সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
অভয়নগরে স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন পুঠিয়ার বানেশ্বরে স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির মারামারিতে সভাপতি আহত জয়পুরহাটে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে ব্যাপক হারে চোখ ওঠা রোগী  বেড়ে চলছে  বিদেশি মদসহ সিএনজি ড্রাইভার আটক টেকনাফে ১২টি নবনির্মিত ক্লিনিকের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী  সরিষাবাড়ীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হত্যার উদ্দেশ্যে হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে  কালাম সরদার তিনজনকেই ফ্ল্যাট দিয়ে সুন্দর পরিবেশে রাখা উচিত যা বললেন ডিপজল মাধবপুরে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা গুলি ছুড়ে ডাকাত আটক।

বাংলার খ্যাত আপেল চট্টগ্রাম’র চন্দনাইশ উপজেলা পেয়ারা এখন বিভিন্ন হাটবাজারে

দক্ষিণ চট্টগ্রামে বাংলার খ্যাত আপেল চন্দনাইশের পেয়ারা এখন বাজারে। চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ, হাশিমপুর, লটএলাহাবাদ, ছৈয়দবাদ, রায় জোয়ারা, লালুটিয়া, জামিরজুরী সহ পাহাড়ে পাহাড়ে উৎপাদিত পেয়ারা প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও বাজারে বিক্রির মহোৎসব চলছে। এতে ভূমির মালিক ও চাষিদের মুখে হাসির আভা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া বেকার শ্রমিকদের কপাল খুলছে। উপজেলার কাঞ্চনগর রৌশনহাট, বাদামতল, হাশিমপুর খানঁহাট রেল ষ্টেশন ও বাগিচারহাট পেয়ারা বাজারের প্রসিদ্ধ স্থান। এ সব পাহাড়ে পেয়ারা মৌসুমে বেকার শ্রমিকরা সকাল থেকে চাষিদের কাজ থেকে পেয়ারা কিনে দক্ষিণে কক্সবাজার এবং উত্তরে চট্টগ্রাম শহরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। এতে করে অনেক দুস্থ্য পরিবারের জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। বেপারীরা আগে চট্টগ্রাম জেলা’র দোহাজারীর রেল লাইনে মাল বাহী ট্রেনে করে চট্টগ্রাম শহর সহ বিভিন্ন উপজেলায় পেয়ারা বিক্রির জন্য নিয়ে যেত। বর্তমানেও ট্রেন ও বিভিন্ন চিয়ারকোচ ও ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়।

পেয়ারার মৌসুমে প্রতিদিন সাদ সকালে পেয়ারা চাষিরা বাগান থেকে পেয়ারা তুলে খাচায় করে লাল-সালু দিয়ে মুড়ে এসব প্রসিদ্ধ হাটবাজারে নিয়ে যায়। পেয়ারা চাষি আব্দুর রহীম কে পেয়ারা ভার খাচি হিসেবে প্রতি ভার কত টাকা করে বিক্রি করা হয় জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান প্রতি ভার ১ হাজার, ১২ শত, ১৫,শত টাকা থেকে শুরু করে ২ আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। এদিকে পেয়ারা ক্রেতা মো. কামাল উদ্দিন জানান চন্দনাইশের সুস্বাদু পেয়ারা মানুষের মন কেড়ে নিয়েছে। যা সুস্বাদু সুমিষ্টি মোহনীয় এবং দেখতে খুব সুন্দর। চন্দনাইশের পেয়ারা চাষে অনেক চাষিদের জীবন ধারা পরিবর্তন করে দেয়। বাগান মালিকদের মধ্যে থেকে পেয়ারা চাষের লাভ জনক সম্পর্কে জানতে চায়লে তাঁরা জানান দ্রব্যমূল্য উর্ধ্ব গতি এবং শ্রমিকদের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর লাভ জনক কিছুটা কম হওয়ার আশাংকা আছে বলে দুঃ চিন্তায় পড়ে আছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার থেকে জানতে চায়লে তিনি জানান পেয়ারা চাষিরা অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরও ৭ শত ৫৫ হেক্টর পরিমান জমিতে প্রায় ২ শতাধিক পেয়ারা বাগান করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও বাজারে বাজরে পেয়ারা বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার আরও জানান আমরা পেয়ারা চাষিদের কে পেয়ারা চাষের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করি পেয়ারা চাষিরা যেন সুন্দর ভাবে পেয়ারা চাষ করে নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারে এবং লাভবান হয়। পাশাপাশি পেয়ারা চাষিদের উত্তোরাত্তর সফলতা সম্বৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved