আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সাবেক ডাকসুর ভিপি ও ঢাকা–২ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঠেকাতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন পেছাতে দুই দিন পর পর নতুন নতুন দাবি তুলছে, এখন তারা বলছে গণভোট ছাড়া নির্বাচন হবে না।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। আর সেই নির্বাচনে জনগণের ভোটে বিএনপি ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবে।
আজ শুক্রবার (৭নভেম্বর) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমান উল্লাহ আমান বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার পালিয়েছে। বাংলাদেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে, দেশ নতুন স্বাধীনতা পেয়েছে। কিন্তু এখনো দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকারের অধিকার ফিরে পায়নি। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ সেই অধিকার প্রয়োগ করবে এবং দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি দেশকে আবারও অন্ধকারে ফেরানোর পাঁয়তারা করছে। তবে জনগণ আর কোনো প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না।
অমান উল্লাহ আরও বলেন, জিয়া পরিবার গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক। দেশের যখনই ক্রান্তিকাল এসেছে, তখনই জিয়া পরিবারের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষ মুক্তির পথ পেয়েছে। এই পরিবারের সঙ্গে দেশের মানুষ ছিল, আছে, থাকবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন, আমরা সেই নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনব।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনেই জনগণ ও সৈনিকরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেরাণীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাজী হাসমত উল্লাহ নবী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল হক মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন জাকির, বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম লিটন, তারেক ইমাম বাবুল, সেলিম রেজা, মো. ফিরোজ মিয়া, বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী সামসুল ইসলাম, শাক্তা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, কেরাণীগঞ্জ মডেল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান রিপন, শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল জলিল, যুবক দলের আহ্বায়ক মহসিন কবীর, জাসাস নেতা সাফায়েত হোসেন, শাক্তা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন কবীর, সাধারণ সম্পাদক মন্টু, সুলতান আহমেদ খাঁন, আতাউর রহমান হীরা, যুবদল নেতা মাসুদ রানা,প্রমুখ। এছাড়া স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
