বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা,গণতন্ত্রের অগ্নিবীণা ও উন্নয়ন-প্রগতির প্রত্যাবর্তনঃ তথ্যমন্ত্রী নাজিরপুর অঞ্চলের কৃষকের স্বপ্ন প্রতি বছর তলিয়ে যায় পানির নিচে কালিহাতীতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন রাজশাহী জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের ভোট স্থগিত প্রফেসর ডাক্তার উত্তম কুমার বড়ুয়াকে সংবর্ধিত করলো মিলন-পুর্নিমা ফাউন্ডেশন ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নে আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঙ্গাভাব: উচ্ছাস তৃনমূলে চট্টগ্রামের হিজরা সুমন মানবিক কাজে আত্ম তৃপ্তি পান সরিষাবাড়ীতে দুই শিশু শিক্ষার্থী হারানোকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ভাঙচুর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত নাটোরে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার মনোহরদীতে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, ভাংচুর

মেহেরপুরে মৃত রিপনকে ৫ বছর পর জীবিত উদ্ধার

মেহেরপুরে মৃত রকিবুজ্জামান রিপন(৩০)কে পাঁচ বছর পর জীবিত উদ্ধার করল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুষ্টিয়ার একটি দল গাজীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করেছে।রিপনকে আজ মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারী) মেহেরপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান পিবিআই কর্মকর্তা। রিপন মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভিপুর গ্রামের দত্তপাড়ার মনিরুল ইসলামের ছেলে।
সূত্রে জানা যায়,২০১৭ সালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভরাট গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে রিপন নিরুদ্দেশ হওয়া। রিপনকে তার পরিবারের লোকজন খোঁজ খবর না পেয়ে অপহরণ ও গুম মামলা করেন তার পিতা মনিরুল ইসলাম এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পিবিআই কুষ্টিয়ার পরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, রকিবুজ্জামান রিপন গাংনীর ভরাট গ্রামের আকবর হোসেনের মেয়ে শ্যামলী খাতুনকে বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছিল। তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ শুরু হওয়ায় ২০১৭ সালের ৮ জুলাই নিরুদ্দেশ হন রকিবুজ্জামান রিপন। রিপনের কোন খোঁজ খবর না পাওয়ায় তার বাবা মনিরুল ইসলাম রিপনের স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি এবং চাচা শশুরের বিরুদ্ধে মেহেরপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশনায় সদর থানা পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত করে রিপনকে জীবিত অথবা মৃত কোন ভাবেই উদ্ধার করতে না পেরে বিজ্ঞ আদালতে চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত থানা পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে পুলিশ সুপার, পিবিআই কুষ্টিয়াকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দশ দেন।
আদালতের নির্দেশনা পেয়ে পিবিআই কুষ্টিয়ার পুলিশ তদন্ত শুরু করেন এবং সোর্স নিয়োগ করে খুঁজতে থাকেন রিপনকে। কয়েকদফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রিপনের পরিবার ও শশুর বাড়ির লোকজনকে। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রিপনের জীবিত থাকার বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved