মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৪১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জ সদর ও সিংগাইর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজাসহ আটক-৪ কোনো কাজী বাল্য বিবাহ সম্পাদন করলে লাইসেন্স বাতিল- জ্যোতি বিকাশ  ধামরাই পৌরসভার পূর্ব কায়েতপাড়া শাইলাটেকি ভদ্রাকালী মন্দির প্রাঙ্গণে নামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলাকীর্তন উৎসব উদযাপন  হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ্ (রঃ) এর ওরছ শরীফ আগামী ৯,১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল ও হেলমেট বিহীন চালকদের বিরুদ্ধে অভিযান  বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটির উদ্যোগে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে এমসিডা আলোয়- আলো কিশোর কিশোরী বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০২৩ খ্রিঃ তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১১৮, ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন বহু মানুষ আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের রিয়ালের হার, শীর্ষস্থানের পয়েন্ট বাড়াল বার্সেলোনা

মপি মুহিবুর রহমান মানিকের রাজনৈতিক সফলতার ২৭ বছর

মুহিবুর রহমান মানিক একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ,তিনি সুনামগঞ্জ জেলাধীন ছাতক উপজেলার আমেরতল গ্রামের মৃত কলমদর আলী ও জাহানারা চৌধুরী দম্পত্তির পুত্র।
তৎকালীন  পুর্বপাকিস্থানের সিলেট জেলার সুনামগঞ্জে ১৯৬২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
ছাত্র জীবন থেকেই রাজনিতিতে মনোযোগী হলেও অনেক চড়াই উৎরাই পারি দিয়ে ১৯৯৬ সালে বাংলদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতিক নিয়ে ১ম বারের মত সুনামগঞ্জ (৫) আসন থেক সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত   হলেও ২০০৮ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য,২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ সদস্য ও সর্বশেষ ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে বিজয়ী হয়ে অদ্যাবদী এ আসনের এমপি হিসেবে দায়ীত্বরত রয়েছেন।২০০৮ সাল থেকে টানা হেটট্টিক সহ আওমামীলীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে চার বার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন মুহিবুর রহমান মানিক।
রাজনৈতিক সফলতার এমন গল্প সত্যি প্রসংশনীয়।শক্তিশালি প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা প্রতিহত করে এ অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালবাসার অধিকারী হয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।মুহিবুর রহমান মানিক ছাতক দোয়ারার উন্নয়নে রেখেছেন ব্যাপক ভূমিকা,করেছেন শত-শত রাস্তাঘাট,কালভার্ট-ব্রিজ,স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা।রাজনৈতিক জীবনের ২৭ বছরের এ অর্জনে ছাতক দোয়ারাবাজারের মাটি ও মানুষের নেতা হয়ে নিশস্বার্থ ভালবাসার অধিকারী হয়েছন লক্ষ লক্ষ জনতার।
 রাজনীতিতে নির্বিরোধ এই নেতা ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টানা মনোনয়ন পেয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে প্রথম বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলীয় কোন্দলের কারণে নিজ দলের প্রতিপক্ষের পরোক্ষ সহযোগিতায় বিএনপি ছাতক উপজেলার বেশির ভাগ কেন্দ্র দখল করে তাঁর বিজয় ছিনিয়ে নেয় বলে তৃণমূল আওয়ামী লীগের অভিযোগ ছিল।   আশির দশকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মুহিবুর রহমান মানিক। এসময় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সবাই জামানতও হারিয়েছিলেন। এরপর তিনি সংসদ নির্বাচন করে জাতীয় পার্টির কাছ থেকে আসনটি আওয়ামী লীগকে উপহার দেন। একজন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ জননেতা হিসেবে তিনি তৃণমূলে বিশেষ সমাদৃত।   সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ সংগঠকও তিনি। এ অঞ্চলের নেতাকর্মীরা জানান, তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় সংসদ সদস্য মানিক কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। দীর্ঘ সময় সংসদ সদস্য থাকার সুবাদে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন তিনি।পাশাপাশি সুরমা ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করে আরও আলোচিত হয়েছেন।জানা যায় ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কোনো প্রকল্প গ্রহণ না করেই ভোটারদের আকৃষ্ট  করার লক্ষে এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। এরপর আর আগায়নি।তবে মুহিবুর রহমান মানিকের প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় একনেকে অনুমোদিত হয়ে এই সেতুর কাজ শুরু করে। সেতুর কাজ শেষ হলেও স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কানেকটিং রোডের ক্ষতির কারণে উদ্বোধনে বিলম্ব হচ্ছে। এটি চালু হলে ছাতক সহ সারা দেশের সঙ্গে দোয়ারাবাজার উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হবে। স্থানীয় জনসাধারন ও কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন‘ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায় বিপুল উন্নয়ন করেছেন এমপি মুহিবুর রহমান মানিক। তিনি এখনো এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। দিন দিন তাঁর জনসমর্থন বাড়ছে। আসন্ন ২০২৩ সালের নির্বাচনেও তিনি রেকর্ড পরিমাণ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদী তারা। এছাড়াও কালারুকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অদুদ আলম,প্যানেল চেয়ারম্যান তাজউদ্দিন বলেন, ‘মুহিবুর রহমান মানিক এতটাই জনপ্রিয় যে তাঁর প্রত্যেকটা সভায় মানুষের ঢল নামে। এখানে তাঁর সমকক্ষ ও জনপ্রিয় বিকল্প কোনো নেতা তৈরি হয়নি। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন ও বিকাশের লক্ষ্যে যুদ্ধক্ষেত্র, যুদ্ধের স্মৃতিবাহী স্থানে স্থাপনা তৈরি করে আমাদের শ্রদ্ধা আদায় করেছেন। সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন,জোর করে মানুষের ভালবাসা পাওয়া যায়না,মানুষ মন থেকে আমাকে ভালবাসে সেই ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমার বিরুদ্ধে অনেকেই নানা সময় ষড়যন্ত্র করেছে এখনও করছে,তারা অতিতেও সফল হয়নি আগামীতেও হবেনা,তারা বারবার জনতার রায়ের কাছে পরাজিত হয়েছে।তিনি আরো বলেন,আমি যত বার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছি, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাঁর নেতৃত্বাধীন সংসদের একজন সদস্য হিসেবে এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন করে তাঁর জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বকে তৃণমূলে তুলে ধরেছি এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  এ অঞ্চলের মানুষের সেবা ও উন্নয়ন করে যাব।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved