সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৩:০২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
অভয়নগরে স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন পুঠিয়ার বানেশ্বরে স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির মারামারিতে সভাপতি আহত জয়পুরহাটে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে ব্যাপক হারে চোখ ওঠা রোগী  বেড়ে চলছে  বিদেশি মদসহ সিএনজি ড্রাইভার আটক টেকনাফে ১২টি নবনির্মিত ক্লিনিকের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী  সরিষাবাড়ীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হত্যার উদ্দেশ্যে হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে  কালাম সরদার তিনজনকেই ফ্ল্যাট দিয়ে সুন্দর পরিবেশে রাখা উচিত যা বললেন ডিপজল মাধবপুরে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা গুলি ছুড়ে ডাকাত আটক।

বাউফলে ভেজাল হলুদ- মরিচের গুঁড়ায় বাজার সয়লাব

পটুয়াখালীর বাউফলের বিভিন্ন হাটবাজারে ভেজাল হলুদ- মরিচের গুঁড়ায় সয়লাব।
বিষাক্ত রং ও চালের গুঁড়া মিশ্রিত ভেজাল হলুদ- মরিচের গুঁড়ায় সয়লাব বাউফলের হাটবাজার গুলো।  একশ্রেণীর  অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় এ ভেজাল  গুঁড়া আমদানি করে বাজারজাত করছেন। প্রশাসনেরর তদারকি না থাকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর কালাইয়া, বগা ও কালিশুরী বাজারের এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা যশোরের কালিগঞ্জ ও বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব ভেজাল গুঁড়া আমদানি করেন। তারা ওই সব ভেজাল গুঁড়া তুলনামুলক কম দামে উপজেলার বিভিন্ন ছোট-বড় হাটবাজারসহ পাশ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের পাইকার ও দোকানীদের কাছে বিক্রি করেন। এতে খুব সহজেই প্রান্তিক পর্যায় ছড়িয়ে পড়ছে এসব ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভেজালমুক্ত প্রতি কেজি হলুদ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে। যা খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা,  সেখানে ভেজাল হলুদের গুঁড়া পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে। যা খুরচা বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৭০ টাকা । অপরদিকে  ভেজালমুক্ত প্রতি কেজি মরিচের গুঁড়া পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা দরে। যা খুরচা বিক্রি হচ্ছে ২২০টাকা। আর ভেজাল মরিচের গুঁড়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।  দামে কম হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা দেদারসে এসব ভেজাল গুঁড়া কিনছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য মতে, উপজেলার কালাইয়া বন্দরে ঝন্টু, সাইফুল, কুট্টি ও জলিলসহ একাধিক অসাধু ব্যবসায়ীরা যশোর ও বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভেজাল হলুদ- মরিচের গুঁড়া আমদানি করেন। উপজেলায় প্রতি মাসে প্রায় ২০০ টন ভেজাল হলুদ মরিচের গুঁড়া আমদানি করা হয়। এছাড়াও স্থানীয় মিল মালিকেরা আধা পাকা ও নষ্ট কাঁচা মরিচ শুকিয়ে গুঁড়া করেন। ঝাল বৃদ্ধির জন্য ১৫ কেজি গুঁড়ার সাথে ইন্ডিয়ান ১কেজি ত্যাজা মরিচের গুঁড়া মিশানো হয়। চকচকে করার জন্য  মিশানো হয় বিষাক্ত রং। অপরদিকে হলুদের গুঁড়ার সাথে মিশানো হয় চালের গুড়া ও  বিষাক্ত রং।
 রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে কালাইয়া বন্দরের ঝন্টু স্টোরে গিয়ে দেখা যায় যশোর থেকে আমদানি করা  তিন বস্তা (১৫০ কেজি) ভেজাল হলুদের গুঁড়া। শনিবার বিশেষ মাধ্যমে এ ভেজাল গুঁড়া আনা হয়। ওই ভেজাল গুঁড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ঝন্টু বলেন, এতে কোন ভেজাল নাই।  আসল হলুদ গুঁড়া ২০০ টাকা বিক্রি হলে এটা কিভাবে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয় এমন প্রশ্নে তিনি কোন সদত্তোর দিতে পারেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় ভোক্তাদের কাছে ভেজাল গুঁড়া বিক্রি করছেন।  ভোক্তারাও না বুঝে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন।
অপরদিকে সচেতন মহল বলছেন, এসব ভেজাল গুঁড়ায় মিশানো বিষাক্ত রং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। প্রশাসনের নিরবতায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ভেজাল বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার দাবি তাদের।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল-আমিন বলেন, আমাদের ভেজাল বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে।  অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই  জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved