রবিবার, ২৬ Jun ২০২২, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় মাদার তেরেসা পদক পেলেন এস এম পিন্টু পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে রামগঞ্জ থানা পুলিশের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বগুড়া জেলা প্রশাসকের আয়োজনে শোভাযাত্রা পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদ্‌যাপনে, বাংলাদেশ পুলিশের্ নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন অবিলম্বে দেশে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয়ের দাবি-ক্যাব ফুলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।  বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে -তথ্যমন্ত্রী পদ্মা সেতু উদ্বোধনে মহিউদ্দিন মহারাজের নেতৃত্বে ৬টি লঞ্চে পিরোজপুরের ১৫ হাজার নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন ময়মনসিংহ আইটি ও হাই-টেক পার্ক এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন লাকসামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

পানিতে ভাসছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন

পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় পাকা ধান ডুবে যাচ্ছে।আর জমিতে ভাসছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন।

মঙ্গলবার(২৩ মে) সকালে বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ও বাসাইল সদর ইউনিয়নের   রাশড়া,মিরিকপুর, হান্দুলী, জিকাতলী পাড়া, সৈয়দামপুর, পৌলী,যৌতুকীতে গিয়ে দেখা যায়, হাঁটু পানিতে নেমে ধান কাটছে কৃষকরা আবার কেউ কাটা ধান নৌকাযোগে উঁচু স্থানে তুলছে, আবার কেউ কাটা ধানগুলো পানিতে ভাসমান অবস্থায় ছড়িয়ে থাকা একত্রে করছে আবার কেউ কেউ ধান মাড়াই করছে।কৃষকরা ধান কাটার জন্য ব্যস্ত হয়ে পরেছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে এক লাখ ৭১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে চাষ হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার ৫৫৩ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন। জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ভূঞাপুর, নাগরপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার ও বাসাইলের বিভিন্ন এলাকার জমিতে পানি প্রবেশ করেছে।

বাসাইলের কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কৃষক প্রদীপ সরকার বলেন,দুই বছর আগে পানিতে ধান ডুবে গেছিল।এবছরও আমার জমিতে পানিতে ঢুকছে।এবছর ৩০০ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছিলাম।১ বিঘা জমি আবাদ করতে খরচ হয়েছে ৫-৬ হাজার টাকা। আর ধান কাটতে ৮-৯ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এই ধান যদি ডুবে যায় আমরা কি খামু।আমরা বছরে দুইটা ফসল ফলাই।চকে সব ধান রয়ে গেছে।কি করুম কিছু বুঝতাছি না।দুই-তিনদের মধ্যে পানি এসে পরলো।ধান কাটা এখনো শেষ করতে পারি নাই।১০০০-১২০০ টাকা করেও শ্রমিক পাওয়া যায় না।

জিকাতলী পাড়া গ্রামের চাষি সাধন সরকার বলেন,আমার প্রায় জমিতে পানি উঠেছে। শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতেছি।এক হাজার টাকা মজুরিতে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা হচ্ছে।যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে উঁচু জমি গুলোতে পানি উঠে যাবে।আর নিচু জমির ধান না কাটতে পারলে ডুবে যাবে।বাতাসে ধান নুয়ে গেছে।ধানের দাম কম আর শ্রমিকের দাম বেশি।একদিকে শ্রমিকের দাম বেশি আরেক দিকে জমিতে পানি উঠেছে।খাওয়ার জন্য তো ধান কাটতে হবে।ধান যদি না কাটতে পারি বউ পোলাপান নিয়ে কিভাবে বাঁচবো।আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।এবছর ২৫০ শতাংশ জমিতে ধানের আবাদ করেছিলাম।

কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী বিজয় সরকার বলেন, জমিতে পানি উঠেছে, হাঁটু জলের মধ্যে ধান কাটতেছে।যদি ধান না কাটতে পারি তাহলে জমির ধান ডুবে যাবে।১২০০ টাকা করে শ্রমিক তাও পাওয়া যায় না।যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে উঁচু জমিতেও পানি উঠবে।এবার ধান আবাদে করে কৃষক লোকসানের মুখে পরবে।এ ধান যদি ডুবে যায় তাহলে আমরা কি খাবো।আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved