বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকাতে আপনাকে স্বাগতম! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন,বিজ্ঞাপন দিন সহযোগী হোন! বাংলাদেশ সমাচার পড়ুন বেকারত্ব দূর করুন ।
শিরোনাম :
বিলস্ এর নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে বিএল এফ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির সংবর্ধনা বাবাকে হত্যার পর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছেলে নিজেই থানায় গিয়ে হত্যার কথা জানালেন পুলিশকে বিলস্ এর নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে বিএল এফ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির সংবর্ধনা ভূমিকম্পে তুরস্ক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়েছে পিএসজিতে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে পারেন লিওনেল মেসি মোঃ ইসমাইল হোসেন সাহেবকে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন -মোঃ গোলাম মাওলা সাকিব বাবাকে হত্যার পর ছেলে নিজেই থানায় গিয়ে হত্যার কথা জানালেন পুলিশকে নবীনগরে নবনির্মিত শহীদ মিনারের শুভ উদ্বোধন ও মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জ সদর ও সিংগাইর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজাসহ আটক-৪ কোনো কাজী বাল্য বিবাহ সম্পাদন করলে লাইসেন্স বাতিল- জ্যোতি বিকাশ 

ভারতের বিএসএফের গুলিতে নিহত মিনারের লাশ পাঁচ দিন পর পেলো পরিবার

দিনাজপুর সদরের খানপুর বঞ্চিত পাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে মিনারুল ইসলাম মিনারের লাশ পাঁচ দিন পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর। গ্রামবাসীরা বলেন বুধবার রাত অনুমান সাড়ে ১০ টার সময় বাংলাদেশের দাইনুর সীমান্ত ফাঁড়ির ৩১৫ মেইন পিলারের অদূরে ৩১৪/৭ সাব পিলারের কাছে ভারতের ভাদরা হরিহরপুর বিএসএফ সীমান্ত ফাড়ির বিএসএফের গুলিতে মিনারুল ইসলাম মিনার নিহত হয়। দীর্ঘ ৫ দিন পর দু’দফা পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আজ সোমবার বিকেলে লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ হস্তান্তর করার সময় বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভীরুল ইসলাম, ৯ নং আস্করপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক ইউপি সদস্য মাজেদুর রহমান ও নিহত মিনারুলের পিতা জাহাঙ্গীর আলম। ভারতের পক্ষে ছিলেন গঙ্গারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা উভয়পক্ষে উপস্থিত ছিলেন।মিনারুল নিহত হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলে। নবম শ্রেনীর একজন ছাত্র টক বকে তরুন যে কিনা পড়াশোনার পাশাপাশি কামলা (মুজুরী) খেটে গরীব পিতাকে সাহায্য করতো সে এক রাতেই হয়ে গেলো চোরাকারবারী। তার বিরুদ্ধে আইন শৃংখলা বাহিনীর খাতায় কোন খারাপ রেকর্ড নেই। এলাকায় ছিল সদালাপি। অথচ সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে অকাল মৃত্যুবরনের সাথেই হয়ে গেলো দাগী চোরাকারবারী। বাংলাদেশ ভারতের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হওয়ার ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে। কিন্তু বিজিবি’র গুলিতে ভারতীয় নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে না বললেই চলে। তর্কের খাতিরে যদি চোরাপথের মাল আনার জন্য সীমান্তে বাংলাদেশীরাই যায় তবে চোরাপথের মাল দেয়ার জন্য ভারতীয়রা আসে না। বিএসএফ এর চোখে পড়ে আর বিজিবি’র চোখে পড়ে না বুধবার দাইনুর সীমান্তে মিনারুল ইসলাম মিনারের যেখানে গুলিবিদ্ধ হয়েছে সেই স্থানে মিনারুল বা সঙ্গিরা গেলো কিভাবে। কারন ঐ এলাকায় যেতে হলে বিজিবি দাইনুর বিওপি (ক্যাম্প) সামনে দিয়ে যেতে হয়। তাহলে তারা গেল কিভাবে? এরকম হাজারো প্রশ্ন রয়েছে সচেতন মানুষের কাছে। বিএসএফ এর গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় বিজিবি সদস্যদের ঘাফলাতি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে সীমান্তে হত্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করেন সচেতন মহল।


বিজ্ঞপ্তি

©দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার 2022All rights reserved