সোমবার, ২৭ Jun ২০২২, ১১:২৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
দালাল ধরতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কাট্টলী সার্কেল ভূমি অফিস ও আশেপাশের এলাকায় অভিযানঃএক দালালকে অর্থদণ্ড “অসহায় ও দরিদ্র বিচার প্রার্থী জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল লিগ্যাল এইড:সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভূঞা ২য় দিনের মত সুনামগঞ্জ জেলায় ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করলেন কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে কাউখালীতে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‌্যালি শার্শা সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের কর্মচারী ও দলিল লেখক গনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ উৎসব ধামরাই শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের রথ উৎসব ও মাসব্যাপী রথমেলা শুরু হবে শুক্রবার ময়মনসিংহ কৃষি ব্যাংক বিভাগীয় মহাব্যবস্হাপকের বিশেষ উদ্যোগে বন্যা কবলিত ভানবাসি মানুষকে সহায়তা প্রদান করছেন। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপি মোতাহার হোসেন মাদক একেবারে নির্মূল করা না গেলেও সমন্বিত উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব:চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জের রঘুরামপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মহিলা নিহতের ঘটনায় -আটক-৯

মারা গেলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীর প্রতীক

বীর মুক্তিযোদ্ধা সদরুজ্জামান হেলাল বীর প্রতীক ২২ মে রবিবার  দুপুরে জামালপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
 মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার তাঁকে বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত করেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দ সদরুজ্জামান ‌হেলাল ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমূঠ (সাহেব বাড়ি) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম সৈয়দ বদরুজ্জামান এবং মায়ের নাম সৈয়দা খোদেজা জামান। তাঁর স্ত্রীর নাম সৈয়দা সাহানা জামান। তাঁর এক ছেলে, দুই মেয়ে।
১৯৭১ সালে কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন সৈয়দ সদরুজ্জামান। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৯ বছর।
 মা-বাবার অনুমতি নিয়েই তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে ১১ নম্বর সেক্টরের মহেন্দ্রগঞ্জ সাব সেক্টরের একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কামালপুরসহ আরও কয়েক স্থানের যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি ও তাঁর দলের মুক্তিযোদ্ধারা সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে যুদ্ধ করেন।
১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্রাজোড় ইউনিয়নের অন্তর্গত উঠানো পাড়ায় সৈয়দ সদরুজ্জামানের নেতৃত্বে এক দল মুক্তিযোদ্ধা সেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য অ্যামবুশ তৈরি করে। ৩৭ জন মুক্তিযোদ্ধা উঠানিপাড়ায় অ্যামবুশ আক্রমনে যোগ দেন। দিনের বেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ভারত থেকে এসে অবস্থান নেয় বাংলাদেশের ভূখণ্ডে। তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন সৈয়দ সদরুজ্জামান। অদূরে ছিলো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রতিরক্ষা অবস্থান। সেই অবস্থানকে ঘিরে অবস্থান নেয় মুক্তিযোদ্ধাদের আরও কয়েকটি দল। রাতে সৈয়দ সদরুজ্জামানের দলের অবস্থানের দিকে  এক দল পাকিস্তানি সেনা এগিয়ে আসলে শুরু হয় যুদ্ধ। ১০ মিনিটের বেশি সময় সম্মুখযুদ্ধের ফলে পাকবাহিনী পিছু হটতে  শুরু করে। কামালপুরে মোট ১৮ বার আক্রমণ করা হয়। এরমধ্যে ১৪ বার আক্রমণে ছিলেন সৈয়দ সদরুজ্জামান। সেদিন যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ২৭ জন হতাহত হয় ও ২ জন রাজাকার হাতিয়ারসহ ধরা পড়ে । সৈয়দ সদরুজ্জামানের ডাক নাম হেলাল। তাই তার নাম অনুসারে কোম্পানির নাম হয় হেলাল কোম্পানি। হেলাল কোম্পানির সবমোট ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য খেতাবও পেয়েছেন। এক কোম্পানির ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাব পাওয়া এটা একটা রেকর্ড।
স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved