ভর্তি অনান্য রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক, কর্মচারী এবং সেবিকারা।

হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, তৃতীয় ঢেউয়ে যশোর জেলায় ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ৮৭ জন চিকিৎসক, ১৯ জন নার্স এবং ১২ জন কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তরা সকলেই হোম কোয়ারান্টাইনে চিকিৎসাধীন।

এদিকে হাসপাতালের বহিঃবিভাগ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই বললেই চলে। চিকিৎসক বা কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও মানতে নারাজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। বার বার বলার পরেও তাদের মুখে মাস্ক পড়াতে পারছে না ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্স এবং চিকিৎসকেরা। এদিকে হাসপাতালে জায়গা সংকট থাকায় রোগীরা মেঝেতে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে আরও কয়েকগুণ।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ওয়ার্ড ইনচার্জদের সাথে কথা বললে তারা জানান, হাসপাতাল কতৃপক্ষ মাস্ক পরার বিষয়টি তাদের দেখভাল করার জন্য বলেছে। তবে রোগীদের বার বার বলা সত্বেও তারা গুরুত্ব দিচ্ছে না।

হাসপাতালের বহিঃবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রনি আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে স্বাস্থ্যবিধির যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে এভাবে চলতে থাকলে মৃত্যু ও আক্রান্ত বাড়বে ছাড়া কমবে না।

গৃহিণী সালমা বেগমকে মাস্ক না পরা অবস্থায় দেখে মাস্ক পরেনি কেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রতি উত্তরে বলেন, ‘কেউ তো পরেনি তা আমি পরে কি করবো’ এদিকে সালমার এমন কথা শুনে ঔষধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টিটিভ সোহেল শেখ বলেন, হাসপাতালে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা উচিত এবং নজরদারি সেই সাথে কিভাবে হাসপাতালে ভিড় কমানো যায় এমন ব্যবস্থা হাসপাতাল কতৃপক্ষের অতিদ্রুত নেওয়া উচিত।

হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা.আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং মাস্ক পরার বিষয়টি নজরদারি দিতে সেবিকা ও চিকিৎসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক এবং সেবিকারা করোনা আক্রান্ত হয়েছে ইতিমধ্যে। তাদের হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।

যশোর সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, আমরা গত এক সপ্তাহের করোনার তথ্য বিশ্লেষণ করেছি। তাতে দেখা গিয়েছে যারা মারা গিয়েছে তারা সকলেই বয়োবৃদ্ধ এবং টিকা গ্রহন করেনি। অতএব টিকা নিতে ভয়ের কোন কারন নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved