সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০১:২০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
অভয়নগরে স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন পুঠিয়ার বানেশ্বরে স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির মারামারিতে সভাপতি আহত জয়পুরহাটে পৃথক ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে ব্যাপক হারে চোখ ওঠা রোগী  বেড়ে চলছে  বিদেশি মদসহ সিএনজি ড্রাইভার আটক টেকনাফে ১২টি নবনির্মিত ক্লিনিকের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী  সরিষাবাড়ীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হত্যার উদ্দেশ্যে হামলায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে  কালাম সরদার তিনজনকেই ফ্ল্যাট দিয়ে সুন্দর পরিবেশে রাখা উচিত যা বললেন ডিপজল মাধবপুরে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা গুলি ছুড়ে ডাকাত আটক।

পঞ্চগড় একটি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে সব শিক্ষক এক পরিবারের

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ৯০ নং মাঝিয়ালী গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক এক পরিবারের। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, পড়ালেখা হয় না শুধু স্কুল আসে কেউ ঘুমায়,কেউ মোবাইল ফোন কেউ ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।পড়ালেখা না হওয়ায় অনেক ছাত্রছাত্রী ঝরে পড়ছে আবার কেউ অন্য স্কুলে পড়ছে।স্কুলটির পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে প্রধান শিক্ষক আজাহারুল ইসলাম যাদু তার বোন মুরশিদা পারভীন,ভাই আব্দুল মতিন,ভাইয়ের স্ত্রী আফরোজা সুলতানা ও প্রতিবেশী একজন চাচা কামাল আহসান হাবীব শিক্ষকতা করছেন। স্কুল সূত্রে জানা যায়,প্রথম শ্রেণীতে ১৫ জন,দ্বিতীয় ১৫,তৃতীয় ১২,চতুর্থ ৩২ ও পঞ্চম শ্রেণীতে ১৫জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে।
সম্প্রতি রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় সরেজমিন স্কুলে গিয়ে দেখা যায়,তৃতীয় শ্রেণীতে ছয়জন,চতুর্থ শ্রেণীতে সাতজন,পঞ্চম শ্রেণীর কক্ষে কেউ না থাকলেও চারটা স্কুল ব্যাগ রয়েছে।এদিকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পাঁচটি ছাত্রছাত্রী হাজিরা খাতায় একজনেরও হাজিরা তুলেননি শিক্ষকেরা।
স্থানীয় মজিবর, কমলা,রাসেলসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান,স্কুলটিতে একই পরিবারের সব শিক্ষক হওয়ায় পড়ালেখা হয় না সেখানে। এজন্য অনেক ছাত্রছাত্রী ঝরে পড়ছে আবার কেউ অন্য স্কুলে (উপানুষ্ঠানিক) গিয়ে পড়ালেখা করছে।যে কয়েকজন স্কুলে আছে পড়ালেখায় অনেক পিছিয়ে তারা।
পঞ্চম শ্রেণীর নুর সাঈদ নামের এক ছাত্র স্কুলে পড়ালেখা না হওয়ায় তার পরিবার এ স্কুল বাদ দিয়ে তিস্তাপাড়া উপানুষ্ঠানিক শিখন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করে দেয়।
এরকম মাসুদ ও নিলয় এ স্কুলে পড়ছে চতুর্থ শ্রেণিতে তবুও উপানুষ্ঠানিক স্কুলে পড়াচ্ছে দ্বিতীয় শ্রেণিতে।পরিবারের দাবী এ স্কুলে পড়ে কিছুই শিখেননি তারা।
প্রধান শিক্ষক মো.আজাহারুল ইসলাম যাদু জানান,স্কুলের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আছে আপনার ইচ্ছেমতো লিখতে পারেন।তবে এলাকার লোকজন বলতেই পারে পড়ালেখা হয় না স্কুলে।
দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.শামসুল আলম জানান,জাতীয়করণ স্কুল এজন্য হয়ত সব শিক্ষক এক পরিবারের।আর কয়েক বছর ধরে শিক্ষক বদলি বন্ধ হয়ে আছে। আমরা কিছুদিন মনিটরিং করে দেখি কি করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved