মঙ্গলবার, ২৮ Jun ২০২২, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
দালাল ধরতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কাট্টলী সার্কেল ভূমি অফিস ও আশেপাশের এলাকায় অভিযানঃএক দালালকে অর্থদণ্ড “অসহায় ও দরিদ্র বিচার প্রার্থী জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল লিগ্যাল এইড:সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞা ২য় দিনের মত সুনামগঞ্জ জেলায় ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে কাউখালীতে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালি শার্শা সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের কর্মচারী ও দলিল লেখক গনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ উৎসব ধামরাই শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের রথ উৎসব ও মাসব্যাপী রথমেলা শুরু হবে শুক্রবার ময়মনসিংহ কৃষি ব্যাংক বিভাগীয় মহাব্যবস্হাপকের বিশেষ উদ্যোগে বন্যা কবলিত ভানবাসি মানুষকে সহায়তা প্রদান করছেন। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপি মোতাহার হোসেন মাদক একেবারে নির্মূল করা না গেলেও সমন্বিত উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব:চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের রঘুরামপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহিলা নিহতের ঘটনায় -আটক-৯

তাড়াশে ৬ হাজার ২শ ৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ

তাড়াশ উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় তোশা ও দেশি পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবছর তাড়াশ উপজেলায় ৬হাজার ৭০হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাট পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। মৌসুমের শুরুতে বিভিন্ন খেতে ভালোফলন হয়েছে। তবে পাট চাষিদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন তারা।
চাষিরা বলছেন, ধার-দেনা করে চাষ করা হয়। তাই ফসল ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই দেনা দাররা হানা দেয়। দাম কম হলেও দেনাদারের পাওনা পরিশোধ করার জন্য পাটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি করতে হয় তাদের। যার ফলে ইচ্ছে থাকলেও কষ্টার্জিত ফসল থেকে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করতে পারে না কৃষকরা। এরপরেও ভাল ফলনে খুশি কৃষকরা।
মহেশরৌহালী গ্রামের পাটচাষি আরমান আলী দুই বিঘা, বিরল হালী গ্রামের শহিদুল হোসেন পাঁচ বিঘা, পংরৌহালী গ্রামের সোরহাব হোসেন ছয় বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এবার পাট ভালো হয়েছে। এরকম থাকলে মোটামুটি ভাল লাভই হবে।
সোরহাই রহমান নামের আরেক পাট চাষি বলেন, তাড়াশ, বিনোতপুর, মাগুরা, বারুহাষ, নওগাঁ ইউনিয়ন ও পৌর সভায় বেশিরভাগ এলাকায় পাট চাষ হয়। কিন্তু যখন চাষের জন্য বীজ বুনি তখন, পানির খুব সংকট থাকে। তার পরও পাটের ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমানে জমিতে যে পরিমান পাট হয়েছে আশা করি ফলনও ভালো হবে। তবে একবিঘা জমিতে পাট চাষ করতে খরচ হয় ১৪-১৫হাজার টাকা। প্রতিবিঘায় পাট উৎপাদন হয় ১২-১৪মণ। খরচখরচাবাদে ভালো টাকাই লাভ থাকে।
আবুসমা হোসেন  নামে অন্য এক কৃষক বলেন, বাংলাদেশের জন্য পাট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থকরী ফসল। কিন্তু আমরা যারা চাষি, তারা এই পাট চাষ করে তেমন লাভবান হই না। ধার-দেনা ও সুদে টাকা এনে চাষ করি। দাম বৃদ্ধির আগেই দেনা পরিশোধের জন্য পাট বিক্রি করে দিতে হয়। পাট চাষিদের বীজ ও সার কেনার জন্য যদি সরকার কিছু সহযোগিতা করত তাহলে চাষিরা খুবই লাভবান হত বলেন দাবি করেন তিনি।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেজবুল জানান, উপজেলা আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বেশির ভাগ এলাকায় পাট চাষ হয়েছে। ৬হাজার ১৭০হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। আমরা চাষিদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved